সার আত্মসাতের মামলায় বিসিইসি’র বাফার গুদামের কর্মকর্তা নাজমুল কারাগারে
কোর্ট রিপোর্টার : বগুড়া বিসিআইসি’র বাফার গুদাম থেকে ৩৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকার ২৩৯ মেট্রিকটন সরকারি ইউরিয়া সার আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় বাফার গুদাম কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম ভুঁইয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দুদক’র দায়েরকৃত মামলার আসামি বগুড়ার সাবেক কারিগরি কর্মকর্তা (বাণিজ্যিক বিভাগ বিক্রয়) বর্তমানে জামালপুরের তারাকান্দি যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের কারিগরি কর্মকর্তা (বাণিজ্যিক বিভাগ ভান্ডার শাখা) নাজমুল ইসলাম ভুঁইয়ার নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার হরনখোলার মৃত আবু ছ্ইাদ ভুঁইয়ার ছেলে। বৃহস্পতিবার বগুড়ার স্পেশাল জজ আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে হাজতি পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়। ওই আদালতের বিচারক মো. আয়েজ উদ্দিন ওই আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক বাদি হয়ে ওই সময় সমন্বিত জেলা কার্যালয় বগুড়ায় বিসিইসি’র আওতাধীন বগুড়া তিনমাথার বাফার গুদামের তৎকালীন ব্যবস্থাপক প্রাশসন (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) আনোয়ার হোসেন এবং জামিনের আবেদন নামঞ্জুরকৃত ওই আসামি নাজমুল ইসলাম ভুঁইয়াকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ওই আসামিরা বিসিআইসি’র আওতাধীন বগুড়া তিনমাথা বাফার সারের গুদাম থেকে বিগত ২০১৮ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কর্মরত থাকাকালে পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণা ও বিশ্বস ভঙ করে দুর্নীতির মাধ্যমে ৩৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা মূল্যের ২৩৯ মেট্রিকটন সরকারি ইউরিয়া সার আত্মসাৎ করেন।
পরে মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন বগুড়া জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম তদন্ত শেষে বিগত ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর সইকৃত অভিযোগপত্র সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দাখিল করেন।
মামলাটি পরিচালনা করেন বাদি রাষ্ট্রপক্ষে দুদক’র পিপি এড. মাহবুবা খাতুন সুখি এবং আসামি পক্ষে এড. আরাফাতে জান্নাতে খাতুন নীলা।
মন্তব্য করুন








