সহিংসতার ঘটনায় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

রাজধানীর কাকরাইল এলাকায় শুক্রবার রাতে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাকরাইল এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ ক্রমশ বেড়ে গেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় পুলিশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চায়।
সেনাবাহিনী জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথম থেকেই উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণভাবে স্থান ত্যাগ করার আহ্বান জানায়। কিন্তু কিছু নেতাকর্মী এই আহ্বান উপেক্ষা করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এবং এক পর্যায়ে মশাল মিছিল, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে।
আরও পড়ুনবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই সহিংসতার ফলে বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হন বলে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার যেকোনো ধরণের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। সেনাবাহিনী এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং যে কোনো মূল্যে জননিরাপত্তা রক্ষায় তারা বদ্ধপরিকর।
মন্তব্য করুন