ভিডিও রবিবার, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:১৩ দুপুর

আবারও কারওয়ান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

আবারও কারওয়ান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, ছবি: সংগৃহীত।

কয়েক দফা দাবি নিয়ে কারওয়ান বাজার মোড়ে আবারও জড়ো হয়েছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। এসময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৭টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে, ছোড়া হয় টিয়ার গ্যাস। এতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিট থেকে থেমে থেমে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র‌্যাব সদস্যরাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এর আগে, কারওয়ান বাজার মোড় অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের লাঠিপেটা করে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান, রায়টকার ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়।

জানা গেছে, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালুর প্রতিবাদ, বিটিআরসি ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মুক্তিসহ কয়েক দফা দাবিতে রোববার পরিবারসহ অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)। একইসঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশের সব মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণাও দেয় সংগঠনটি। ঘোষণা অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করে ‘অবস্থান কর্মসূচি’ শুরু করেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। তারা সড়কে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে বসুন্ধরা থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত যান চলাচল ব্যাহত হয়। 

আরও পড়ুন

পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ প্রথম দফায় লাঠিপেটা করে ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। এতে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন। এরপর দুপুর ১২টার দিকে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ আবার সড়কে এসে বসে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। পরে ফের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এসময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ব্যবসায়ীদের আশপাশের শপিংমলের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, দেশের মোবাইল ফোন বাজারে অবৈধ ও আনঅফিশিয়াল হ্যান্ডসেট ব্যবহারে কার্যকর লাগাম টানতে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর যুক্ত হচ্ছে জাতীয় ডাটাবেজে। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন ব্যবসায়ীরা।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আবারও কারওয়ান বাজারে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তি চাইল চীন

রংপুরের তারাগঞ্জে শৈত্যপ্রবাহে কাহিল জনজীবন

ভারতে নয়, বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায় বাংলাদেশ

ঘনিষ্ঠজনের বিশ্বাসঘাতকতায় কয়েক ঘন্টায় বন্দি হন মাদুরে

অব্যাহত থাকবে তীব্র শীতের অনুভূতি