শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের মন কাড়ছে সাদা কাশফুল

Online Desk Online Desk
প্রকাশিত: ০৫:১৬ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

সিলেট প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহর থেকে এক কিলোমিটার দূরে লাউয়াছড়া সড়ক। এখানে বিটিআরআই চা বাগানের ভেতর ফুটেছে সাদা কাশফুল। চোখ জুড়ানো এই অপরূপ সৌন্দর্য মন কাড়ছে পর্যটকদের। উঁচু-নিচু টিলার মধ্যে চা বাগান। যেন সবুজে ছেয়ে গেছে চারদিক। চা বাগানের ভেতর দিয়ে বয়ে চলেছে পাহাড়ি ছড়া। এর দু’পাশে বালুচরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জেগেছে কাশবন। অপরূপ সাদা কাশফুলের বাতাসে দোল খাওয়ার দৃশ্য বড়ই মনোরম। প্রতিদিন কাশবনে বেড়াতে আসেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রকৃতি প্রেমী। একদিকে চা বাগান, অন্যদিকে কাশফুল এবং ছড়ার জল ছুঁয়ে আসা মন জুড়িয়ে দেওয়া হাওয়া।

জয়পুরহাট এলাকার বাসিন্দা ইয়ামিন হোসেন বলেন, অধিকাংশ পর্যটন গন্তব্য বন্ধ। কী করবো কিছু খুঁজে পাচ্ছিলাম না, হঠাৎ গাড়িতে বসে চোখে পড়লো কাশবনে। গাড়ি থেকে নেমে বেশ কিছুক্ষণ উপভোগ করলাম। মনটা ভরে গেছে। খুবই ভালো লাগলো। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঘুরে দেখা যায়, মূল ফটকে তালা। তবুও মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসে অনেক পর্যটক আসেন। উদ্যানে ঢুকতে না পেরে চা বাগানের ভেতরে কাশবনে ঘোরাঘুরি করে ছবি তুলেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনায় লাউয়াছড়া উদ্যান ছাড়াও মাধবপুর লেক, মাধবকুন্ড, হাকালুকি ও বাইক্কাবিল হাইল হাওর ইত্যাদি পর্যটন গন্তব্যে প্রবেশ নিষেধ রয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম হোসেন বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় উদ্যানে পর্যটকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সবকিছু স্বাভাবিক হলে এবং সরকারি নির্দেশনা পেলে ফটক খুলে দেওয়া হবে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সীমিত আকারে হোটেল ও রিসোর্ট মৌখিকভাবে পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে। মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান জানান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত ও চা বাগানের আওতাধীন মাধবপুর লেক বন্ধ রয়েছে। সরকারি নির্দেশনা পেলেই এগুলো খুলে দেওয়া হবে।


আরও পড়ুন