ইস্পাহানির পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত হচ্ছে ৩৭তম জাতীয় টিম ব্রিজ চ্যাম্পিয়নশিপ
ইস্পাহানির পৃষ্ঠপোষকতায় আবারও শুরু হতে যাচ্ছে ৩৭তম জাতীয় টিম ব্রিজ চ্যাম্পিয়নশিপ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মাইন্ড গেম হিসেবে সুপরিচিত এ খেলা উপলক্ষে ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার অলিম্পিক ভবনের ডাচ বাংলা অডিটোরিয়ামে ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আগামী ২৩-২৪ ও ৩০-৩১জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত ৪ দিনব্যাপী এ চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে দেশের টিম ব্রিজের নতুন চ্যাম্পিয়ন দল। এবারের টুর্নামেন্টে সারা দেশের ১৬ থেকে ১৮ টি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি টিমে অংশ নিচ্ছেন ৪-৬জন খেলোয়াড়। এ চ্যাম্পিয়নশিপের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারস’ ইন্সটিটিউটের ইঞ্জিনিয়ারস’ রিক্রিয়েশন সেন্টারে।
‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্রিজ ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নাঈমুল হাসান, আহ্বায়ক মাওলা আল মামুন, ইস্পাহানি টি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জনাব ওমর হান্নান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্রিজ ফেডারেশন ও ইস্পাহানি গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। । অনুষ্ঠানের শুরুতে জনাব সৈয়দ মাহবুবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন ব্রিজ খেলাকে জনপ্রিয় করার জন্য আমরা জাতীয় ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করবো।
ভবিষ্যতে টুর্নামেন্টের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন। শেষে যুবসমাজের মধ্যে খেলা জনপ্রিয় করার জন্য কিছু সেমিনার আয়োজন করার কথা বলেন তিনি।
এরপর ইস্পাহানির পক্ষ থেকে জনাব ওমর হান্নান তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন ইস্পাহানি সবসময়ই খেলাধুলার উন্নয়নে অবদান রাখার চেষ্টা করে।
আরও পড়ুনতাই আবারও এ চ্যাম্পিয়নশিপের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে পেরে ইস্পাহানি গ্রুপের পক্ষ থেকে আয়োজকদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্রিজ অন্যতম জনপ্রিয় মাইন্ড গেমস হিসেবে সুপরিচিত। বিশ্ব ক্রীড়ায় অন্যতম মাইন্ড গেমস হিসেবে ব্রিজের সূচনা অতি প্রাচীন হলেও, সত্তর দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশে ব্রিজ খেলার যাত্রা শুরু হয়।
সম্ভাবনাময় এ খেলাটি বিভিন্ন সামাজিক ট্যাবু এবং যথাযথ প্রচারণার অভাবে এ দেশে তেমন প্রসার লাভ করেনি। সীমিত সুযোগ সুবিধার মধ্যেও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষনীয়। ক্রিকেটের পরে বাংলাদেশ তিন বার (ফ্রান্স-২০১৭ এবং চীন-২০১৯, ডেনমার্ক- ২০২৫) বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। এই টুর্নামেন্ট গুলি ব্রীজের বিশ্বকাপ হিসেবে পরিচিত।
ব্রিজ খেলায় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল বয়সী খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণের দ্বার উন্মুক্ত। কায়িক শ্রমের তেমন আবশ্যকতা না থাকায়, একজন ১৫(পনেরো) বছরের কিশোর থেকে শুরু করে ৯০(নব্বই) বছরের বৃদ্ধেরও এ খেলায় অংশগ্রহণের সমান সুযোগ রয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, এশিয়ার পরাশক্তি চীনসহ উন্নত বিশ্বে ব্রিজ একটি পেশাদার খেলা হিসেবে ইতোমধ্যে প্রসার লাভ করেছে।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে ব্রিজ খেলার জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য ইস্পাহানি সবসময়ই সচেষ্ট। ইতিপূর্বেও ইস্পাহানি ব্রিজ ফেডারেশনের অন্যান্য টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। এছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল, বাস্কেটবল, দাবা, স্কোয়াশ, গলফসহ অন্যান্য খেলায়ও ইস্পাহানি সবসময়ই পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে।
মন্তব্য করুন









