ভিডিও মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রকাশ : ১৪ জুলাই, ২০২৬ ০৫:৫৪ পিএম

বন্যাদুর্গতদের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে দিতে চায় সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বন্যাদুর্গতদের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে দিতে চায় সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারে পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি, গবাদিপশু, মৎস্য খামার ও কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, শুধু ত্রাণ সহায়তাই নয়, দুর্গত মানুষকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের উদ্যোগও নেবে সরকার।

অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, সরকার প্রথম থেকেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দুর্গত মানুষের পাশে আছে। উদ্ধার এবং ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলমান রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় ত্রাণ বিতরণের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রতিটি উপজেলার সকল ইউনিয়নে একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছি। যাতে করে সে ওই ইউনিয়নের অন্তর্গত প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি গ্রামের তথ্য আমাদের কাছে দিতে পারে। যেনো প্রতিটি দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, বাসা-বাড়ি পুনর্নির্মাণ থেকে শুরু করে গবাদিপশু, মৎস্য খামারি কিংবা কৃষি জমির যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে; তা সরকার পুষিয়ে দিতে চায়। যাতে মানুষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে।’

আরও পড়ুন

অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘আমি মনে করি এই সরকার অত্যন্ত সংবেদনশীল; যে কারণে জনগণের যেকোনো কষ্ট লাঘবের দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই প্রতিটি সংস্থা মাঠে আছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যায় নিহত হওয়ার ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত; যা আমাদের মনোবেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি মৃত্যু কাম্য নয়। প্রাথমিকভাবে সরকার নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছে। এককালীন নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করব না। এই পরিবারগুলো হয়তো বা উপার্জনক্ষম ব্যক্তি চলে গেছেন। ইনশাল্লাহ প্রশাসনের মাধ্যমে, স্থানীয় সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে সরকার তাদেরকে ঘুরে দাঁড়াবার জন্য পাশে থাকবে।

পাহাড় ধসে মৃত্যুর কারণ প্রসঙ্গে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘এখানে আমাদের সকলের সম্মিলিত একটি প্রচেষ্টা থাকতে হবে। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক কর্মী, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যম সবাই মিলে যদি সচেতনতা তৈরি করতে পারি, তাহলে আমি মনে করি পাহাড়ের পাদদেশে এভাবে অবৈধভাবে বাসস্থানের সংখ্যা কমবে এবং ঝুঁকিও আমরা কমাতে পারব। এটা হচ্ছে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষগুলোকে সবাই মিলে বুঝিয়ে যদি তাদের বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে পারি; ইনশাল্লাহ আগামী দিনগুলোতে ঝুঁকি কমে আসবে।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আখতার।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সিঙ্গারের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, স্নাতক পাসেই আবেদন

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে ‘বিতর্কিত’ রেফারি ইসমাইল

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে নিয়োগ, ফ্রেশার প্রার্থীদের আবেদনের সুযোগ

আকিজ গ্রুপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, কর্মস্থল ঢাকা

মার্কেটিং অফিসার নিয়োগ দেবে কর্ণফুলী গ্রুপ

কংগ্রেসে ইরানের সঙ্গে আবারও যুদ্ধ শুরু ঘোষণা ট্রাম্পের