ভিডিও বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৩:২১ দুপুর

প্রাথমিকে ১০২১৯ শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন শুরু ৮ নভেম্বর

প্রাথমিকে ১০২১৯ শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন শুরু ৮ নভেম্বর। প্রতীকী ছবি

অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বড় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এটি ১৩তম গ্রেডের পদ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় পত্রিকায় এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

প্রথম ধাপে দেশের ছয়টি বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ১০ হাজার ২১৯টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিভাগগুলো হলো— রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সন্ধ্যায় তিনি বলেন, ‘নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) পাওয়া যাবে। আজকে আমরা সব প্রস্তুত করে পত্রিকা অফিসে পাঠিয়েছি। আগামীকাল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিজ্ঞপ্তিটি পাওয়া যাবে।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো শিক্ষক সংকটে ধুঁকছে। প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য। আবার প্রায় ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলে সহকারী শিক্ষকের আরও ৩২ হাজার পদ শূন্য হবে।

তবে নানা জটিলতায় শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছিল না। নারী, মুক্তিযোদ্ধাসহ ৬০ শতাংশ কোটা পদ্ধতি ছেঁটে ফেলতে আগের বিধিমালাটি বাতিল করা হয়। এরপর গত ২৮ আগস্ট ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রকাশ করা হয়।

আরও পড়ুন

নতুন এ বিধিমালায় সংগীত শিক্ষক পদসৃষ্টি করা হয়। এ নিয়ে বিধিমালা প্রকাশের পরই বিতর্ক শুরু হয়। ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন দল, ধর্মীয় সংগঠনসহ বিভিন্ন পক্ষ তীব্র বিরোধিতা শুরু করে। এতে বাধ্য হয়ে বিধিমালাটি সংশোধন করা হয়। সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা পদ বাতিল করে গত ২ নভেম্বর সংশোধিত বিধিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সব বাধা কেটে যায়।

নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে চারটি বিষয়ে। সেগুলো হলো- বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও অন্তর্জাতিক বিষয়াবলি)। এ চারটি বিষয়ে মোট ৯০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

এদিকে, ৯০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর (মোট নম্বরের ৫০ শতাংশ) হবে ৪৫ নম্বর। আর মৌখিক পরীক্ষায় পাস নম্বর (১০ এর মধ্যে ৫০ শতাংশ হিসাবে) হবে ৫ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় ৯০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারিত নয়।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সৌদি আরব দিয়ে বিদেশ সফর শুরু করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনসিপি

লক্ষ্মীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৯ দোকান পুড়ে ছাই

মাদুরোর মুক্তি চেয়ে জাতিসংঘে আবেদন করলো ভেনেজুয়েলা

সিআইসির মহাপরিচালকের দায়িত্বে আবদুর রকিব

পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড