ভিডিও রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৫ রাত

আমন ধান কাটতেই বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরিষা চাষের ব্যস্ততা

আমন ধান কাটতেই বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরিষা চাষের ব্যস্ততা। ছবি : দৈনিক করতোয়া

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার নন্দীগ্রামে রোপাআমন ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠজুড়ে শুরু হয়েছে সরিষা বপণের তোড়জোড়। এ উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে সরিষা চাষ বেড়েছে। কম খরচে বেশি লাভ এবং সরকারি প্রণোদনা সব মিলিয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষের আগ্রহ বেড়েছে।

আমন ধান কাটা শেষ না হতেই উপজেলাজুড়ে শুরু হয়েছে সরিষা চাষের ব্যস্ততা। ক্ষেতের এক পাশে দুলছে আমন ধানের শিষ, অন্য পাশে চলছে জমি প্রস্তুত ও বীজ বপণের কাজ। কৃষকরা জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন হবে ইনশাঅল্লাহ। আমন ধান কাটার পরই জমিতে হালচাষ ও মই দিয়ে, বীজ ছিটিয়ে সরিষা বপণ করছেন কৃষকরা।

তাদের মতে, সরিষা একটি বোনাস ফসল, খরচ ও ঝামেলা কম, কিন্তু লাভ বেশি। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, এ বছর নন্দীগ্রামে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন। সরকারি প্রণোদনা হিসেবে ৬ হাজার ৩৮০ জন কৃষককে ১ কেজি সরিষা বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা একদিকে আমন ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত, অন্যদিকে সরিষা বপণের তৎপরতা। শীতের মধ্যে ভালো ফলন এবং পরে বোরো চাষে জন্য জমি প্রস্তুত রাখতেই আগাম জাতের সরিষা চাষে কৃষকদের ঝোঁক বেড়েছে।

ভাটরা ইউনিয়নের বৃকঞ্চি গ্রামের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, এবার আমনের ভালো ফলন হয়েছে। ধান কাটার পর জমি ফাঁকা রাখিনি। আমি আমার তিন বিঘা জামিতে সরিষা বপণ করেছি আশা রাখছি আবহাওয়া ভালো থাকলে ফসলও ভালো হবে।

নন্দীগ্রাম সদর ইউনিয়নের দলগাছা গ্রামের আদর্শ কৃষক আলহাজ মোখলেছার রহমান বলেন, এবার পাঁচ বিঘা জমিতে আগাম জাতের সরিষা বপণ করেছি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে সরিষার ফলন ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গাজীউল হক বলেন, সরিষা চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা কৃষকদের পাশে থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছি। যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে কৃষকদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তাই সরিষার ফলন ভালো হবে বলে আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সরিষা বপণ শুরু হয়েছে এবং আগামী মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে সব শেষ হবে। এছাড়াও উপজেলায় ৬ হাজার ৩৮০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণের ফলে এই চাষাবাদ আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমন ধান কাটতেই বগুড়ার নন্দীগ্রামে সরিষা চাষের ব্যস্ততা

খালেদা জিয়ার জন্য হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির ফুল প্রেরণ, নিয়মিত নিচ্ছেন খোঁজ

লালমনিরহাটে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় প্রেমিক-প্রেমিকার যাবজ্জীবন

এসপি নিয়োগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার প্রতি অনাস্থা জানিয়ে নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

দিনাজপুরে গর্ভবতী গাভী জবাই, উদ্ধারকৃত মাংস ধ্বংস

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম