বগুড়ার আদমদীঘিতে আটক মাদরাসা শিক্ষককের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখেলী মাদরাসার ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়া ও মোবাইল ম্যাসেজে অশ্লীল ভাষায় যৌন হয়রানিমুলক কথা লিখে চ্যাটিং করা সংক্রান্ত ঘটনায় আটক শিক্ষক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত আরবি সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউপির কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানাযায়, আদমদীঘির নরসতপুর ইউপির ধামাইল ঘোড়াদহ ছিদ্দিকীয়া দাখেলী মাদরাসার আরবি সহকারি মৌলভী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান একই প্রতিষ্ঠানের ৯ম শ্রেনির এক ছাত্রীকে তার মোবাইল ফোনের আইডি থেকে নিয়মিত খারাপ ভাষা ব্যবহারসহ যৌন হয়রানি মূলক অশ্লীল ভাষায় মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে আসছিল। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ছাত্রী বাবা ও আত্মীয় স্বজনদের অবহিত করেন ও ম্যাসেজটি দেখান।
আরও পড়ুনএ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে গতকাল ৩০ জুন মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষক মাওলানা মাহমুদুল হাসানকে জনতা বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে আদমদীঘি থানায় খবর দেন। পরে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাহমুল হাসানকে আটক করে। এসময় উত্তেজিত ও বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই ঐ শিক্ষককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেন।
আদমদীঘি থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, আজ বুধবার (১ জুলাই) সকালে গ্রেফতারকৃত শিক্ষককে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন



_medium_1782917492.jpg)
_medium_1782917108.jpg)



