বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এম আব্দুর রহিম

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৮:৩৪ পিএম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

আজহারুল আজাদ জুয়েল: দিনাজপুরের এই কৃতি সন্তান, কিংবদন্তি তুল্য রাজনীতিক মরহুম এম আব্দুর রহিম এর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হচ্ছে আজ। ২০১৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় ঢাকার বারডেমে শেষ নিঃশ^াস ত্যাগ করেছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দিনাজপুরবাসী এমন একজন মহান ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছিলেন যিনি এই দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অভিভাবক তুল্য ছিলেন। এই অঞ্চলের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন। এম আব্দুর রহিম বাংলাদেশের সেরা রাজনীতিকদের একজন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিদের একজন। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে বৈঠক করেছিলেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য এবং ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। 
এম আব্দুর রহিম কখনো মন্ত্রী ছিলেন না, কিন্তু দেশের জন্য কীর্তিময় অবদান রাখার মধ্য দিয়ে নিজেকে কিংবদন্তীতে পরিণত করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের এক অসাধারণ সংগঠক। মুক্তিযুদ্ধকালীন পশ্চিমাঞ্চলীয় জোন-৬ এর চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর পশ্চিম জোন-৬ এর চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দিনাজপুরে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন ও মার্চপাষ্ট গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল, অনেকেই খুনীদের সাথে হাত মিলিয়ে ক্ষমতার রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছিল, কিন্তু এম আব্দুর রহিম ছিলেন আদর্শিক রাজনীতির পথিকৃৎ। ১৯৬৩ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার পর আমৃত্যু ঐ দলেই যুক্ত থেকে মানুষের অগাধ শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ বিকাশে মৃত্যুর সময়কাল পর্যন্ত কাজ করে গেছেন। ১৯৭২ সালের ৬ই জানুয়ারি মহারাজা স্কুলে মাইন বিস্ফোরণে নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে তার প্রচেষ্টায় নির্মিত শহীদ স্মৃতি ফলকটি যতদিন মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে ততদিন তিনি চির জাগরিত থাকবেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ মানুষের কাছে।    
দিনাজপুরের মহান নেতা এম আব্দুর রহিমের জন্ম ১৯২৭ সালের ২১ নভেম্বর। দিনাজপুর সদর উপজেলার জালালপুর নিবাসী এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম তাঁর। তাঁর পিতার নাম মরহুম মোঃ ইসমাইল সরকার, মা মরহুমা দরজ বিবি। অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী এম আব্দুর রহিমের শিক্ষা জীবন শুরু হয়েছিল মাদ্রাসায়। পরে জেনারেল লাইনে লেখাপড়া করে আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে বিকশিত করেন। তিনি ভাষা ও স্বাধীকার আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫৪ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে যুক্তফ্র্েন্টর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে জোনাল-৬ এর চেয়ারম্যান হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করতে দিনের পর দিন শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে ছুটে বেড়িয়েছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে ঘোড়াঘাটের রানীগঞ্জে এবং দিনাজপুর বড় মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।  বড়মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় পশ্চিম জোনের অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার ফরিদ ভাট্টি ও কর্ণেল শমসের সিং এর নেতৃত্বে মিত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল কর্তৃক গার্ড অব অনার প্রদানের ঘটনা নিঃসন্দেহে এম আব্দুর রহিমের মর্যাদাকে অনেক উচ্চতর স্তরে নিয়ে গিয়েছিল। 
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এম আব্দুর রহিম সমাজ সেবামূলক কাজে জড়িয়ে থেকে গণমানুষের উন্নয়নে অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন। দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতি, দিনাজপুর ডায়াবেটিক এসো-সিয়েশন, দিনা-জপুর বধির ইনষ্টিটিউট সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক সংগঠনের সভাপতি, উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন। 
এম আব্দুর রহিম দিনাজপুর শহরের যে বাড়িতে বসবাস করতেন বঙ্গবন্ধুর পদধূলি পড়েছিল সেখানে। সেই বাড়িতে বঙ্গবন্ধু খাওয়া দাওয়া করে-ছেন। তাঁর সাথে বেশ কিছু স্মৃতি আছে এম আব্দুর রহিমের। ২০০০ সালের মার্চ মাসে দিনাজপুরে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক একটি গ্রন্থ লেখার জন্য একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। সেই সাক্ষাৎকারের মূল কথা এখানে তুলে ধরা হলো; 
লেখক ঃ আপনি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। এক সাথে রাজনীতি করতেন। বঙ্গবন্ধু আপনার বাড়িতেও এসেছিলেন। বলতে পারবেন তিনি প্রথম কখন দিনাজপুরে এসেছিলেন?
