ভিডিও মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:০৯ পিএম

ডিজেলে এখনও লিটারে ৭০ টাকা লোকসান: রিজভী

সংগৃহীত,ডিজেলে এখনও লিটারে ৭০ টাকা লোকসান: রিজভী

জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে সরকারের প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।

রিজভী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এক লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের প্রায় ২০৫ টাকা খরচ হয়েছিল। অথচ দীর্ঘদিন দেশে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। এতে প্রতি লিটারে সরকারের প্রায় ৯০ টাকা লোকসান হয়েছে।

সম্প্রতি ডিজেলের দাম ২০ টাকা সমন্বয় করা হলেও লোকসান পুরোপুরি কাটেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখনো প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে সরকারের প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে।

বিভিন্ন দেশের দামের তুলনা
আলোচনায় বিভিন্ন দেশের ডিজেলের দাম তুলে ধরে রিজভী বলেন, নেপালে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম প্রায় ১৬১ টাকা, মিয়ানমারে প্রায় ১৬৪ টাকা, শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা এবং ফিলিপাইনে ১৮৮ টাকা ৫০ পয়সা। ভারতেও প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৪ টাকার বেশি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রিজভীর ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সময়ও বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ১১৫ টাকা দরে ডিজেল বিক্রি করা হয়েছে। পরে দাম ২০ টাকা বাড়ানো হলেও সরকারের লোকসান এখনো রয়েছে।

আরও পড়ুন

নাশকতার বিরুদ্ধে কর্মসূচির আহ্বান
দেশের বিভিন্ন স্থানে বাস ও ট্রেনে আগুন এবং ককটেল বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, মধ্যবাড্ডা, উত্তরা, মিরপুর ও কাফরুল এলাকায় বাসে আগুন, ট্রেনে আগুন এবং হাইকোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

এসব ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারা লং মার্চ করছেন, তাদের এসব ঘটনার বিরুদ্ধেও কর্মসূচি দেওয়ার আহ্বান জানান রিজভী।

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের উদ্দেশে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কর্মসূচির পাশাপাশি পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনে জামায়াতের ভূমিকা নেই। জনগণের সঙ্গে প্রতারণার কারণে তারা কখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।

সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়কারী ব্যারিস্টার নাসিম খান ও মুখপাত্র এস এম শাহাদাতসহ অন্যরা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডিজেলে এখনও লিটারে ৭০ টাকা লোকসান: রিজভী

নতুন ঠিকানা নিয়েই ব্যস্ত ওমর সানী

মেয়েদের টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের বিশ্বরেকর্ড শেফালির

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশে নিয়োগ, বেতন ৪৯ হাজার টাকা

জনবল নিয়োগ দিচ্ছে এসিআই, ৪০ বছরেও আবেদনের সুযোগ

আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা : গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী কারাগারে