ভিডিও বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬ ০৬:১২ পিএম

পরিদর্শনে মহিত তালুকদার এমপি

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ধাপহাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ 

সংগৃহীত,বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ধাপহাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ 

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়া দুপচাঁচিয়া পৌরসভার ধাপ সুলতানগঞ্জ হাটটি ইজারা না হওয়ায় টোল কালেকশন হিসাবে খাজনা উত্তোলন করা হচ্ছে। সপ্তাহে দুই দিন বৃহস্পতিবার ও রোববার এই হাট বার হলেও মূলত বৃহৎ হাটটি বসে বৃহস্পতিবার। তবে হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার আকস্মিকভাবে এই হাট সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি গরু হাটে আগত গরু-ছাগল ব্যবসায়ী, বিক্রেতা, ক্রেতা সহ হাটুরিয়াদের সাথে সরাসরি কথা বলেন। 
 
এসময় অতিরিক্ত কোনো খাজনা আদায়ের অভিযোগ না পেলেও অনেক ক্ষেত্রে গরু বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ের নিকট থেকে খাজনা আদায়ের অভিযোগ পান। তাৎক্ষনিক ভাবে তিনি টোল কালেকশন আদায়কারীদেরকে এক্ষেত্রে শুধু মাত্র গরু-ছাগল ক্রেতার কাছে থেকে খাজনা আদায়ের নির্দেশ দেন। এছাড়াও গরুর পরীক্ষার ডাক্তার ফি নির্ধারন করাসহ খাজনা আদায়ের সরকারি তালিকা হাটের বিভিন্ন স্থানে টাঙ্গানোর ও জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিষয়গুলো মাইকিং করে প্রচার করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন। 
 
এসময় পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্রুখ খান, থানা অফিসার ইনচার্জ তাজমিলুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম খান স্বপন, সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাড: সাইফুর রহমান, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন সহ প্রমূখ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। 
 
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর এই হাট থেকে দুপচাঁচিয়া পৌরসভা প্রায় ৮ কোটি টাকার অধিক রাজস্ব আয় করে থাকে। গত বাংলা ১৪৩১ সনে এই হাটটি ৮ কোটি ১০ লাখ টাকা ইজারা প্রদান করা হয়েছিলো। চলতি বাংলা ১৪৩৩ সনের জন্য দুপচাঁচিয়া পৌরসভা থেকে স্থানীয় পত্রিকায় ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। দুপচাঁচিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ কামরুল হাসান জানান, সরকারি মুল্যে দরপত্রে কেউ অংশগ্রহণ না করায় পৌর প্রশাসক ইউএনও শাহ্রুখ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পহেলা বৈশাখ থেকে হাটের টোল খাস কালেকশন হিসাবে খাজনা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত হয়। 
 
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ কামরুল হাসানকে আহ্বায়ক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট খাস কালেকশন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির মাধ্যমে খাজনা আদায় প্রক্রিয়া চলছে। বিগত বছরগুলোতে হাট-বাজার ইজারাদারের পক্ষ থেকে অনেক সময় জোর করে খাজনা আদায় করা হতো। সেক্ষেত্রে তাদেরকে প্রশাসনের অনেক ঝামেলাও পোহাতে হয়েছে। এরপরে এখন আর সেই পরিস্থিতি নেই। জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়।  এখানে অতিরিক্ত খাজনা বা টোল আদায়ের কোনো সুযোগ নেই।   
 
 
 
 
 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গোপালগঞ্জে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

১

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ধাপহাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ 

২

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে

৩

বাইন্যান্সে হ্যাকারদের হানা, ৩০০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধার

৪

‘ওয়ালটন হাউজফুল অফার’ এ ফ্রিজ কিনে বিনামূল্যে ঘরভর্তি পণ্য পেলেন চট্টগ্রামের রীমা

৫

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৬