রাস্তার পাশেই চার্জিং স্টেশন

প্রকাশিত: জানুয়ারী ২৬, ২০২২, ০৫:০৬ বিকাল
আপডেট: জানুয়ারী ২৬, ২০২২, ০৫:০৬ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক: যে হারে পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম বাড়ছে, পকেট রীতিমতো হালকা হয়ে যাবার জোগাড়। তেলের দাম বাড়ার মধ্যে অনেকেই থাকতে চাইছেন না। যাদের গাড়ি কেনার ইচ্ছা হচ্ছে, বেশিরভাগ মানুষ বেছে নিচ্ছেন ইলেকট্রিক গাড়ি। বর্তমান বাজারে ফাটাফাটি সব দুই, তিন এবং চার চাকার ইলেকট্রিক গাড়ি চলে এসেছে। এই গাড়িগুলো দামে কম, উপরন্তু পকেট বাঁচাবে। সামান্য চার্জেই দৌড়াবে বেশ অনেকটা রাস্তা। 
তবে মাঝ রাস্তায় যদি চার্জ শেষ হয়ে যায় তাহলে কী হবে? এই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল রাজধানীতে। দিল্লি সরকার এবং টাটা পাওয়ারের সম্মিলিত সংস্থা টাটা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড তৈরি করে ফেলল ১৪০০ এর বেশি চার্জিং পয়েন্ট। এই পয়েন্টগুলো থেকে অনায়াসে দুই, তিন কিংবা চার চাকার ইলেকট্রিক গাড়িগুলোতে চার্জ করা যাবে। 
এমনি থেকেই ২০২০ সালে ভারিতের দিল্লি সরকার নিয়ে এসেছিল নতুন ইভি পলিসি। এই পলিসির ভিত্তিতে সেখানকার বাসিন্দারা বৈদ্যুতিক যান ব্যবহারের ক্ষেত্রে পেয়ে যাবেন বিশেষ ছাড় বা ভর্তুকি। স্বাভাবিকভাবেই চলতি বছরের শেষের দিকে যে পরিমাণ গাড়ি বিক্রি হয়েছে, তার মধ্যে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রায় ৯%। 
সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার সাথে হাত মিলিয়ে চার্জিং স্টেশন তৈরি করার ক্ষেত্রে কাজ করছে টিপিডিডিল। মূলত এই সংস্থা নিজেদের জমি চার্জিং স্টেশনের জন্য ভাড়া দিতে একেবারে তৈরি। এই চার্জিং স্টেশন থেকে দুই, তিন কিংবা চার চাকার ইলেকট্রিক গাড়ি গুলি অনায়াসে চার্জ দেওয়া যাবে। 
এছাড়াও সংস্থাটির তৎপর হয়েছে ওপেক্স(ঙচঊঢ)মডেল নিয়ে। এই মডেল অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যদি চার্জিং পয়েন্টের জন্য তার ব্যক্তিগত জমি ভাড়া দিতে চান, তাহলে তা দিতে পারবেন। অপরদিকে জমির মালিক পেয়ে যাবেন বিদ্যুতের বিল এবং সমপরিমাণ টাকা। স্বাভাবিকভাবেই দেশে একের পর এক বৃদ্ধি পাবে চার্জিং স্টেশন। 

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়