শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যার ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট
সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট দাখিল হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি জাকির হোসেনসহ তার দুই ভাইকেও অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মন্নান।
শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শিশু ফাহিমাকে ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ফাহিমার লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে তার দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মন্নান আদালতে চার্জশিটটি দাখিল করেন।
নিহত শিশু ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। গত ৮ মে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার দুদিন আগে সে নিখোঁজ হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে ফাহিমা প্রতিবেশী চাচা জাকিরের ঘরে গেলে সে তাকে ২০ টাকা দিয়ে দোকানে সিগারেট আনতে পাঠায়। সিগারেট নিয়ে ফেরার পর ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণ করে জাকির। ফাহিমা অজ্ঞান হয়ে পড়লে ভয় পেয়ে তাকে গলা টিপে হত্যা করে। হত্যার পর ধরা পড়ার ভয়ে দু’দিন নিজের ঘরের খাটের নিচে একটি সুটকেসে ফাহিমার নিথর দেহ লুকিয়ে রাখে জাকির। পরে মরদেহ থেকে গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে রাতের আঁধারে সেটি বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে আসে সে।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/172344