ভিডিও রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল

সান্তাহার-লালমনিরহাট ৩০ স্টেশনের ১০ টিতে নেই স্টেশন মাষ্টার 

সান্তাহার-লালমনিরহাট ৩০ স্টেশনের ১০ টিতে নেই স্টেশন মাষ্টার। ছবি : দৈনিক করতোয়া

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার সান্তাহার থেকে লালমনিরহাট মিটারগেজ রেললাইনের ৩০ স্টেশনের মধ্যে ১০ টিতে নেই স্টেশন মাস্টার। ফলে ওই সকল রেল স্টেশনে যাত্রীরা বিড়াম্বনার স্বীকার হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সান্তাহার থেকে লালমনিরহাট রেল স্টেশন পর্যন্ত মোট ৩০টি স্টেশন রয়েছে। এই সকল স্টেশনের মধ্যে ১০টি স্টেশনে নেই স্টেশন মাস্টার। ওই ১০টি স্টেশনের মধ্যে রয়েছে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া স্টেশন,, আলতাফনগর, ভেলুরপাড়া, ত্রিমোহনী, নলডাঙা, চৌধুরানী, পাটগ্রাম, ভোটমারি, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ স্টেশন, ভোমড়াদহ ও তালগা স্টেশন।

স্থানীয়রা জানান, যেসকল স্টেশনে স্টেশন মাস্টার নেই সেই সকল স্টেশনে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। অপরদিকে রেল বিভাগ বলছেন অন্য কথা। রেল বিভাগের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বলেন, কিছু কিছু স্টেশনে টিকিট বিক্রি হয়। অন্যগুলো জনবল না থাকায় টিকিট বিক্রি বন্ধ রয়েছে। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া স্টেশনে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ওই স্টেশনে স্টেশন মাস্টার সহ নেই কোন জনবল।

ফলে ওই স্টেশনের স্টেশন মাস্টারের অফিসটি দীর্ঘ সময় ধরে তালাবদ্ধ রয়েছে।  জনবল না থাকায় ওঠে না সিগন্যাল, বাজে না কোন ঘণ্টা। ট্রেন যেমনি আসে, তেমনি যায়। যাত্রীরা জানে কখন আসবে ট্রেন আর কখন ছেড়ে যাবে স্টেশনটি। এতে করে যাত্রীরা ট্রেন বিমুখ হচ্ছে।

আরও পড়ুন

স্থানীয়রা আরও জানান, দীর্ঘ সময়ে ওই স্টেশনে কোন জনবল না থাকায় প্রতি মাসে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। এ বিষয়ে এনামুল হক, রেজাউল করিম, হামিদুল ইসলাম, রাসেল মাহমুদ বলেন, এই এলাকার ৮০ ভাগ মানুষ সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত। তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ট্রেন যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নিয়ে যায়।

স্টেশন মাস্টার না থাকায় কৃষক তাদের উৎপাদিত কৃষি ফসল আলু, মরিচ বুকিং করতে না পারায় পানির দামে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। অপরদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব। এছাড়াও তারা আরও বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শত শত যাত্রী এই স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।

এ বিষয়ে রেল বিভাগের লালমনিরহাট সহকারি পরিবহন কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, জনবল না থাকায় ভেলুরপাড়া সহ ১০টি স্টেশনে নেই কোন স্টেশন মাস্টার। ফলে ওই সকল স্টেশনে দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখ্য, স্টেশন মাষ্টার না থাকায় ওই সকল স্টেশন ক্রস ডাউন হয়ে আছে। এতে করে যাত্রীরা সীমাহীন ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গানে গানে স্বপ্ন পূরণের পথে নিশি শ্রাবনী

আমরা চেয়েছিলাম স্বপ্নময় একটি জীবন: বিপাশা হায়াত

বগুড়ার মহাস্থান হাটে বিক্রি হচ্ছে রঙ্গিলা জাতের ফুলকপি

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ

বক্তব্যের মাঝে দাদীর স্মৃতিচারণ করলেন জাইমা রহমান

অভিনয়ে ফিরছেন সংগীতশিল্পী তাহসান