এম আব্দুর রহিম ঃ দিন, তারিখ বলা সম্ভব নয়। তবে এটা ঠিক বঙ্গবন্ধুর সাথে দিনাজপুরের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বৃটিশ আমলেই। তখন বর্তমান দিনাজপুর, বর্তমান ঠাকুরগাঁও এবং ভারতের বালুরঘাট, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর নিয়ে দিনাজপুর জেলা ছিল। ১৯৪৬ সালের  সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু বালুরঘাটে মুসলিম লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোজাফফর রহমান চৌধুরীর পক্ষে কাজ করেন। ঐ নির্বাচন ছিল পাকিস্তান হবে কি হবে না, তার পক্ষে-বিপক্ষের নির্বাচন।
লেখক ঃ বঙ্গবন্ধু কি পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন?
এম আব্দুর রহিম ঃ তিনি পাকিস্তানেরর পক্ষে ছিলেন। তখনকার প্রেক্ষাপটে উনি স্বাধীন পাকিস্তান হোক, এটা চেয়েছেন এবং তার পক্ষে কাজও করেছেন। শোষিত, বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষেই তিনি পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। সেই কারণে তৎকালীন দিনাজপুরের বালুরঘাট-কুমারগঞ্জের উপনির্বাচনে দলের নির্দেশে কাজ করেছিলেন। 
লেখক ঃ এরপর কবে তিনি দিনাজপুরে এলেন?
এম আব্দুর রহিম ঃ পাকিস্তান সৃষ্টির পর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের সময়। বঙ্গবন্ধু ততদিনে  আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতায় পরিণত হয়ে গেছেন। তিনি যাকে রাজনৈতিক গুরু বলে মনে করতেন সেই নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে দিনাজপুরে এসেছিলেন। সেই সময় বিকাল বেলা (দিন-তারিখ খেয়াল নাই) দিনাজপুরের ঈদগাহ মাঠে জনসভা করার কথা ছিল। কিন্তু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সহ বঙ্গবন্ধু নির্দিষ্ট ট্রেন ফেইল করেন। পাকিস্তানের রাজনীতিতে তখন সরকার পক্ষ সব সময় এক ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক নীতি অবলম্বন করত। সেই নীতির অংশ হিসেবে ট্রেন ফেইল করিয়ে দেয়ার এই ঘটনাটা ঘটেছিল। নেতৃবৃন্দ ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কমলাপুর রেল ষ্টেশনে এসে উপস্থিত হলেও ট্রেন ধরতে পারেন নাই। কারণ সরকারে ইঙ্গিতে নির্ধারিত সময়ের  অনেক আগে ট্রেনটি ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ও হোসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দিনাজপুরের জনসভায় যেন পৌঁছাতে না পারেন সেজন্যে সরকারি ইঙ্গিতে রেল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছেকৃতভাবে ট্রেনটি নির্দিষ্ট সময়ের আগে ছেড়ে দেয়। তাঁরা পরের ট্রেনে দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন এবং রাতের বেলা গোরে শহীদ ময়দানে জনসভা করেন। ঐ জনসভায় তারা দিনাজপুরে যুক্তফ্রন্টের এমএলএ প্রার্থী ফজলে হকের পক্ষে ভোট চেয়ে ভাষণ দান করেন। ওই জনসভায় ভাষণ দেয়ার সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দেরিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন যে, আমি ট্রেন ফেল করিনি। ট্রেনই আমাকে ফেল করেছে। তাঁর এই কথায় হাসির রোল উঠেছিল। 
লেখক : বঙ্গবন্ধুর সাথে আপনার ব্যক্তিগত স্মৃতি নিয়ে কিছু বলুন। 
এম আব্দুর রহিম :  বঙ্গবন্ধুর সাথে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে ১৯৬৪ সাল থেকে। সেই সময় আমি দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম। আমার মনে আছে যে, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ফুলবাড়িতে ডাঃ মোজাফফর হোসেনের ভাই ওয়াকিলউদ্দিনের বাড়িতে মিটিং করেছিলেন। সেখান থেকে দিনাজপুরে আসেন এবং রাতের বেলা আমার বাসায় খাওয়া-দাওয়া করেন। এ সময় জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন (অবঃ) মনসুর আলী, মোঃ কামরুজ্জামান সহ আরো অনেক কেন্দ্রীয় নেতা তাঁর সাথে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু আসবেন বলে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদেরও  দাওয়াত করেছিলাম। 
লেখক : আর কোন স্মৃতি?
