ভিডিও সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর, ২০২৪, ০৯:২০ সকাল

মমতার চক্ষুশূলে শ্রীলেখা!

মমতার চক্ষুশূলে শ্রীলেখা!, ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক : কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় রাজপথে নেমেছিলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এতে মমতা সরকারের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয়ে বিপত্তিতে পড়েছেন অনেকেই। সে তালিকায় রয়েছেন শ্রীলেখাও।

এবার বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, প্রায়ই সিনেমা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এমনকি রিয়েলিটি শো থেকেও বাদ পড়ে যাচ্ছি। বিজ্ঞাপনী সিনেমার জন্য নির্বাচিত হয়েও শেষে আর কাজ হলো না। অভিযোগের তালিকা অনেক লম্বা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু জানিয়েছি। অনেক কিছুই আবার জানাইনি। কারণ জানিয়ে লাভ নেই, তাই। তবুও সরব আমি। শ্রীলেখা বলেন, আরজি কর-কাণ্ড নিয়ে অনেকের অনেক বক্তব্য। প্রায়ই কেউ কিছু না কিছু বলছেন। আমি একটু বেশিই জোরালো প্রতিবাদ করেছি। অবশেষে তার ফলাফল পেলাম। দুইটা বিজ্ঞাপনের কাজ হাতছাড়া হয়ে গেল। ক্লায়েন্ট যোগাযোগ করেছিলেন এজেন্সির সঙ্গে। এজেন্সির প্রতিনিধি আমাকে পছন্দ করেন। চেয়েছিলেন, কাজটা আমিই করি। কিন্তু তারও তো কোথাও বাধা রয়েছে।

আরও পড়ুন

আমাকে বললেন, দিদি, আরজি কর-কাণ্ডে তোমার বক্তব্য সরকারের বিরুদ্ধে গেছে। তুমি তাদের বিরোধিতা করায় তোমাকে দিয়ে কাজ না করানোর নির্দেশ এসেছে। দুটো কাজ থেকেই ভালো অঙ্কের পারিশ্রমিক পেতাম আমি। আক্ষেপের সুরে অভিনেত্রী বলেন, আমি আর এ ধরনের ঘটনায় বিচলিত হই না। কখনোই মধু মাখিয়ে কথা বলতে পারি না। বাকিরা যতটা না মনের গভীর থেকে মৃত চিকিৎসকের জন্য ন্যায়বিচার চেয়েছেন, আমার চাওয়া আরও গভীরে ছিল। তিনি আরও বলেন, আমার বক্তব্য ছিল পুলিশ, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। বাংলায় এই দুই পদেই মুখ্যমন্ত্রী আসীন। তাহলে কাকে বলব? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই মুখ খুলতে হবে। সেটাই করেছি আমি।

ভয় না পাওয়ার আরও একটা কারণ, আমার মাথার উপরে কোনো দায় নেই। ঋণের বোঝা নেই। প্রচুর চাহিদা নেই। দামি গাড়ি-বাড়ি, দামি পোশাকের বিলাসিতা নেই। ফলে, প্রচুর অর্থের প্রয়োজনও নেই। শ্রীলেখার ভাষ্য, যতটা সম্ভব সৎ থেকে কাজ করা যায় ততটাই সৎ আমি। একমাত্র দেওয়ালে পিঠ ঠেকে না গেলে মিথ্যা কথা বলি না। বললেও এমন মিথ্যে বলি না যা অপরের ক্ষতি করবে। বরাবর নিজের কাজ নিজেই জোগাড় করেছি। কোনো দিন তথাকথিত ‘সুগার ড্যাডি’ছিল না। জীবনে ভালোবাসার মানুষজনেরও বড়ই অভাব। সব মিলিয়ে নিজেই নিজের হর্তা-কর্তা-বিধাতা। ফলে, যাই ঘটুক ঠিক চালিয়ে নেব। সূত্র: আনন্দবাজর পত্রিকা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুড়িগ্রামে ল্যাম্পপোস্টের খুঁটি বসাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ২ জনের মৃত্যু

সকলের সহযোগিতা নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করতে চাই : রেজওয়ানুল হক এমপি

রংপুরে নকল পণ্য উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

বগুড়ার শেরপুরে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

চিকিৎসকদের সম্মানে এনডিএফ বগুড়ার ইফতার মাহফিল

বগুড়ার গাবতলী ও শাজাহানপুরবাসীর উন্নয়ন বঞ্চনার অবসান ঘটবে-এমপি মোরশেদ মিলটন