ভিডিও সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৪ মে, ২০২৬, ০৮:৪২ রাত

বিভাগীয় তদন্ত শুরু

বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের জুতার মালা পরানোর ঘটনায় শিক্ষিকাকে শোকজ

বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের জুতার মালা পরানোর ঘটনায় শিক্ষিকাকে শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন শিশু শিক্ষার্থীকে গাছ থেকে আম পেড়ে খাওয়ার অপরাধে বেত্রাঘাত ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে ‘আমচোর’ লিখে ক্লাসে ক্লাসে ঘোরানোর ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু হয়েছে। তীব্র সমালোচনার মুখে অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকা ক্ষমা চাইলেও তাকে শোকজ করা হয়েছে।

এদিকে গতকাল সোমবার বিকেলে জলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীরকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে মতামতসহ তিনদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা বলেছেন।

জানা গেছে, সদর উপজেলার বুজর্গধামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা আমগাছ থেকে গত ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার কয়েকজন শিক্ষার্থী আম পেড়ে খায়। এ ঘটনায় পরদিন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গোল শাহানারা বেগম ওই তিন শিক্ষার্থীকে ডেকে নেন। তিনি তাদের প্রত্যেককে বেত্রাঘাত করেন এবং পরে পায়ের স্যান্ডেল খুলে গলায় মালার মতো পরিয়ে “আমচোর” লিখে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে ঘোরান।

পরবর্তীতে ঘটনাটি অভিভাবকদের মাধ্যমে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে ওঠে এলাকাবাসী। ব্যাপক ক্ষোভ ও তোপের মুখে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষিকা তার আচরণের জন্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চান। তবে ক্ষমা প্রার্থনার পরও ঘটনাটি নিয়ে অসন্তোষ রয়ে গেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তারা এ ধরনের আচরণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন

তবে কোমলমতি শিশুদের ওপর এমন বর্বরোচিত মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় শুধু ক্ষমা চেয়েই শেষ রক্ষা হয়নি তার। ৩ মে (রোববার) সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীর অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) প্রদান করেন। সর্বশেষ গতকাল ৪ মে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম কবীরকে আগামী তিন কর্ম দিনের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজোয়ান হোসেন জানান, তদন্তে ঘটনার সত্যতা উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে দোষের প্রকৃতির ওপর বিবেচনা করে প্রধান শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত বিভাগীয় মামলা দায়েরও করা হতে পারে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বগুড়ায় শিক্ষার্থীদের জুতার মালা পরানোর ঘটনায় শিক্ষিকাকে শোকজ

ফেনীতে গাঁজা ও বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধসহ গ্রেফতার ২

বয়স নিয়ে ভাবেন না মালাইকা

মা হারালেন ব্যান্ড তারকা হাসান

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ওষুধসহ বিভিন্ন ভারতীয় সামগ্রী জব্দ

বগুড়ার আদমদীঘিতে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার