সুন্দর আগামীর জন্য চাই সমৃদ্ধ কৃষি

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৯:২৪ পিএম, ১০ মে ২০২১

 আতাউর রহমান মিটন:অফিসিয়ালি লকডাউন বলবৎ থাকলেও চলতি সপ্তাহে ফের জনজীবন প্রায় স্বাভাবিকতায় ফিরে এসেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় একটি মৌসুম রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে আবার সবকিছু চাঙা হওয়ার চেষ্টা করছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে দেশের অর্থনীতি যেন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পতিত না হয় সেই সতর্কতা থেকে সরকার লকডাউনে শিথিলতা দেখিয়েছে। এবার নাগরিকদের দায়িত্ব হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে জীবিকায়নের পথকে গতিশীল রাখা। যে জীবন বাঁচানোর জন্য জীবিকায়নকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে সেই মহামূল্যবান জীবনটা যেন অবহেলা বা অসচেতনতায় সংক্রমিত হয়ে নিভে না যায়, সেটা নিশ্চিত করা দরকার। সকলেই দয়া করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। 
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে এটা বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছেন। বিশেষ করে লকডাউনের মত কর্মসূচি গুলিতে মানুষের আয়-উপার্জন প্রায় বন্ধ হবার ফলে জনজীবনে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলা করছে কিন্তু যে কোন মুহূর্তে আমরা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ এর মুখোমুখি হতে পারি, আর তাতে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও স্থবির হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ভারতে করোনা ভাইরাসের যে নতুন ধরনটি দেখা যাচ্ছে তা যদি আমাদের দেশে আসে তাহলে আমাদের অবস্থাও খুবই খারাপ হবে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তুলনায় বহুগুণে এগিয়ে থাকা ভারত আজ তাদের দেশের করোনা রোগীদের অকাল মৃত্যু ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার মানুষ সেখানে মারা যাচ্ছে। আমেরিকাভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা বলছে, এই সংখ্যা প্রতিদিন ৪-৫ হাজারে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যা সত্যিই উদ্বেগজনক! 
করোনাকালে বাংলাদেশের সেবাখাত ও শিল্পখাত ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও কৃষিখাত ভাল করছে এবং কৃষিনির্ভর আমাদের অর্থনীতিতে কৃষির এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি সংকটের আঁধারেও নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার সমৃদ্ধ কৃষির পূর্ণ বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে কারণ কৃষি অর্থনীতিই আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি নির্ভর, তাই কৃষিখাতের সুপ্ত সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশই হবে সমৃদ্ধ আগামী গড়ার চালিকা শক্তি।  
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আমাদেরও মনের কথা। টেকসই কৃষি নিয়ে কর্মরত সকলেই মনে করেন, বাংলাদেশের কৃষির সম্ভাবনা অপরিসীম যা এখনও বহুলাংশে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। সরকারের যথাযথ সহায়ক নীতি ও কর্মসূচির ফলে কৃষিখাতের অগ্রগতি দৃশ্যমান হলেও এর পূর্ণ বিকাশে এখনও করার আছে অনেক কিছু। গবেষণা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও বিপণন ক্ষেত্রে আরও কিছু কাজ করতে হবে যাতে কৃষি অর্থনীতি তার টেকসই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, সোনার বাংলা গড়ার জন্য কৃষিতে সোনালী সুদিন ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মকে কৃষিতে আগ্রহী করতে হবে। কৃষিকে এগিয়ে যেতে হবে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, বৈশ্বিক চাহিদা পূরণের সুযোগ মাথায় রেখে। এর জন্য কৃষিতে অর্থায়ন বা কৃষি ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে। টেকসই কৃষি উদ্্েযাক্তারা যাতে সহজে কৃষি ঋণ পেতে পারে সেটার জন্য সরকারকে কৃষিঋণ সহজীকরণ করতে হবে। 
এটা আনন্দের সংবাদ যে, সরকার সম্প্রতি কৃষি ঋণের সুদের হার কমিয়ে সর্বোচ্চ ৮% নির্ধারণ করেছে যা ১ এপিল থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকার এর আগে ২০১৭ সালের ২২ জুন কৃষিঋণের সর্বোচ্চ সুদহার ১০ থেকে কমিয়ে ৯ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। যতটুকু জানি, সরকার শিল্পখাতে নানা ধরনের প্রণোদনা দেয়, উপরন্তু শিল্প ঋণের সুদের হার সাড়ে সাত থেকে আট শতাংশ। কৃষির থেকে শিল্পখাতে ঋণের সুদ কেন কম তা বিবেচনা করা দরকার। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই যেখানে বলছে, “কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। কৃষির উন্নয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যার খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।” এই প্রেক্ষাপটে কৃষি খাতে ঋণ সরবরাহ নিশ্চিত করে কৃষকদের স্বাভাবিক উৎপাদনশীল কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনাসহ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে উক্ত খাতে ঋণের সুদহার হ্রাস করে সর্বোচ্চ ৫% করা প্রয়োজন। কৃষি ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার বেঁধে দেয়া হলেও দেশের প্রান্তিক কৃষকেরা তার সুবিধা কতখানি পাবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, দেশের সরকারি-বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকগুলো কৃষি ঋণের ৭৫ শতাংশই এনজিওদের মাধ্যমে বিতরণ করে থাকে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো ৮ শতাংশ সুদে এনজিওেেদরকে ঋণ দিলেও তারা সেই ঋণ ১৪-২০ শতাংশের বেশি সুদে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করবে। অতীতেও তাই হয়েছে। কৃষি ঋণ বিতরণে এনজিও নির্ভরতা কমানোসহ ব্যাংকগুলো যাতে সরাসরি কৃষকদের ‘গ্রুপ গ্যারান্টি স্কীম’ এর মাধ্যমে ঋণ প্রদান করতে পারে সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া দরকার। কৃষির সুপ্ত সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে হলে কৃষিঋণের সুদ কমানোর সাথে সাথে ঋণ প্রাপ্তি সহজিকরণ করা এবং প্রকৃত কৃষি উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণ পৌঁছানোটা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, কৃষি ঋণের সিংহভাগ নিয়ে যায় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা ও কর্মিরা। লক্ষ্য করলে দেখবেন আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের বড় অংশই নিজেদের আয়কর ফাইলে পেশা হিসেবে ‘কৃষি’ উল্লেখ করে থাকেন এবং কৃষি ঋণটাও তারাই নিয়ে থাকেন। আমাদের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকরা কৃষি ঋণের সুবিধা থেকে প্রায়শই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তাই তাদেরকে কিভাবে সুবিধা দেয়া যায় তার জন্য পরিকল্পনা থাকা দরকার। যেমন সরকার এবার পূর্বের তুলনায় অধিক পরিমাণে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। দামটাও আগের তুলনায় ভাল। এবার যদি সরকার তাদের ঘোষণামত ধান-চাল ক্রয় করে তাহলে কৃষক লাভবান হবে। এই ধরনের প্রণোদনামূলক আরও কি কি কর্মসূচি নেয়া যায় তা ভেবে দেখা প্রয়োজন। 
সরকার আন্তরিক হলে এবং তদারকি জোরদার হলে কৃষকরা যে লাভবান হতে পারেন তার প্রমাণ আমরা দেখি দেশের বোরো ধানের খনি হাওর অঞ্চলে। এটা সকলেরই জানা যে, দেশে যে পরিমাণ বোরো ধান উৎপাদিত হয় তার বড় একটা অংশ উৎপাদিত হয় এই হাওর অঞ্চলে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নজরদারি এবং তৎপরতার কারণে এবার আগাম বন্যায় হাওরের ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা নেই। কারণ সেখানে ১৫-২০ দিন আগেই পাকে এমন জাতের ধান চাষে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিক সংকটের কথা চিন্তা করে, দ্রুততার সাথে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে সহযোগিতার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার মেশিন দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রী হাওরে ধান কাটা উদ্বোধন করতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, “আজ দিগন্ত বিস্তৃত হাওরে সোনার ধানের যে অপরূপ হাসি দেখা যাচ্ছে, দেশের কৃষকের মুখেও সে রকম অমলিন হাসি ধরে রাখতে চায় সরকার।” কৃষিকে লাভজনক ও কৃষকের জীবনমান উন্নত করতে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ত্বরান্বিত করতে ভর্তুকিতে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন যন্ত্র সরবরাহের যে উদ্যোগ নিয়েছে তাকে এগিয়ে নেয়া এবং সারাদেশে তা দ্রুত ছড়িয়ে দেয়া দরকার। সরকার যদি কৃষকের পাশে দাঁড়ায়, কৃষকও সরকারকে ফিরিয়ে দিবে না! আমরা সকলেই জানি, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য খাদ্যশস্য উৎপাদন ছিল ১ কোটি ১০ লাখ মেট্রিক টন। গত ৫০ বছরে দেশে মানুষ বেড়েছে দুইগুণেরও বেশি, আর আবাদি জমি কমেছে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ অথচ দেশে এখন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে প্রায় চারগুণ। এই অসম্ভব সাফল্য অর্জনের কারিগর আমাদের কৃষক সমাজের মুখে হাসি ফোটাতে হবে, তাদেরকে মর্যাদা দিতে হবে। কৃষির সাথে জড়িতদের ‘চাষা’ বলে গালি দেয়ার যে অভ্যাস রয়েছে তা বদলানোর উদ্যোগ নিতে হবে। আমি তো প্রস্তাব করি, প্রত্যেক উপজেলায় যেভাবে শ্রেষ্ঠ নারীদের ‘জয়িতা’ ঘোষণা দেয়া হয়, যেভাবে যুবদের ‘শ্রেষ্ঠ যুব’ পদক দেয়া হয়, ঠিক তেমনিভাবে শ্রেষ্ঠ কৃষকদের ‘শ্রেষ্ঠ চাষা’ পদক দেয়া হোক। মানুষ দেখুক, বুঝুক, চাষা হওয়াটা আসলে মর্যাদার ব্যাপার। যাঁরা ‘শ্রেষ্ঠ চাষা’ পদকে ভূষিত হবেন তাদের কতগুলো বিশেষ সুবিধা বা মর্যাদা দেয়া হোক। যেমন জাতীয় দিবস ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানাদিতে তাদের দাওয়াত দেয়া হবে। তারা সরকারের কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন কমিটিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সদস্য নির্বাচিত হবেন, ইত্যাদি।  সর্বোপরি, তারা যেন কৃষি ঋণ প্রাপ্তি এবং কৃষি ক্লাব গঠনে সরকারের কাছে সুবিধা পেতে পারেন সেই সুযোগ দেয়া যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, দেশের সকল প্রান্তজনীয় কৃষককে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অন্তর্ভূক্ত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে ১০ টাকায় হিসাব খোলার যে সুযোগ সরকার তৈরি করেছে তার সদ্ব্যবহার আমরা করতে পারিনি। এ ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে উৎসাহ কেন কম তা বোঝা দরকার। কেন সাধারণ মানুষ ব্যাংকে যেতে ভয় পায়, তাদের সেই ভয় দূর করার আছে কি কোন উপায়? আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভাবতে হবে কিভাবে তারা প্রান্তজনদের মনে ভরসা জাগিয়ে তুলতে পারে। 
ভাতে মাছে বাঙালি। আমাদের খাদ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভাত যার উৎস চাল। সরকারের কৃষি সম্পর্কিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান (নার্স) এর গবেষণা অনুযায়ী, জনসংখ্যা বর্তমান হারে বৃদ্ধি পেতে থাকলে আগামী ২০২৫ সালে বাংলাদেশের লোক সংখ্যা দাঁড়াবে ১৯ কোটি এবং ন্যুনতম চালের প্রয়োজন হবে ৩ কোটি ১৫ লাখ মেট্রিক টন। আর ২০৫০ সালে লোকসংখ্যা দাঁড়াবে ২৫ কোটি এবং চালের চাহিদা দাঁড়াবে ৪ কোটি ২৫ লাখ মেট্রিক টন। অথচ ২০২৫ সালে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমে দাঁড়াবে ৬৯ লাখ হেক্টরে এবং ২০৫০ সালে যা হবে মাত্র ৪৮ লাখ হেক্টর। সুতরাং এত অল্প পরিমাণ চাষযোগ্য জমিতে ৪.২৫ কোটি মেট্রিক টন চাল উৎপাদন করা হবে একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। কিন্তু কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের মধ্যে খাদ্য ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, ভাতের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অন্যান্য খাবারের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব। এর জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না’ - নীতির যথাযথ বাস্তবায়নে সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। 
বঙ্গবন্ধু’র সোনার বাংলায় একজন মানুষও ক্ষুধার্ত থাকবে না, সকলেই উন্নত জীবনমানের অধিকারী হবে এই স্বপ্ন পূরণে সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। সামনে ঈদ উৎসব। করোনাকালের এই উৎসবে বাহুল্য খরচ কমিয়ে বরং সুবিধাবঞ্চিতদের মুখে হাসি ফোঁটানোর জন্য সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হবেন -এটাই অনুরোধ করি। ধন্যবাদ। 
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