আসন্ন সংসদে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ অনুমোদনের দাবি চিকিৎসকদের
তামাকজনিত রোগে মৃত্যুর লাগাম টানতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে দ্রুত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন এবং ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব তামাকপণ্যে কার্যকর কর আরোপের দাবি জানিয়েছেন তরুণ চিকিৎসকরা। তাদের মতে, আইন ও করনীতির সমন্বিত প্রয়োগ ছাড়া তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
শনিবার রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। কর্মশালার শিরোনাম ছিল— ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ জোরদারে তরুণ চিকিৎসকদের সম্পৃক্ততা’। এতে স্বাগত বক্তব্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার আব্দুল আউয়াল রিজভী বলেন, তামাকের ক্ষতি শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। তিনি সংশোধিত অধ্যাদেশটি দ্রুত সংসদে অনুমোদনের আহ্বান জানান।
প্রধান আলোচক অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী জানান, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে দেশে প্রতিবছর এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ অকালে মারা যায়। টোব্যাকো এটলাসের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংশোধিত অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত হলেও এর সুফল পেতে দ্রুত আইনে রূপ দেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুনন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের মহাসচিব অধ্যাপক ফজিলা তুন-নেসা মালিক বলেন, তামাক হার্ট অ্যাটাকসহ প্রাণঘাতী হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ। কার্যকর কর আরোপ করলে তামাকপণ্যের দাম বাড়বে, তরুণদের মধ্যে ব্যবহার কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যখাতে সরকারের ব্যয় হ্রাস পাবে, পাশাপাশি রাজস্ব আয় বাড়বে।
কর্মশালা শেষে তরুণ চিকিৎসকরা বলেন, আসন্ন সংসদে অধ্যাদেশটি দ্রুত অনুমোদন ও সব তামাকপণ্যে কার্যকর কর আরোপ করা গেলে তামাকপণ্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে নেওয়া সম্ভব হবে। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন

নিউজ ডেস্ক





_medium_1765021059.jpg)


