বিদেশের স্বপ্ন, সামান্য প্রত্যাশা অথচ সারাজীবনের কান্না!

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৬:৪৬ পিএম, ৩০ জুন ২০২০

নার্গিস জামান: ছোটবেলা পড়েছিলাম, “লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু” তখন বেশি বুঝতাম না। এখন বুঝতে পারি, অন্যায্য প্রত্যাশাই লোভ! যোগ্যতাহীন অতি চাওয়া ভয়াবহ রোগ! এর পরিণতি সর্বদাই কুফল ডেকে আনে। সম্প্রতি লিবিয়ায় অপহরণ এবং ২৬ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু তারই উদাহরণ। ভ্রমণকারী এবং অতিলোভী অপহরণকারী উভয়ের জন্যই তা মারাত্মক পরিণাম ডেকে এনেছে। তারা মৃত্যুবরণ করলো আর অপহরণকারীরাও ধরা পড়েছে। অপহরণকারীদের জন্য আইনে কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে, যদি তা কার্যকর করা যায় আর কি! গত ২৮/৫/২০ লিবিয়ায় অপহরণকারীদের গুলিতে অভিবাসন প্রত্যাশি ২৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। তারা লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার জন্য দালালের মাধ্যমে বিদেশে পাড়ি জমান। লিবিয়া গিয়ে বেনগাজী থেকে ত্রিপলি যাওয়ার পথে কিছুদিন এক জায়গায় তাদের রেখেছিল দালালরা, এরই মধ্যে করোনার কারণে সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মিজদার কাছে এক জায়গায় চারমাস প্রায়, থাকতে হয় তাদের। এসময় বন্দীদশা এবং কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছুতে না পারায় এমনিতেই সবার মনে অস্থিরতা বিরাজ করছিল। এরই মধ্যে দালাল ঝামেলামুক্ত হতে ওদের আরেক দালালের কাছে বিক্রি করে দেয়। শুরু হয় তাদের দাসত্বের জীবন। তাদের উপরে চলে অকথ্য নির্যাতন ও মারধোর। অতঃপর লিবিয়া প্রবাসী অপহরণ চক্রের মূল হোতা সোহেল এর ছোট ভাই বাংলাদেশের সজল এবং নগদ এর এজেন্ট ইদ্রিস আলীর মাধ্যমে মারধোরের ভিডিও অপহৃতদের আত্মীয় স্বজনকে পাঠিয়ে বিরাট অঙ্কের আরও টাকা দাবী করা হয়। অপহরণ চক্রের এই দুই সদস্যকে সিরাজগঞ্জ র‌্যাব-১২ এর সদস্যরা নির্যাতনের ভিডিও এবং প্রদেয় মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে সজল এবং ইদ্রিস আলীকে আটক করে।

ওদিকে ইতিমধ্যে অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বীর বাঙাল অপহরণকারীদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের আহত করলে পরবর্তীতে অপহরণকারীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে তাদের নিষ্ঠুর গণহত্যা চালায়। ফলে তাৎক্ষণিক ২৬ জন নিহত হন। লিবিয়ার অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশি দালালরাও জড়িত। অপহরণ লিবিয়ায়, অথচ মুক্তিপণ বাংলাদেশে। কথায় বলে ঘরের শত্রু বিভীষণ! দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে বিদেশে গিয়ে অনেকেই প্রতারণার শিকার হন প্রায়শই। মনে রাখতে হবে, বৈধতা না থাকায় কোন বিপদে পড়লে প্রবাস প্রত্যাশিরা সরকারের কিংবা ওই দেশের আইনের সহায়তা নিতে পারেন না, ফলে তাদের উপরে যে কোন রকম অত্যাচার বা চাপ সৃষ্টির সুযোগ থাকে, এমনকি তা জীবন নাশেরও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। মানব পাচার কীঃ আন্তর্জাতিক কনভেনশন মতে মানব পাচার হচ্ছে, মানুষের অধিকারের লঙ্ঘন। মানব পাচার ও দমন আইন ২০১২ এর ধারা ৩ অনুযায়ী মানব পাচার বলতে বোঝায়, কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে যৌন শোষণ, নিপীড়ন বা শ্রম শোষণ বা অন্য কোন শোষণ বা নিপীড়নের উদ্দেশ্যে বিক্রয়, ক্রয়, সংগ্রহ বা গ্রহণ, নির্বাসন বা স্থানান্তর, চালান বা আটক করা বা লুিুকয়ে রাখা বা আশ্রয় দেওয়া। নিম্নোক্ত মাধ্যমগুলো অনুসৃত হলেই তা মানব পাচার বলে গণ্য হবে। ১) কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা বল প্রয়োগ করে.. ২) কাউকে প্রতারণা করে বা কাউকে আর্থসামাজিক বা পরিবেশগত বা অন্য কোন অসহায়ত্বকে কাজে লাগিয়ে.. ৩) কাউকে অর্থ বা অন্য কোন সুবিধা লেনদেন দ্বারা তার উপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এমন ব্যক্তির সম্মতি গ্রহণ করে। এসব কর্ম সম্পাদন পূর্বক যদি কাউকে চাকুরি দেয়া বা বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য কেউ তোড়জোড় করে, তাহলেই বুঝতে হবে এটি বৈধ অভিবাসন নয়, বরং এটি মানব পাচার। আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠন (আইএলও) এর মতেঃ শুধুমাত্র বল প্রয়োগ পূর্বক শ্রম দ্বারাই ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রতি বছরে ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লাভ করা হয়েছে। ২০১২ সালে (আইএলও) অনুমান করেছে যে, প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ মানুষ বর্তমান যুগে দাসত্বের শিকার।

তাদের মধ্যে ১ কোটি ৪২ লক্ষ (৬৮%) শ্রম শোষিত। ৪৫ লক্ষ (২২%) জন যৌনভাবে শোষিত এবং ১২ লক্ষ (১০%) জন রাষ্ট্রের চাপিয়ে দেয়া বলপূর্বক শ্রম দ্বারা শেষিত। আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনের মতে শিশু শ্রমিক, সংখ্যলঘু এবং বেআইনি অভিবাসীরা প্রচ-ভাবে শোষিত হওয়ার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। পরিসংখ্যান মতে পৃথিবীর ২১ কোটি ৫০ লক্ষ, যুবশ্রমিকের অর্ধেককে জোরপূর্বক যৌনকর্ম এবং বলপূর্বক ভিক্ষাবৃত্তি সহ ক্ষতিকর ক্ষেত্রগুলোতে দেখতে পাওয়া যায়। লেদার ট্যানিং, পাথর খননসহ ইত্যাদি সর্বোচ্চ শোষণ মূলক এবং বিপজ্জনক ক্ষেত্রগুলোতেই বেশিরভাগ জাতিগত সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক শ্রেণির মানুষেরা কাজ করে বলে অনুমিত হয়েছে। বহুজাতিক অপরাধ সংঘটনগুলোর সংঘটিত অপরাধ কর্মগুলোর মধ্যে মানব পাচারকে অন্যতম দ্রুত অপরাধ কর্ম হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। আমরা জানি, মানব পাচারের একটি বড় এবং অন্যতম অংশ নারী ও শিশু। তাদের উপরে নির্যাতনের চিত্র আমরা পত্র পত্রিকায় দেখেছি। নারী ও শিশু পাচার হয় কীভাবেঃ নারী ও শিশু পাচারকে আধুনিক যুগের দাস প্রথা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সাধারণত শোষণের উদ্দেশ্যে জোর খাটিয়ে ছল চাতুরি, ভয়ভীতি প্রদর্শন করা চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে কিংবা যাকে পাচার করা হবে তার উপরে কর্তৃত্ব আছে, এমন ব্যক্তিকে বেআইনীভাবে অর্থ দেয়া নেয়ার মাধ্যমে লোক সংগ্রহ, স্থানান্তর, আশ্রয় দান ও অর্র্থের বিনিময়ে গ্রহণ ইত্যাদির যে কোন কর্মকান্ডকে পাচার বলে গণ্য করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন এর মতে, মানুষ পাচার তখনই ঘটে যখন একজন অভিবাসী জাতীয় অথবা আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধভাবে (চাকুরী প্রাপ্তির নিমিত্তে অপহৃত হয়ে, বিক্রিত হয়ে) কোন কাজে নিযুক্ত হন। পাচারের কারণঃ আমরা জানি  বিশ্বের জনবহুল অন্যতম দরিদ্র দেশ বাংলাদেশ। এখানে মানব সম্পদ, মানব শ্রম সূলভ বা সস্তা, সহজলভ্য। কারণ পরিবারগুলো দুস্থ নিঃস্ব ও অসহায়। এ পরিস্থিতির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিকভাবে একশ্রেণীর সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। যার সাথে হোস্ট হিসেবে জড়িত হয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ প্রতারক চক্র। আগেই বলেছি,এ হলো ঘরের শত্রু বিভিষণ!তারা প্রলোভন দেখিয়ে অসহায়, দরিদ্র অভিভাবকদের সন্তান, আত্মীয়দের, মেয়েদের শহরে বা বিদেশে চাকুরি যৌতুক বিহীন বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে এমন কি বিয়ে করেও বৌকে পাচার করে দিচ্ছে অন্ধকার জগতে।

কদিন আগেও পত্র পত্রিকায় দেখা গেছে,একই ব্যক্তি একাধিক বিয়ে করছে আর বিবাহিত বৌকে রেখে আসছে ভারতে। এটি একটি কৌশল মাত্র। সাবধানে ভালো করে ভেবে, খোঁজ নিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত পরিবারের। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিতে হবে। পাচারকারীদের প্রলোভনের শিকার হচ্ছে দেশের ছিন্নমূল ভবঘুরে ছেলে, নারী ও অভিভাবকরা। দারিদ্রের নিষ্পেষণে জর্জরিত, অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত ও অতিস্বপ্নচারী পুরুষ সহ অসহায় ও বিধবা নারীরা সুন্দরভাবে বাঁচার আশায় নতুন জীবনের স্বপ্নে বিভোর হয়ে পাচারকারীদের পাতাজালে জড়িয়ে পড়ছে। যে সকল কারণে পাচারকারীরা সহজেই এদের সাথে প্রতারণা করতে সক্ষম হয়, তার মধ্য এগুলো অন্যতম। ১) দারিদ্র ২) সীমান্ত অতিক্রমের সহজ প্রক্রিয়া ৩) সমাজে মেয়েদের অবমূল্যায়ন ৪) শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব ৫) বেকার সমস্যা ৬) পিতামাতার অসাবধানতা বা অসচেতনতা। এই যে প্রতারণা করা হয় এর উদ্দেশ্য প্রধানত দুটি। এক, স্থানীয় দালাল সহ এই চক্রের মূল হোতার অর্থ উপার্জন। দুই, এদেরকে যারা ফাইনালি কিনবে বা যাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, তারা এই নারী পুরুষ ও শিশুদের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করে অর্থ উপার্জন বা কর্ম সুবিধা লাভ করবে। যেমন পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত করা, পর্ণোগ্রাফি সিনেমায় ব্যবহার করা।

মধ্যপ্রাচ্যে উটের জকি হিসেবে ব্যবহার করা ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত করা, প্রত্যঙ্গ কেটে ব্যবসা, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। গোটা বিশ্ব জুড়েই রয়েছে পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক। অনেক নারী দরিদ্র্যতা ও নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পেতে উন্নত জীবনের আশায় স্বেচ্ছায় এ পেশায় এসে পাচারকারীদের ফাঁদে পা বাড়িয়ে দেশের বাইরে পাড়ি জমায় এবং পরবর্তীতে বুঝতে পারে যে, জ্বলন্ত উনুন থেকে আসলে গরম তেলের কড়াইতে ঝাঁপ দিয়েছে। তখন আর কিছু করার থাকেনা। কোন পথে পাচার হয়ঃ বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার ৪২২২ কিমি ভারতের সাথে আর নেপালের সাথে ২৮৮ কি মি সীমান্ত রয়েছে। দেশের উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ পশ্চিম সীমানা দিয়েই স্থল পথে পাচার বেশি হয় মূলত। এসব অঞ্চলের কমপক্ষে ১১টি রুট পাচারের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও জলপথ ও বিমান পথেও পাচার হয়ে থাকে।

জনসাধারণকে বুঝতে হবে, জানতে হবে অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে। এটি কীভাবে সম্পন্ন হয়, কী কী নিয়ম শর্ত থাকে। যে দেশে যাওয়া হবে সে দেশের ইমিগ্রেশন অনুমতি আছে কিনা। মানব সম্পদকে দেশের কাজে লাগানোর সুযোগ না থাকায় এই সম্পদকে বিদেশের কর্মসংস্থানে কাজে লাগিয়ে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। ব্যবস্থাপণাবিদগণ যে সাতটি ‘গ’ দ্বারা কার্য সম্পাদন করে তার মধ্যে ম্যান পাওয়ার (গধহ ঢ়ড়বিৎ) বা ঐঁসধহ ৎবংড়ঁৎপব বা মানব সম্পদ অন্যতম।মানব সম্পদ হলো প্রতিষ্ঠানের চালিকা শক্তি। তাই এ সম্পদের বাছাই, নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন, বেতন ও মজুরি প্রদান, প্রেষণ ও সুযোগ সুবিধা দান, কর্মীদের অভাব অভিযোগ নিরসন ইত্যাদি বিষয় সমূহ যে মাধ্যমে সম্পাদন করা হয় তাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বলে। এই ব্যবস্থাপনার অন্তর্গত শ্রমিকের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা অর্জন।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে, এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের অদক্ষ কারিগরি জ্ঞানহীন কর্মীরা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক কম বেতনে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে ফলে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক শ্রমবাজারে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ফলে বাংলাদেশ জনশক্তি রপ্তানি খাত থেকে প্রাত্যাশা অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই মানবসম্পদের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি বলে বিবেচ্য। মানব পাচারে দোষী ব্যক্তির শাস্তি সর্বোচ্চ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড, এ বিষয়ে ষড়যন্ত্রকারীর সর্বোচ্চ ৭ বছর ও সর্বনিম্ন ৩ বছর কারাদন্ড ২০ হাজার টাকা জরিমানা, কেউ এ বিষয়ে জোর খাটালে বা ঋণদাস করে রাখলে সর্বোচ্চ ১২ ও সর্বনিম্ন ৫ বছর কারাদন্ড ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আইন রয়েছে। আইন জনগণের পক্ষে, শুধু জনগণের সচেতনতার প্রয়োজন। এমন কোন অর্বাচীন সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না লোভে বা মোহে পড়ে যাতে ফলাফল সর্বনেশে হয়। সহজভাবে কিছু পেতে চাওয়া মানে মরিচিকার পিছে ছোটা। কোন সফল ব্যক্তিই বিনা পরিশ্রমে সফল হয়নি, বিলগেইটস তার সন্তানদের ব্যাপারে বলেন, কর্ম তাদের জীবনকে উপভোগ্য করবে তাই তাদের কাজ কিংবা চাকুরি করতে হবে। যতটুকু কর্ম ততটুকুই অর্জন আসলে। অবৈধভাবে বিদেশেই যেতে হবে তা কেন, ওই টাকা দিয়ে আপনি দেশেই কিছু করতে পারেন। উদ্যোক্তা হতে টাকার চেয়ে পরিকল্পনাই বড় মূলধন। শূন্য থেকে সফল, জিরো থেকে হিরো আপনিই হতে পারবেন, ভবঘুরে না হয়ে একটু ভাবুন চিন্তা করুন, নিজেকে সময় দিন।   
লেখক ঃ শিক্ষিকা, প্রাবন্ধিক-কবি
০১৭৩০-২৬৪৪৯৭