ভিডিও বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট, ২০২৬ ০৩:৩৫ পিএম

আগামী ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আগামী ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

পাইলট প্রকল্প শেষে আগামী ১৬ আগস্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। কিশোরগঞ্জ সদরের লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উদ্বোধন করবেন। এরপর চার বছরে এক কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে যাতে কোনো উপযুক্ত ব্যক্তি বাদ না পড়ে এবং অযোগ্য কেউ অন্তর্ভুক্ত না হন, সে জন্য তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ ও পর্যালোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটি একটি চলমান বা ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ ব্যবস্থা। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তথ্য নিয়মিত সংশোধন করা হবে।

মন্ত্রী জানান, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে, যাতে কেউ বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ সুবিধাভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন। ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে যে দুর্বলতা রয়েছে, তা কমানোই সরকারের লক্ষ্য। এজন্য নিয়মিত তথ্য সংশোধন ও পর্যালোচনার ব্যবস্থা থাকবে। তিনি বলেন, কেউ দরিদ্র থেকে নিম্নবিত্ত ও নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত হতে পারেন। আবার মধ্যবিত্ত থেকেও কেউ দরিদ্র হয়ে যেতে পারেন। এজন্য এটি হবে একটি গতিশীল ব্যবস্থা, যেখানে নিয়মিত তথ্য সংশোধন চলবে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ কর্মসূচিতে কোনো ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে কাউকে সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করার সুযোগ নেই। সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনের নীতির আলোকে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

তিনি জানান, আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে কার্যক্রম শুরু করা হবে। একসঙ্গে সারাদেশে এটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। জাহিদ হোসেন বলেন, চার বছরের মধ্যে প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর বেশিও হতে পারে। চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ভর করবে তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের ফলাফলের ওপর। 

তিনি জানান, পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে সহায়তার অর্থ পৌঁছালে তা শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, হাঁস-মুরগি পালন, গাছ লাগানো, কুটিরশিল্প, সেলাই ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে কাজে লাগবে। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন যেমন বাড়বে, তেমনি গ্রামীণ দারিদ্র্য কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খালাসের পাঁচ বছর পর ধর্ষণ মামলায় দোষী প্রমাণিত ভারতীয় সাংবাদিক

চার বছরে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

বগুড়ায় অবৈধ সীসা তৈরি কারখানার ২ লাখ টাকা জরিমানা, কার্যক্রম বন্ধ

সিলেটে হামের উপসর্গ আরও ২ শিশুর মৃত্যু

জুলাইয়ে সড়কে নিহত ৪১৬ জন : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

মাগুরায় গণহত্যার বিচারের দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল