ভিডিও শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রকাশ : ০৯ জুন, ২০২৬ ০৬:৩৬ এএম

তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ছবি, সংগৃহীত, তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান (তনু) হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৮ বিকেলে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (১) আদালতের বিচারক মুমিনুল হক এ আদেশ দেন।

কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ জানান, যাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি হয়েছে তারা হলেন তৎকালীন কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ওরফে জাহিদ এবং সৈনিক শাহীন আলম।

মামলার নথি অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের সময় জাহিদ কুমিল্লা সেনানিবাসের ১২ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার গড়ঘাটা এলাকায়। শুরু থেকেই তনুর পরিবারের অভিযোগ, নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্বে ছিলেন জাহিদ। বর্তমানে তার বয়স ৪৮ বছর। তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন বা অবসরে পাঠানো হয়েছেন।

অপর আসামি শাহীন আলম হত্যার সময় ২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। সূত্র জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তার বয়স ৩৭ বছর এবং তিনিও অবসর নিয়েছেন বা অবসরে পাঠানো হয়েছেন।

আরও পড়ুন

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম আদালতে আবেদন করে সন্দেহভাজন এই দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ চান। একই আবেদনে তিনি তনু হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত কোনো তদন্ত-তথ্য সেনাবাহিনীর কাছে থাকলে তা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সরবরাহের অনুরোধ করেন। সোমবার মামলার ধার্য তারিখে আদালত এ আদেশ দেন।

তবে তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ মামলাটির ধার্য তারিখ ছিল। আমরা কুমিল্লায় যাইনি। আদালত কী নির্দেশ দিয়েছেন, সেটি এখনো জানতে পারিনি। আদেশের কপি হাতে পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।’

এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে সোমবার সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন না হওয়ায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বর্তমানে তার বয়স ৫২ বছর। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন বা অবসরে পাঠানো হন। গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের সময় তিনিও কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আরএফএল গ্রুপে ম্যানেজার নিয়োগ, ৪ জেলায় কাজের সুযোগ

বিয়েতে খাসির বদলে মুরগি, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃদ্ধা আয়েশা হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে সময় লাগবে: হুইপ জি কে গউছ

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

পাহাড় ধস: প্রকৃতির সতর্কবার্তা, আমরা কতটা প্রস্তুত