বেহাল অবস্থায় কাহালু-বগুড়া সংযোগ সড়ক
কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধি : সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় বগুড়া-সান্তাহার রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়া কাহালু-বগুড়া সংযোগ সড়কের প্রায় বেশিরভাগ অংশ দেবে যাওয়া এবং একই সাথে কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় সড়কটি আবারও আগের সেই বেহাল অবস্থার দিকে ফিরে যাচ্ছে।
বর্তমানে কাহালু চারমাথা রেলগেট থেকে পুরান বগুড়া (তিনমাথা রেলগেট) পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে দেবে গিয়ে উঁচু-নিচু হওয়াসহ কার্পেটিং উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যান চলাচল করে। লক্ষ্য করা গেছে, সড়কটি সংস্কারের কিছুদিন পর থেকেই সড়কের বিভিন্ন স্থান দেবে যায় এবং সেই সাথে কার্পেটিং উঠে গিয়ে ছোট বড় গর্তের (খানাখন্দক) সৃষ্টি হয়েছে।
বগুড়া জেলা সদরের শহরদিঘী মাদ্রাসা থেকে পশ্চিমে মাছের হ্যাচারি পর্যন্ত সড়ক দেবে গিয়ে এমন ঢেউ খেলানো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে, সড়কের ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া কৈচড় উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান গেটের সামনে, কৈচড় বাজার পার হয়ে পশ্চিমে বস্তার গোডাউন এবং বড়িতলা নামক স্থান পর্যন্ত সড়কের বেহাল অবস্থা।
এছাড়া বাখরা রেলগেট বাজার থেকে পশ্চিমে শিতলাই ফিডমিল পর্যন্ত সড়কের বেশিরভাগ অংশ দেবে গেছে। অনেকের অভিযোগ, বিগত সরকারের আমলে সড়কটির মানসম্মতভাবে সংস্কার না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে আসন্ন এ বর্ষা মৌসুমে সড়কটি আরও হুমকির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে।
আরও পড়ুনঅতিস্বল্প সময়ে এ সড়ক দিয়ে জেলা সদরে পৌঁছা যায় বলে সড়কটি কাহালুবাসীর কাছে অতিগুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে কাহালু চারমাথা রেলগেট থেকে পুরাতন বগুড়া তিনমাথা রেলগেট পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যান চলাচল করছে। এছাড়া সড়কটি প্রসস্থ না হবার কারণে ভারি কোন যানবাহনের সাথে অন্য কোন যান সাইড নিতে বা দিতে গেলে চালককে চরম ঝুঁকির সম্মখীন হতে হয়।
এ ব্যাপারে বগুড়ার সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কাহালু এলাকার দায়িত্বে নিয়োজিত বগুড়া জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক বলেন, সড়কটি সংস্কার করে কোন লাভ হবে না। কারণ, সড়কের ভিত্তি ঠিক নেই, নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ মুহূর্তে সড়কের কাজ করা সম্ভব নয়। নতুন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে আগামীতে সড়কটির কাজ করা হবে।
মন্তব্য করুন



_medium_1778938550.jpg)
_medium_1778938259.jpg)