এম আব্দুর রহিম : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়। ১৯৭২ সালের ১লা এপ্রিল বঙ্গবন্ধু দিনাজপুরে আসেন। সেই সময় দিনাজপুর বড় ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় মুজিবনগর সরকারের পশ্চিম জোনের চেয়ারম্যান হিসেবে এবং দিনাজপুর সদরের এমপি হিসেবে আমি জনসভায় সভাপতিত্ব করি। আমি রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচরে পরিণত হয়েছিলাম। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে কেউ কেউ তার বিরুদ্ধেও ছিল। তিনি ৬ দফা ঘোষণার পর দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রথম সভাপতি রহিমউদ্দিন আহমেদ এবং প্রথম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আব্দুর রহমান চৌধুরী আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিয়ে নসরুল্লাহ খানের মুসলিম লীগে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধুর সাথেই থেকে গিয়েছিলাম। 
আমার মনে আছে যে, বঙ্গবন্ধু একবার রামসাগরে রাত যাপন করে পরদিন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় বর্তমান পুলহাট ইন্ডাষ্ট্রিজের মালিক কবীর চৌধূরীর পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্য রামসাগরে খাবার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু আমরা জানতাম যে, তিনি আওয়ামী বিদ্বেষী এবং মুসলিম লীগের গোঁড়া সমর্থক। তাই আমি এবং আরো কয়েকজন বঙ্গবন্ধুকে ঐ খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দেই। তিনি আমাদের সেই পরামর্শ গ্রহণ করেন এবং বিনয়ের সাথে পুলহাট ইন্ডাষ্ট্রিজের মালিককে তার খাবার নিয়ে যেতে বলেন। আমার আরেকটি বিশেষ স্মৃতিময় মুহূর্ত হলো এই যে, বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তার সাথে রাজশাহী ডিভিশনে ৫ দিনের একটা ট্যুর প্রোগ্রামে ছিলাম। এই ট্যুরের সময় একদিন জ্যো¯œা রাতে বঙ্গবন্ধুকে তার কোন দুঃখের কথা জানানোর জন্য অনুরোধ করেছিলাম। আমার অনুরোধে হেসে দিয়ে তিনি তাঁর দুঃখের এই কাহিনী বলেন, 
একদিন কামাল (শেখ কামাল) আর হাসু (শেখ হাসিনা) সিঁড়িতে বসেছিল। সেই দিন আমাকে (বঙ্গবন্ধুকে) দেখে কামাল হাসুকে বলে, হাসু আপা, তোমার আব্বাকে আব্বু বলে ডাকি? সেদিন আমি ভাবি , হায়রে! আমি এমন বাবা যে, আমার ছেলে আমাকে চেনে না (এম আব্দুর রহিমের এই সাক্ষাৎকার ২০০০ সালের। বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তেও এই স্মৃতি কথা আছে, যা ২০১২ সালে প্রকাশিত হয়েছে- লেখক) !খক ঃ যারা দল বদলাতেন তাদের সাথে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহার কেমন ছিল?
এম আব্দুর রহিম ঃ বঙ্গবন্ধু তার সহকর্মীদের সহজে ভুলতেন না। রাজনৈতিক মত-পার্থক্য সত্ত্বেও তাদের খোঁজ-খবর রাখতেন। তিনি যখন দিনাজপুরে আসতেন, নিজ দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও দল ছেড়ে চলে যাওয়া রহিমউদ্দিন সাহেব, আব্দুর রহমান সাহেবেরও খোঁজ-খবর নিতেন।
কীর্তিমান মানুষেরা মারা গেলেও মানুষের হৃদয়ে অনন্তকাল বেঁচে থাকেন কর্মগুণের কারণে। বঙ্গবন্ধু আজ নেই, কিন্তু অসাধারণ কীর্তির মহানায়ক হয়ে আছেন বাঙালি জাতির মাঝে। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোগি এম আব্দুর রহিমও চলে গেছেন অনন্ত যাত্রায়, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে থাকবেন বহদিন। তাঁর জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল ছিল। আরো লক্ষ মানুষের হৃদয় ছোঁয়া ভালবাসায় তিনি বেঁচে থাকবেন বহুকাল।   
লেখক ঃ সাংবাদিক-কলামিস্ট 
[email protected] 
০১৭১৬-৩৩৪৬৯০, ০১৯০২-০২৯০৯৭