প্রধানমন্ত্রীর নন্দিত আশ্রয়ণ প্রকল্পেও দুর্নীতি

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৭:৪৮ পিএম, ১৫ জুলাই ২০২১

মোহাম্মদ নজাবত আলী:আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য ছিল দুর্নীতি, শোষণমুক্ত ও মানবিক সমাজ গঠন, সমতা ভিত্তিক উন্নয়ন, দারিদ্র হ্রাস এবং সমগ্র জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের পরিবর্তন। স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে গেলেও উন্নয়ন দৃশ্যমান হলেও এখনো দারিদ্র জনগোষ্ঠী বিদ্যমান এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে উঠেনি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা দৃশ্যমান। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ন প্রকল্পেও নানা অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের অগ্রগতি উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ধনী গরীবের মাঝে ব্যবধান, বৈষম্য কমাতে নানা পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। গরীব অসহায় মানুষগুলো যেন স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করেত পারে। খাদ্যাভাব দূরীকরণেও কাজ করে যাচ্ছেন। অসহায় বয়স্ক মানুষ ও বিধবা মহিলাদের ভাতা প্রদান, করোনাকালে গরীব জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সাহায্য ও সহযোগীতা অব্যাহত রয়েছে। আমাদের সমাজে ধনী ও বিত্তশীলদের পাশাপাশি গরীব অসহায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও রয়েছে। এদের কারো কারো ঘরবাড়ি জমাজমি বলতে তেমন কিছুই নেই। এসব ভূমিহীন, গৃহহীন মানুষদের দুঃখ কষ্ট লাঘবের জন্য প্রধানমন্ত্রী তাদের আধাপাকা ঘর ও জমি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন মুজিববর্ষে। জমাজমি ভূমিহীন মানুষদের মাথাগোঁজার ঠাঁইয়ের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প নামে যে মহৎ কর্মযজ্ঞ শুরু করেন সেখানেও নানা অনিয়ম, গাফিলতি, দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গৃহহীন মানুষদের একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়া, জীবনের শেষ বেলায় অসহায় ভূমিহীন মানুষের মনে একটা আশা জেগেছিল। বছরের পর বছর ধরে তাদের কষ্টের জীবনের শেষ হবে। তাদের আর ঝড় বৃষ্টিতে ভিজতে ও কষ্টের জীবনের অবসান হবে। বিনামূল্যে ভূমি ও গৃহহীন মানুষদের ঘর করে দেওয়া এটা মুজিবর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শ্রেষ্ঠ উপহার। ভূমি ও গৃহহীন মানুষদের সীমাহীন দুঃখ, কষ্ট, বেদনা উপলব্ধি করেই তিনি এই মহৎ ও মানবিক কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ মহৎ কর্মে যেন মমতাময়ী মায়েরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। ইতিমধ্যে এ কর্মসূচির মাধ্যমে জমিসহ মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন প্রায় সোয়া লাখ পরিবার। ঠিকানাবিহীন মানুষগুলো প্রধানমন্ত্রীর দয়া, আন্তরিকতা ও মানবিকতায় তারা ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন। এ অসহায় মানুষগুলোর চোখে এখন বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় হলো এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু অসৎ কর্মকর্তার অর্থের প্রতি লোলুপ দৃষ্টির কারণে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ইতিমধ্যে ৫ জন কর্মকর্তাকে ও,এস,ডি করা হয়েছে। নানা অভিযোগ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তদন্ত শুরু করেছে। 

বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ রয়েছে। কেউ ধনী কেউ গরীব আবার কেউ কেউ অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়েছে। যেখানে অসহায় দরিদ্র মানুষগুলো নিদারুনভাবে দুঃখ ও কষ্টে দিনযাপন করছেস সেখানে দূর্নীতিবাজরা ক্রমাগতভাবে অর্থ, বিত্ত, সম্পদের অধিকারী হচ্ছে। একদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হচ্ছে, অন্যদিকে অসৎ, দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা সরকারি অর্থ চুরি করে সম্পদশালী হচ্ছে। অথচ একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। কিন্তু বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে সমাজে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে। রাষ্ট্রের সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে প্রতিটি সেক্টরে দূর্নীতি দানা বেঁধেছে। অতি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ৫ জন কর্মকর্তাকে ও,এস,ডি করা হয়েছে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার অভাবে আমাদের সমাজে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। স্বধীনতার ৫০ বছরে এবং বর্তমান সরকারের টানা ১২ বছর মেয়াদে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে একথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, যোগাযোগসহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য চোখে পড়ার মত। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবে রাষ্ট্রে অনেক কিছুই ঘটে। কোনো রাষ্ট্রে যদি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাব থাকে তাহলে স্বাভাবিকভাবে সে রাষ্ট্রে বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি দেখা দেয়। দুর্নীতি অবশ্যই আমাদের উন্নতির প্রধান প্রতিবন্ধক। শুধু আশ্রয়ণ প্রকল্পই নয় দেশের অসংখ্য বিভিন্ন শ্রেণি বা ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। 

এক সরকারি হিসেবে দেখা গেছে বাংলাদেশে বাড়ি ঘর জমাজমি বলতে কিছুই নেই এমন পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ। ভিটেমাটি আছে, ঘর ভেঙে পড়েছে কিংবা ঘর নেই এমন পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা বাংলাদেশে ভূমি ও গৃহহীন ভাগ্যাহত জনগোষ্ঠীর যে তালিকা করা হয়েছে সে তালিকায় প্রায় ৯ লাখ পরিবার রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় সোয়া লাখ পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন, পর্যায়ক্রমে ৯ লাখ পরিবারকে ঘর দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে শুধু বসবাসই নয় এর ইতিবাচক কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে তা হলো, গরীব, অসহায়, ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা, উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের কর্মঠ করে দারিদ্র দূরীকরণ। কিন্তু তাদের স্বপ্ন পূরণ দারিদ্র দূরীকরণের আগেই আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় বেশকিছু পরিবারের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়েছে। নি¤œমানের সমগ্রী দিয়ে ঘর করায় বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর ভেঙে পড়েছে। কোথাও আবার তা পানিতে তলিয়ে গেছে। ্ও,এস,ডি বড় কোনো শাস্তি নয় ্ও, এস,ডি অর্থাৎ অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি। বাংলা অর্থ দাঁড়ায় বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এটা বড় ধরনের শাস্তি নয়। অনিয়ম দুর্নীতি করেও ‘বিশেষ’ মন্দ কী ? সিরাজগঞ্জ, বরগুনা, বগুড়া, মুন্সিগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও এসিল্যান্ড পর্যায়ে কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর নন্দিত আশ্রয়ণ প্রকল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। নীলফামারী, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জসহ প্রায় জায়গাতে একই অবস্থা। এসব কর্মকর্তার সাথে স্থানীয় পর্যায়ের কোনো নেতা বা কোনো সাঙ্গপাঙ্গ জড়িত কিনা তা সুষ্ঠু তদন্তে খুঁজে বের করতে হবে। 

