গোপালগঞ্জে মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর মরদেহ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি কওমি মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষ থেকে হুসাইন কাজী (১২) নামে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুরের দারুল উলুম শুভম কওমি মাদ্রাসা, এতিমখানা ও কিন্ডারগার্টেনে এ ঘটনা ঘটে।
হুসাইন উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের বলনারায়ণ গ্রামের পলাশ কাজীর ছেলে। সে ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল।
মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, আসরের নামাজের পর শিক্ষার্থীরা খেলতে বাইরে যায়। এ সময় শিক্ষক ও কর্মচারীরাও বাইরে ছিলেন। পরে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক তার সন্তানের কাপড় নিতে দ্বিতীয় তলার ৬ নম্বর কক্ষে যান। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে হুসাইনকে দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে মাদ্রাসার লোকজন সেখানে ছুটে আসেন।
খবর পেয়ে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জানালার গ্রিল কেটে কক্ষে প্রবেশ করেন। পুলিশও পরে সেখানে যায়।
আরও পড়ুনমুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার রেজাউল করিম বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাদ্রাসার এক শিক্ষক ফোন করে জানান, একটি ছেলে একটি কক্ষে একা অবস্থায় আছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। দরজা দিয়ে প্রবেশ সম্ভব না হওয়ায় জানালার গ্রিল কেটে তারা কক্ষে ঢোকেন।
তিনি বলেন, হুসাইনকে জানালার গ্রিলের পাশে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়। গামছার অপর প্রান্ত খোলা ছিল।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর বুধবার ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় হুসাইনের বাবা পলাশ কাজী মুকসুদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক
_medium_1786530067.jpg)
_medium_1786528715.jpg)


_medium_1786526049.jpg)
_medium_1786525774.jpg)
_medium_1786530255.jpg)
_medium_1786528745.jpg)
_medium_1786517859.jpg)