অ্যাপলকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় শাওমি

Online Desk Saju Online Desk Saju
প্রকাশিত: ০৮:১১ পিএম, ১৭ জুলাই ২০২১


চীনের টেক জায়ান্ট শাওমি করপোরেশন বিশ্বের দ্বিতীয় স্মার্টফোন উৎপাদনকারীর অবস্থানে উঠে এসেছে। এযাত্রায় তারা মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপলকে পেছনে ফেলেছে। শাওমির চেয়ে বেশি স্মার্ট ফোন বাজারজাত করছে স্যামসাং।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরটি। যেখানে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে শাওমি স্মার্টফোনের বৈশ্বিক বাজারের ১৭ শতাংশ সরবারহ করছে, স্যমাসাং করছে ১৯ শতাংশ এবং অ্যাপলের দখলে আছে ১৪ শতাংশ বাজার।

গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক বেন স্ট্যানটন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, শাওমি আন্তর্জাতিক বাজারে খুব দ্রুত ব্যবসা বাড়াচ্ছে। তিনি তুলে ধরেছেন, শাওমি গতবছরের একই সময়ের তুলনায় ল্যাটিন আমেরিকায় ৩০০ শতাংশ এবং পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোতে ৫০ শতাংশ বেশি বিক্রি করেছে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই শুক্রবার শেয়ারবাজারে চীনা প্রতিষ্ঠান শাওমির শেয়ারের দর বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ। সাম্প্রতিককালে ৮৩ শতাংশ বিক্রি বৃদ্ধির মাধ্যমে। যেখানে স্যামসাং এর বিক্রি বেড়েছে ১৫ শতাংশ আর অ্যাপল ফোনের বিক্রি বেড়েছে মাত্র ১ শতাংশ। এটাই শাওমিকে স্মার্টফোনের বাজারে দ্বিতীয় স্থান দখলে নিয়ে গেছে।
রোবটিক ক্লিনার থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক চা এর পাত্রের মতো ছোট খাট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শাওমির প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের বাজারে দ্রুত উন্নতিতে দুটি বিশেষ স্মার্ট ফোন মডেল কাজ করেছে। যেগুলো চলতি বছরই তারা বাজারজাত শুরু করেছে। যার একটি হলো এমআই-১১ আল্ট্রা, এখন পর্যন্ত বাজারে আসা বড় ক্যামেরা সেন্সরগুলোর একটি  আছে এই স্মার্টফোনে। যা বাজারের অন্য ফোন থেকে শাওমির এ মডেলকে এগিয়ে রেখেছে ক্রেতাদের কাছে। পাশাপাশি দামের বিষয়তো আছেই। সমমানের বৈশিষ্ট্যের স্মার্টফোনের মধ্যে অ্যাপল ও স্যামসাং এর চেয়ে অনেক কম দামে মিলে শাওমির স্মার্টফোন।
বাজার গবেষণার তথ্য বলছে শাওমির ফোন অ্যাপলের চেয়ে ৭৫ শতাংশ এবং স্যামসাং এর চেয়ে ৪০ শতাংশ কমদামে পাওয়া যায়। এ কারণে শাওমি চলতি বছর তাদের তুলনামূলক দামি স্মার্টফোন এবং অন্যান্য পণ্য বিক্রি আরো বাড়াতে তৎপর হয়েছে। তবে, গবেষণা বলছে তাদের বাজার দখলের এ লড়াই খুব সহজও হবে না।  
এদিকে, শাওমি স্মার্ট ফোনের বাইরেও অন্য পণ্যের বাজার পরীক্ষা নীরিক্ষা করছে। বছরের প্রথম দিকে তারা ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারজাত শুরুর ঘোষণা দেয়। আগামি দশ বছরে শাওমি ১ হাজার কোটি ডলার নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনাও জানিয়েছে এরই মধ্যে।