পঞ্চগড় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে রসুনক্ষেত নষ্টের অভিযোগ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের সোলেমান হক নামে এক কৃষকের দেড় বিঘা ক্ষেতের রসুন নষ্ট করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ওই ইউপি সদস্য তার দলবল নিয়ে ভুক্তভোগী কৃষকের ক্ষেতের রসুন গাছ কেটে ফেলে এবং আগাছানাশক স্প্রে করে দেয় বলে অভিযোগ করেন ওই কৃষক পরিবার।
ভুক্তভোগী কৃষক জানায়, তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ফরিদ আলীর কাছে দেড় বিঘা জমি ২০২২ সালে ক্রয় করে চাষাবাদ করে আসছিলেন। গেলো বছরের ডিসেম্বর থেকে ওই জমিটি তাদের বলে ফসলের ক্ষতি করে আসছিলেন সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাসুদ মিয়া। ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর দেবীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কৃষক সোলেমান হক।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ দলবল নিয়ে মাসুদ মিয়া দলবল নিয়ে সোলেমানের ক্ষেতের রসুনের গাছগুলো নির্বিচারে কেটে ফেলেন। পাশাপাশি আগাছানাশক স্প্রে করে দেয় তার লোকজন। কষ্টের ফসলের সাথে এমন অবিচার দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন কৃষক সোলেমান হক।
তিনি বলেন, ধার দেনা করে দেড় লাখ টাকা খরচ করে আমি রসুন চাষ করেছি আমার কষ্টের ফসল সব নষ্ট করে দিয়েছে মাসুদ মেম্বার ও তার লোকজন। আর কয়েকদিন পরেই তোলা যেতো রসুন। একজন মানুষ ফসলের সাথে এমন নিষ্ঠুরতা করতে পারে না।
আরও পড়ুনআমি এর ন্যায় বিচার চাই। জমিটি আমার কেনা সম্পত্তি। এখন তারা হঠাৎ জমিটি তাদের দাবি করে এমন অমানবিক আচরণ করছে। সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাসুদ মিয়া বলেন, জমিটি আমাদের কেনা ১৯৭২ সালে। আমাদের দখলেই ছিলো।
এই জমি নিয়ে কয়েকমাস আগে গন্ডগোল হলে শালিসের মাধ্যমে জমিটি সোলেমান আমাদের দিয়ে দেয়। সবার অনুরোধে আমরা ৫ হাজার টাকায় ওকে চুক্তিতে আবাদ করতে দেই। আবাদ চলাকালীন অবস্থাতেই সে আমাদের নামে উল্টো মামলা করেছে। এজন্য আমার ছোট ভাইরা গিয়ে রসুন কেটে দিয়েছে। মামলা যেহেতু হয়েছে আমরা আর ক্ষেতে রসুন রাখতে দেব না।
মন্তব্য করুন







