ভিডিও বুধবার, ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২

প্রকাশ : ০৩ মার্চ, ২০২৫, ০৯:৪৯ রাত

ট্রাম্পের ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের অ‌ভিযোগ সত্য নয়

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবেশ শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের ২৯.৯ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রকল্প নিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করা অভিযোগ সত্য নয় বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২৯ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। 

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকল্পটি নিয়ে কিছু তথ্য দেন, যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসন্ধান করেছে।

আজ সোমবার (৩ মার্চ) মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইউএসএআইডি যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালকে (ডিআই) নির্বাচিত করে। প্রকল্প প্রস্তাবনা আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং একটি স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণের মধ্য দিয়ে ইউএসএআইডি সিদ্ধান্তটি নেয়। 

২০১৭ সালের মার্চে চুক্তি সইয়ের পর ডিআই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। পরে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয় এবং এর অর্থ আসে ধাপে ধাপে।

শুরুতে এসপিএল প্রকল্পটি ছিল পাঁচ বছর মেয়াদি এবং বাজেট ছিল ১৪ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনায় ছিল ইউএসএআইডি এবং অর্থায়নে ছিলো ইউএসএআইডি ও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান এফসিডিও। এই প্রকল্পে ডিএফআইডির অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ছিলো ১০ মিলিয়ন ডলারের।

আরও পড়ুন

‘স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক ওই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল— রাজনৈতিক সহিংসতা কমিয়ে শান্তি ও সম্প্রীতি বাড়ানো, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি, দলগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার উন্নয়ন এবং প্রতিনিধিত্বমূলক নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহ দেওয়া। প্রকল্পের অধীনে ডিআই বাংলাদেশে জরিপ কার্যক্রমও পরিচালনা করে।

ইউএসএআইডির প্রকল্পের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করাটা বাধ্যতামূলক। এতে আর্থিক নিরীক্ষার প্রক্রিয়াটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। প্রকল্প শেষ হয়ে যাওয়ার কয়েক বছর পরও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজনে পুনর্নিরীক্ষা করা হয়।

অনুসন্ধান থেকে দেখা যায় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে এসপিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। তাই এটি বাংলাদেশের দুজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে দেওয়ার অভিযোগটি সত্য নয়।

বস্তুত এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তির (ডেভেলপমেন্ট অবজেকটিভ অ্যাসিস্টেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট) মাধ্যমে। এক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষের কোনো কিছু করার ক্ষমতা থাকে না।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিসিবিকে আইসিসি: ভারতে খেলতেই হবে, নাহলে পয়েন্ট হারাতে হবে!

ভারতে খেলতে অনিচ্ছা: বিসিবির সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি

প্রথম ধাপের ভোটে ১০২ আসনের মধ্যে ৮৯টিতে জয় পেলো সেনা সমর্থিত দল

মুস্তাফিজকে স্বাগত জানাল পিএসএল

ব্যাংকের সব শাখায় নারীবান্ধব ওয়াশরুম নির্মাণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখতে ঢাকায় আসছেন ইইউর প্রধান পর্যবেক্ষক