স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রীশূন্য নোয়াখালী
স্বাধীনতার পর প্রায় প্রতিটি সরকারেই নোয়াখালীর প্রতিনিধিত্ব ছিল মন্ত্রিসভায়। বিশেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন জেলার রাজনীতিকে জাতীয় পর্যায়ে শক্ত অবস্থান এনে দিয়েছিল। সেই ইতিহাস থেকেই এবারও একই ধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোয়াখালী ইস্যুটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে। দলীয় কর্মীদের পোস্ট, সমর্থকদের মন্তব্য এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের প্রতিক্রিয়ায় স্পষ্ট হয়—জেলার মানুষের প্রত্যাশা ছিল অন্তত একজন হলেও মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন।
তৃণমূলের প্রতিক্রিয়ায় ফুটে উঠেছে আবেগ ও বাস্তবতার মিশ্র সুর। জেলা সদরের ক্রীড়া সংগঠক মো. জহীর উদ্দিন মনে করেন, পাঁচটি আসনে ধানের শীষের বিজয় নোয়াখালীর পরীক্ষিত নেতৃত্বের স্বীকৃতি। তাই মন্ত্রিসভায় অন্তত একজনের অন্তর্ভুক্তি প্রত্যাশিত ছিল। ব্যবসায়ী আশরাফুল এজাজ নতুন মন্ত্রিসভায় নবীন–প্রবীণের সমন্বয়কে ইতিবাচক বললেও জেলার অনুপস্থিতিকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন।
আরও পড়ুনত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জয় এনে দিয়েও নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কোনো প্রতিনিধিত্ব না থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের নীরব অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। বিজয়ের উচ্ছ্বাস ম্লান করে দিয়েছে মন্ত্রিসভার তালিকা প্রকাশের পরের বাস্তবতা। স্থানীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ সমর্থকদের অনেকেই বিষয়টিকে কেবল পদবঞ্চনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবদানের মূল্যায়নের প্রশ্ন হিসেবে দেখছেন।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক








_medium_1771344142.jpg)