মুজিববর্ষে যখন প্রধানমন্ত্রীর সেরা উপহার ভূমি ও গৃহহীনদের ঘর প্রদানের খবর ভাগ্যাহত, অসহায় মানুষদের নতুন করে বাঁচা ও স্বপ্নের বীজ বুনতে শুরু করে। একদিকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষথেকে স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা গৃহহীনদের ঘর প্রদানের শুভ সূচনা অন্যদিকে নি¤œমানের সামগ্রী দিয়ে ঘর নির্মাণ করায় তা ভেঙে পড়ার খবর আশাহত করল ভূমি ও গৃহহীনদের। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিচালক ও মূখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেটাকে ইবাদত হিসাবে নিয়েছেন সেটাতেও যখন আমরা ব্যর্থ হই তখন সেটা আমাদের ব্যর্থতা। তবে তিনি বলেন, বিভাগীয় মামলা হবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিবের হুঁশিয়ার অনিয়মে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা। কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা শাস্তি হবেই অন্তত এ ধরনের কথাগুলো না বলায় ভালো। কেননা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিদর্শন দলের সদস্যরা বাংলাদেশে বিভিন্ন আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে দেখে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও অবহেলায় প্রায় দু’শ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিব কায়কাউস। তবে কি ও,এস,ডিই শাস্তি! আমরা মনেকরি ্ও,এস,ডি কোনো শাস্তি নয়। কঠিন শাস্তি দিতে হবে তাদের । সরকারি কর্মকর্তার পাশাপাশি সরকার দলীয় কোনো নেতা বা কোনো ব্যক্তি এসব অপকর্মে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা খুব কঠিন কাজ নয়। এ সমস্ত অনিয়ম, দুর্নীতিবাজ, টাউট, বাটপার, সরকারি বেসরকারি ব্যক্তিবর্গ যারাই জড়িত থাক তাদের উচিত শিক্ষা দিতে না পারলে ভবিষ্যতে সরকারের মহৎ ও মানবিক কর্মযজ্ঞ আরো প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সরকারের নন্দিত এ প্রকল্পকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে তাদের শাস্তি না হলে দুর্নীতিবাজরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে। এসব অসৎ কর্মকর্তা বা দুর্নীতিবাজরা রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি সেক্টরে থাবা বসিয়েছে। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পেও। মানুষরূপী কিছু দানবীয় চোরেরা প্রকল্পটির বারোটা বাজানোর আগেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সমতাভিত্তিক উন্নয়নে গ্রামীণ হতদরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে দারিদ্র কমাতে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু দুর্নীতি প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ব্যাহত করছে। তাই দূর্নীতি নামক বিষবৃক্ষের শিকর উপড়ে ফেলতে হবে। দূর্নীতির শৃঙ্খল ভাঙতে হবে। শুধু আশ্রয়ণ প্রকল্পই নয় দেশের বড় বড় মেঘা প্রকল্প বাস্তবায়নে সেখানে দূর্নীতি হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা দরকার। বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি রোধকল্পে রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য। তাহলে আমাদের সমাজ থেকে দূর্নীতি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। দুর্নীতি রোধকল্পে সরকারের যে লক্ষ্য রয়েছে সে লক্ষ্যে পৌঁছতে না পারলে দেশের কাঙ্খিত উন্নয়ন হবে না। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে যে অনিয়ম বা দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তা নির্মোহভাবে তদন্ত করতে হবে। বঙ্গবন্ধু তার এক ভাষণে বলেছিলেন, এদেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ তো দুর্নীতি করেনা। দুর্নীতি করে সমাজের উপর তলার মানুষ। এ উপরতলা বলতে তিনি বুঝিয়েছেন সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গকে। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প ছাড়াও যেসব প্রকল্প বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে যে দুর্নীতির অভিযোগ আমরা দেখতে পাই তার সঙ্গে জড়িত সরকারি বেসরকারি পর্যায়ের শিক্ষিত ব্যক্তিবর্গ। অথচ সমাজের বসবাসরত দরিদ্র অসহায় মানুষগুলো বরাবরই অবহেলিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব অবহেলিত মানুষদের একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ার জন্য যে, আশ্রয়ণ প্রকল্প নামের মহৎ কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন তাতেও বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ। বিষয়টি নিঃসন্দেহে অমার্জনীয় অপরাধ। 
কেননা আশ্রয়ণ প্রকল্প তো কোনো যেন তেন প্রকল্প নয়। বিশাল এ কর্মযজ্ঞ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেদিন প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয় সেদিন বাংলাদেশে একটি নতুন ইতিহাসের ভিত্তি তৈরি হয়। একদিনে প্রায় সত্তর হাজার পরিবারকে আশ্রয় দেয়া একেবারে সহজ কথা নয়। যে ইতিহাস তৈরি হয়েছে সে ইতিহাসের ভিত্তিটাকে যারা দুর্বল করতে চায়, নন্দিত প্রকল্পকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় তাদের  চিহ্নিত করতে হবে। বিশাল এ কর্মযজ্ঞ চালানো সরকার কয়েকটা দূর্নীতিবাজের কাছে হারবে কেন ?
লেখক: শিক্ষক-কলামিস্ট 
০১৭১৯-৫৩৬২৩১