ভিডিও মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ০৩ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪০ রাত

উত্তরাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে

উত্তরাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: উত্তরাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে। নির্ধারিত সময়সূচির গড়মিল, ভাঙাচোরা কম্পার্টমেন্টে যাত্রী পরিবহন আবার দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি রেলস্টেশন বন্ধ থাকায় ক্রসিং জটিলতা বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে যেসব এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা ট্রেন, তারা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়ছেন।

গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে ওঠা বগুড়ার সান্তাহারগামী করতোয়া আন্তঃনগর এক্সপ্রেসের যাত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সুজন বলেন, কম্পার্টমেন্টের ভিতরে ধুলোবালি আর ময়লা জমে থাকে। আসনে বসলেই কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। দেখে মনে হয় যেন পশুপাখির ঘর। সাঘাটার বোনারপাড়া রেলস্টেশন থেকে ওঠা রফিকুল ইসলাম জানান, রাত ৮টা ২০ মিনিটের ট্রেন প্রায় প্রতিদিন রাত ১০টায় আসে। এতে যাত্রীরা নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়ছেন।

সান্তাহার-পঞ্চগড় রুটে চলাচলকারী দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনেরও অবস্থা একই রকম। বগুড়া, গাইবান্ধা, সাঘাটা, রংপুর ও দিনাজপুর এলাকার শত শত যাত্রী ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কাজে এই ট্রেনে যাতায়াত করেন। ট্রেনটি আন্তঃনগর হলেও পরিবেশ অনেকটাই লোকাল ট্রেনের মতো। ভাঙা দরজা-জানালা মেরামতের উদ্যোগ নেই, নোংড়া টয়লেটে নেই পানির ব্যবস্থাও। নিয়মিত যাত্রী রানা সরকার ও বুলু মিয়া জানান, আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট কেটেও লোকাল ট্রেনের সুবিধা পাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।

সান্তাহার-বোনারপাড়া-লালমনিরহাট রুটে দীর্ঘদিন ধরে অন্তত ১৫টি রেলস্টেশন কার্যক্রম বন্ধ। ফলে এসব স্টেশনে ক্রসিংয়ের সুযোগ নেই। ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনগুলো বড় স্টেশনে থামলে বিপরীত দিক থেকে আসা লোকাল ট্রেনকে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয়। বন্ধ স্টেশনগুলোতে ক্রসিং অপেক্ষায় ট্রেনগুলো প্রায়ই দেরিতে পৌঁছায়, ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন

এই রুটের লোকাল ট্রেনগুলোর ভোগান্তিও নিত্যদিনের সঙ্গী। বোনারপাড়া থেকে সান্তাহারগামী ‘কলেজ ট্রেন’-এ সন্ধ্যার পর আলোর ব্যবস্থা নেই, টয়লেট ভেঙে গেছে। ধারণক্ষমতার তিনগুণ যাত্রী নিয়েও কোচ বাড়ানোর উদ্যোগ নেই। টিকিটবিহীন যাত্রীরা অবাধে চলাচল করলেও নেই পরিদর্শন। বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের মাস্টার প্রদীপ চন্দ্র জানান, বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক তছলিম আহম্মেদ খান বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। পরিস্থিতি বুঝে সকল সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

উত্তরাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে

রংপুরের তারাগঞ্জে মুড়ি হাতে ভেজেই চলে শতাধিক পরিবার

বগুড়ায় জিয়া পরিবারের কল্যাণ কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল

বগুড়া শহরের চাঁদনী বাজার এলাকায় বহাল তবিয়তে রেল ঠিকাদারের নির্মাণ সামগ্রী 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দুর্গারাম ক্যানেলের ওপর পাটাতন ভাঙা ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ

কুড়িগ্রামে মেধাবী আকাশের কিডনি প্রতিস্থাপনে প্রয়োজন ৮ লাখ টাকা