ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
প্রার্থীদের পোস্টার ছাপানোয় নিষেধাজ্ঞা, ছাপাখানাগুলোতে নেই ব্যস্ততা
রংপুর প্রতিনিধি: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের পোস্টার ছাপানোর উপর নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় রংপুরের ছাপাখানাগুলোতে তেমন কোন ব্যস্ততা নেই বললেই চলে। যতটুকু কাজ হচ্ছে তা শুধু হ্যান্ডবিলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অতীতে নির্বাচনকে ঘিরে প্রেস মালিক ও শ্রমিকেরা বাড়তি আয় করলেও এবার তা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকেরা।
রংপুর নগরীর বিভিন্ন ছাপাখানায় গিয়ে দেখা যায়, কর্মরত শ্রমিকরা শুধু প্রার্থীর লিফলেট ছাপানোর কাজ করছেন। এসময় তারা জানান, এবার কাজের তেমন কোন ব্যস্ততা নেই। প্রেস মালিক খোকন চন্দ্র জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি নিষেধ থাকায় এবার কোন পোস্টার ছাপানো যাবে না। হতাশার সুরে বলেন, নির্বাচন আসলে ছাপাখানার মালিক-শ্রমিকরা পোস্টার ছাপানোর জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। এতে কিছু বাড়তি আয় হয়। কিন্তু এবার তা হচ্ছে না।
রংপুর প্রেসের সত্ত্বাধিকারী শাহ বায়েজিদ বলেন, অনেক সময় শ্রমিকদের বেতন তুলতে হিমশিম খেতে হয়। প্রতিটি নির্বাচনে পোস্টার ছাপিয়ে সেই ঘাটতি পূরণ হয় ছাপাখানাগুলোর। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এবার এ সুযোগ নেই। বাংলাদেশ মুদ্রণ মালিক সমিতি রংপুর জেলা সূত্রে জানা যায়, জেলায় ছাপাখানা আছে প্রায় ৬৫টি। এখানে মুদ্রণ শ্রমিকের সংখ্যা আট শতাধিক।
আরও পড়ুনরংপুর জেলা মুদ্রণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার বলেন, ছাপাখানাগুলোতে নির্বাচনের তেমন কাজ নেই বললেই চলে। যা আছে শুধু হ্যান্ডবিল তৈরির কাজ। এক হাজার হ্যান্ডবিল ছাপাতে খরচ হয় ৩শ’ থেকে ৩৫০ টাকা।
সেখানে ১ হাজার পোস্টার ছাপাতে খরচ হয় ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা। গত সংসদীয় নির্বাচনে ছাপাখানাগুলো ১০ লাখ থেকে ৩০ লাখ পর্যন্ত পোস্টার ছাপিয়েছিল। তিনি বলেন, প্রার্থীরা কাপড়ের ব্যানার ছাপাতে পারলেও রংপুরে কাপড়ের ব্যানার ছাপানোর মেশিন আছে মাত্র একটি। ফলে সকলের পক্ষে কাপড়ের ব্যানার ছাপা সম্ভব হচ্ছে না।
মন্তব্য করুন

_medium_1769267338.jpg)






