কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ভেজাল সার ও কীটনাশক নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধান চাষ শুরু করেছেন প্রান্তিক ও চরাঞ্চলের কৃষকরা। এদিকে ভেজাল ও নকল সার এবং কীটনাশক ঠেকাতে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা ও প্রশাসনের সহায়তায় নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ পরিচালনা করছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলার কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে ধান চাষ করতে ইউরিয়া, পটাশ ও ডিএপি সারের খুব প্রয়োজন। কিন্তু বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির সার দেখে আসল নকল নির্ণয় করা কষ্টকর। এতে ধানের ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৪৮৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে হাইব্রিড ৯ হাজার ২৫ হেক্টর, উফশি ৭ হাজার ৪৫৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৫ হেক্টর। অপরদিকে, উপজেলায় বিসিআইসি ডিলার আছেন ১০ জন।
খুচরা সার ও কীটনাশক বিক্রেতা রয়েছেন প্রায় ৪শ’ জন এবং বিএডিসি সার ডিলার রয়েছেন ৭ জন। এসকল বিক্রেতাদের কেউ কেউ বৈধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধভাবে নকল-ভেজাল সার এবং নিম্নমানের কীটনাশক বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার জানান, ভেজাল ও নকল সার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এসকল বিক্রেতাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও ভেজাল সার নষ্ট করা হয়েছে।
চলতি মৌসুমেও নিয়মিত নজরদারি চলছে। তিনি জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকি ও দোকান মনিটরিং করছেন। কাজেই কৃষকদের ভয় পাবার কিছু নেই। সন্দেহ হলে কৃষকদের অফিসে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান।
পোস্ট লিংক : https://www.dailykaratoa.com/article/155163