এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের এনসিপির প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতা নিয়ে চলা আইনি জটিলতার অবসান ঘটছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এই আদেশের বিরুদ্ধে তারা কোনো আপিল করবে না।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। আপিল না করার কারণ ব্যাখ্যা করে কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ বলেন, ‘আমরা আদালতের রায় কার্যকর করবো। যেহেতু এই মামলায় আমাদের পক্ষভুক্ত করা হয়নি, তাই কমিশন থেকে কোনো আপিল করা হচ্ছে না।’
প্রসঙ্গত, এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম নির্ধারিত সময়ের মাত্র ১৯ মিনিট পর (৪টা ১৯ মিনিটে) ইসির সংশ্লিষ্ট শাখায় তার ফরম জমা দেন। সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা সেটি গ্রহণ করেননি, যার ফলে তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এরপরই তিনি উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। সোমবার (২৬ এপ্রিল) আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ইসিকে নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এখানে আইন অনুযায়ী বিবেচনা বলতে মনোনয়নপত্র গ্রহণের পর তা বাছাই করা হবে। বাছাইয়ে বৈধ হলে এবং কেউ আপিল না করলে বা আপিল করলে সেখানে তিনি টিকে গেলে প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকবেন।
আরও পড়ুনসংরক্ষিত নারী আসনে ইসি ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল বিকেল ৪টা। এই সময়ের মধ্যে ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এদের মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন (নুসরাত জমা দেন ৪টা ১৯ মিনিটে), স্বতন্ত্র জোটের একজন ও ব্যক্তিগতভাবে তিন প্রার্থী জমা দেন।
এদের মধ্যে ২২ ও ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে জামায়াত জোটের নুসরাতের মনোনয়নপত্র তালিকার বাইরে থেকে যায়। বাছাইয়ে জামায়াত জোটের আরেক প্রার্থী, এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন তার সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর সময় অতিবাহিত না কারণে অবৈধ হন। এই জোটের টিকে যান ১২ জন। স্বতন্ত্রদের জোটের প্রার্থীও বৈধ হন। বিএনপি জোটের ৩৬ জনই টিকে যান। আর ব্যক্তিগতভাবে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী তিনজনের মধ্যে একজন প্রত্যাহার করেন ও দু’জন অবৈধ হন।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








