ভিডিও বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৩ রাত

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ধানকাটা শেষে রসালো জমিতে আলু লাগানো শুরু

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ধানকাটা শেষে রসালো জমিতে আলু লাগানো শুরু। ছবি : দৈনিক করতোয়া

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) : দুপচাঁচিয়া উপজেলায় আমন ধান কাটা মারাই শেষ হতে না হতেই ঐ সব ফাঁকা জমির রসালো মাটিতে আলু লাগানো শুরু হয়েছে। বগুড়া তথা উত্তরাঞ্চলের শষ্য ভান্ডার খ্যাত দুপচাঁচিয়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে অনেক কৃষক আমন ধান চাষ নির্ধারিত সময়েই শেষ করেন। পুরোদমে ধান কাটা মারাই শুরু হতে এখনো প্রায় সপ্তাহের অধিক সময় বাঁকি।

এরই মাঝে অধিকাংশ কৃষক ধান কাটা মারাই শেষ করে ওইসব জমির মাটিতে আলু লাগানো শুরুও করেছে। ধান কাটার ২ থেকে ৩ দিন পরই আলুর জন্য জমি প্রস্তুত করে সেখানে আলু লাগাচ্ছে। এলাকায় সাধারণত সোনামুখী, লালপাকড়ি, বটপাকড়ি, ফাটা পাকড়ি, রমনা গ্যানেলা ও হাইব্রিট জাতের আলু উৎপাদিত হয়।

এ ব্যাপারে আজ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপচাঁচিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুহাম্মদ সাইফুল আবেদীন জানান, এবার আবহাওয়া আলু চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এছাড়াও এ উপজেলায় সারের কিছুটা সংকট থাকলেও বীজের তেমন কোন সংকট নাই। সারের সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ৩০ নভেম্বরের মধ্যে উপজেলার সরকারি অনুমোদিত বিসিআইসি ও বিএডিসির ৩৩ জন ডিলারদের মাঝে সারের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মাঝেই অনেক ডিলার সার উত্তোলন করেছেন।

আরও পড়ুন

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সকল ডিলার সার উত্তোলন করলে এই সংকট  আর থাকবেনা। এবার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ২টি পৌরসভাসহ ৬ টি ইউনিয়নে মোট ৫ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার জিয়ানগর, চামরুল, গুনাহার, গোবিন্দপুর, তালোড়া ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে এইসব ইউনিয়নের কৃষকরা তাদের ফাঁকা জমিতে আলু লাগানো শুরু করেছে।

এরই মাঝে প্রায় ৮শ’ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের আশুঞ্জা-বানিয়াদীঘি গ্রামের কৃষক ওসমান গনি জানান, চামরুল ইউনিয়নের মোস্তফাপুর দক্ষিণ পাড়ার আব্দুল মজিদ, খোলাশ গ্রামের রফিকুল ইসলাম,আটগ্রাম দিঘীর পাড়ার মোয়াজ্জেম হোসেন, জিয়ানগর ইউনিয়নের হেড়ুঞ্জ পশ্চিমপাড়া আবু তাহের তালুকদার, বিপ্লব তালুকদার, তোজাম্মেল তালুকদারসহ অনেকেই জানান, বর্তমানে সারের সংকট রয়েছে। সবাই আলু চাষে বেশি আগ্রহী হওয়ায় সারের চাহিদা বেড়ে গেছে। কৃষকদের ধারনা এবার আলুর ফলন অনেক বৃদ্ধি পাবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্কুলে ভর্তির নীতিমালা সংশোধন, বয়সসীমা শিথিল

নাতনিকে বিয়ে না করার পরামর্শ দিলেন জয়া বচ্চন

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখে যা জানালেন কনকচাঁপা

সীমান্তে হত্যার প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

পাকিস্তানের কাছে ১৩ রানে হারল বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ভারতের জার্সি উন্মোচন