বগুড়ায় ‘ভাইরাল’ হওয়া সেই পুলিশকন্যা উদ্ধার
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া আদমদিঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টবল রানা মাসুদের অপহৃত মেয়ে তাছনিয়া রানা তামান্নাকে উদ্ধার করা হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দৈবনন্দপুর গ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করে। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা দেড়টার দিকে জেলা ডিবি কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আসামি মো. শহিদ হোসেন (২০) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টবল রানা মাসুদের ষোড়শী মেয়ে তাছনিয়া রানা তামান্নাকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে এঘটনায় কনস্টেবল মাসুদ রানা বাদি হয়ে শহিদ হোসেন এবং তার বাবা মা ও ভগ্নিপতি সেনাসদস্য রেজাউল করিমসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদমদিঘী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের হওয়ার পর আসামিরা অপহৃত রানা তামান্নাসহ সটকে পড়ে। এ বিষয়ে তামান্নার বাবা মেয়েকে উদ্ধারের ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ‘ভাইরাল’ হয়। এদিকে মেয়েটিও বাবার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। ফেসবুকে লাইভে এসে মেয়েটি বলে যে কেউ তাকে অপহরন করেনি। সেচ্ছায় সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে শহিদকে ভালবেসে বিয়ে করেছে। মেয়ের এই বক্তব্যও ‘ভাইরাল’ হয়।
আরও পড়ুনপরবর্তীসময়ে মামলাটির তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)তে হস্তান্তর করা হয়। এরপর ডিবি মেয়েটিকে উদ্ধার ও আসামিকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্নস্থানে অভিযানে নামে। এই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) মঙ্গলবার ভোর সোয়া ৪ টার দিকে বগুড়া ডিবির একটি টিম জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দৈবনন্দপুর গ্রামে প্রধান আসামি শহিদের নানাবাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃত পুলিশকন্যা তামান্নাকে উদ্ধার করে ।
এদিকে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা ডিবির এসআই জাহাঙ্গীর কবির বলেন, উদ্ধার হওয়া তামান্নাকে আজ বুধবার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকের কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষাশেষে আদালতে হাজির করা হবে। সেইসাথে আসামিদের গ্রেফতারেও বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন







