অভিযানে গ্রেপ্তার রনি কাশিপুর এলাকার কালু মিয়ার ছেলে।
পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া এসব অস্ত্র বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশে মজুদ করা হয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম জানান, গ্রেপ্তার রনির বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুনতিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি ও পলাতক অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে রনিকে আদালতে পাঠানো হয়।
এর আগে গত ৬ মে বিকেলে ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগের হাশেম বাগ এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে লুটপাটের খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ লুটপাটে জড়িত সন্দেহে ওই এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী ডেভিট ও রাসেলসহ আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আটকের কিছুক্ষণ পরেই ডেভিটের বড় ভাই আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল্লাহ তার সহযোগীদের নিয়ে দলবদ্ধভাবে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। এক পর্যায়ে পুলিশকে অস্ত্র প্রদর্শন করে হাতকড়াসহ আসামিদের ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারা বাবুরাইলের শীর্ষ সন্ত্রাসী সবুজ ও আজাদ গ্রুপের লোক মূলত তাদের শেল্টারে এ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে থাকে তারা।

নিউজ ডেস্ক




_medium_1778148152.jpg)
_medium_1778147301.jpg)


