বগুড়া শহরের ৩নং রেলগুমটি এলাকা সড়ক নয় যেন ময়লার ভাগাড়
স্টাফ রিপোর্টার : বগুড়া শহরের ৩নং রেলগুমটি উত্তর পাশের রাজা বাজার সংলগ্ন সড়কটি যেন এক ময়লার ভাগাড়। শহরের প্রধান পাইকারি এই বাজারের প্রবেশ মুখেই সড়কটির ওপর দীর্ঘদিন নিয়ম করেই ফেলা হয় ময়লা-আবর্জনা। এবার তা না সরানোয় সড়কে নোংরা ছড়িয়ে দুর্গন্ধে নাজেহাল কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষ।
আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে সরেজমিনে দেখা গেছে, ৩নং রেলগুমটি উত্তর পাশে রেললাইন ঘেঁষেই রাস্তার মাঝখানে কয়েক দিনের ময়লা-আবর্জনার স্তুপ। স্তুপটিতে ময়লা ফেলতে ফেলতে তা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি ময়লা-আবর্জনা পুরো সড়কটিতে ছড়িয়ে পড়েছে। ময়লার কারণে সড়কটি সংকীর্ণ হয়ে পড়ায় রিকশা-ভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহনকে থেমে থেমে চলাচলা করতে হচ্ছে।
রাজা বাজারসহ ওই সড়কসংলগ্ন দোকানপাট ও মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনকে চলাচল করতে হচ্ছে সতর্কভাবে। নোংরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পুরো এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। আশেপাশের দোকানীরা মাস্ক পরে আর লোকজন নাক চেপে ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করছেন। সব চেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে স্থানীয় দোকানীরা, তাদের বেচাকেনা লাটে উঠেছে।
সড়কটির আরেকটু সামনে গিয়ে আরেকটি ময়লার স্তুপ দেখা যায়। সেখানেও কয়েক দিন ধরে ময়লা-আবর্জনা স্তুপ করে রাখা হলেও তা অপসারণে পৌরসভার কোন উদ্যোগ নেই বা কাউকে গত কয়েক দিনেও দেখেননি স্থানীয় দোকানীরা। ওই সড়কের ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিন দিনের বেশি হলো ময়লা সরানো কেউ বা কোন কর্তৃপক্ষ এখানে আসে না। বার বার অভিযোগ করার পরেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে ময়লার দুর্গন্ধে টেকা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরও পড়ুনরোজা রেখে এমন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসে বেচাকেনা করাও খুব কষ্টের। ওই সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ আক্ষেপ করে বলেন, বিগত দিনে এই শহরের মানুষ যে পরিমাণ বঞ্চিত হয়েছেন তা মেনে নিয়েছি, কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শহর বগুড়ার এমন দশা মেনে নেয়া যায় না। এমন দুর্ভোগের দ্রুত প্রতিকার চান তারা।
জানতে চাইলে বগুড়ার স্থানীয় সরকার বিভাগরে উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক রাজিয়া সুলতানা বলেন, বৃহৎ এই শহরের ময়লা-আবর্জনা সরানোর জন্য নির্ভর করতে হয় ভাড়া করা ট্রাকের ওপর। গত কয়েক দিন ধরে ভাড়ার ট্রাকগুলো আর আসছে না। তিনিও ছুটিতে আছেন, তাই কাজে ফিরেই দ্রুতই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে ময়লা-আবর্জনা সরানো ব্যবস্থা করা হবে।
মন্তব্য করুন






