কৃষকের কল্যাণে ‘বিশেষ প্রণোদনা তহবিল’ গঠন করুন

OnlineStaff OnlineStaff
প্রকাশিত: ০৭:৩১ এএম, ০৫ মার্চ ২০২১

আতাউর রহমান মিটন :মহান স্বাধীনতার মাস মার্চ শুরু হয়েছে। মার্চ মানেই স্বাধীনতা, মার্চ মানেই যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। মার্চ মানেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন পালন। মার্চ মানেই শোষণের জিঞ্জির ছিঁড়ে লাল সবুজের পতাকা হাতে ছুটে চলা! ক্যালেন্ডারের পাতায় প্রতি বছরই মার্চ আসে। কিন্তু ২০২১ সালের মার্চ অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে আলাদা। বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত করোনার দাপট সত্ত্বেও এবারের মার্চ পালিত হতে হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে। আমরা জানি, গত বছর ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা সনাক্ত হওয়ার পরে সরকারের পক্ষ থেকে মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানাদি সংক্ষিপ্ত করা হয়, ২৫ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাতিল হয় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানও। দেশ এখনও করোনামুক্ত না হলেও বীর বাঙালি এবারের মার্চে নানামুখী উদ্যোগ হাতে নিবে, উৎসবের রঙে রাঙিয়ে দেবে হতাশার কালো দেয়াল। 
এবারের স্বাধীনতা দিবসে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ হলো দেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি কর্তৃক ৭ই মার্চ উদযাপনের সিদ্ধান্ত এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো। গত শনিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। এটি একটি অনন্য সাধারণ ঘটনা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃবৃন্দ নিঃসন্দেহে তাদের এই ইতিবাচক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও আচরণের জন্য দেশবাসীর কৃতজ্ঞতা প্রত্যাশা করতে পারেন। সংঘাত নয়, দেশের মানুষ ইতিবাচক রাজনীতির এই ধারাটিকে সমুন্নত দেখতে চায়, সব সময়। 
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সকল সংগ্রামী সেনানী, সকল শহীদ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলার মুক্তিকামী আপামর মেহনতি মানুষ আজ গর্বিত, উৎফুল্ল ও আনন্দিত যে বাংলাদেশ রাষ্ট্র দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলির তুলনায় ঈর্ষনীয়ভাবে উন্নতি করছে। সম্প্রতি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “এর কৃতিত্ব এ দেশের আপামর জনসাধারণের। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এ মাইলফলক অর্জন করেছি।” তিনি এ অর্জন দেশের নতুন প্রজন্মকে উৎসর্গ করেছেন। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা এবং বদান্যতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আশাকরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণের মাথাপিছু আয়ের ‘গড় সূচক’ এর উন্নতির সাথে সাথে সাধারণ মানুষের জীবনমানের প্রকৃত উন্নয়ন (খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা) সাধনকে অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করবেন। তিনি যথার্থই বলেছেন, “আমরা কারও মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব। আত্মমর্যাদা নিয়ে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলব।” আমাদের কেবল মধ্যম আয়ের দেশ হওয়া নয়, দেশের সকল মানুষ যাতে ন্যুনপক্ষে মধ্যমমানের জীবনমান অর্জন করতে পারে সেজন্য উন্নয়নের সুফল সুষমভাবে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য সুপরিকল্পনা গ্রহণ করার অনুরোধ জানাই। 
মাথাপিছু আয় আমাদের বাড়ছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আয় বৈষম্য বাড়ছে তার চেয়েও দ্রুত। বিশেষ করে যারা গ্রামে থাকেন, যাদের জীবন আবর্তিত হয় কৃষিকে ঘিরে বাংলার সেই কৃষক ও কৃষি নির্ভর প্রান্তজনীয় মানুষদের জীবনমানের টেকসই পরিবর্তনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে ১ মার্চ ১৯৭২ সালে মস্কোতে এক নৈশভোজে দেয়া বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, “আমরা বহুমূল্যে রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কিন্তু তা রক্ষা করতে হলে দারিদ্র্য, রোগব্যাধি ও অনাহারের বিরুদ্ধে সংগ্রামে জয়লাভ করতে হবে।” আমরা বিশ্বাস করি বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু’র এই আকাঙ্খা ও উপলব্ধিকে বিবেচনায় নিয়ে সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করছে। আমরা এখন অনাহারকে হয়তো জয় করেছি কিন্তু ২১২২ কিলোক্যালরি’র নীচে খাদ্য গ্রহণকারী জনগোষ্ঠীর সংখ্যাটা এখনও অনেক বেশি। বিশেষ করে গ্রামীণ নারী ও শিশুদের মধ্যে নানা কারণে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কম। আয় বাড়লেও বেশিরভাগ সময়ই পরিবারের নারী ও শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় না। যেটা বাড়ে সেটা হচ্ছে প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণের পরিমাণ। বিশেষজ্ঞগণ বলেন, টেষ্টিং সল্টসহ আরও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত প্যাকেটজাত খাবারগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক। ফলে আয় বাড়লেও রোগব্যাধি থেকে আমরা মুক্তি পাচ্ছি না। মনে রাখতে হবে, ‘টাকা দিয়ে চিকিৎসা কেনা সম্ভব, সুস্বাস্থ্য নয়’। 
আমরা উন্নতি করছি, আমাদের আয় বাড়ছে, আমাদের গড় আয়ূ বাড়ছে, আমাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হচ্ছে - এগুলো সবই সঠিক। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে দেশে হাসপাতালের সংখ্যা, ওষুধের দোকানের সংখ্যা এবং মাথাপিছু ওষুধ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ছে। এটাকে নিশ্চয়ই আমরা সুস্থ সমাজের সহায়ক হিসেবে গণ্য করব না। আমাদেরকে টেকসই পরিবর্তনের জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের কৃষি ও পল্লী উন্নয়নকে অন্যতম জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করে সেখানে নানামুখী উদ্যোগ প্রবাহ তৈরি করতে হবে। ঢাকা শহরের যানজট নিরসনের জন্য আমরা বিশাল বাজেটের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করতে পারলে প্রত্যেক ইউনিয়নের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পল্লী উন্নয়নের জন্য কেন বিশেষ বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে পারব না? এখন তো আমাদের টাকার কোন অভাব নেই! 
বাংলাদেশের কৃষি ও কৃষকের বুকের ওপর জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসে আছে পুঁজির সংকট। আমাদের কৃষকেরা সিংহভাগই ক্ষুদ্র কৃষক এবং তাদের অবস্থা ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ এর মত। তারা একটা ফসল বিক্রি করে ঋণ শোধ করে আবার ঋণ নিয়ে আরেকটা ফসলের আবাদ করে। ফলে ঋণের চক্র থেকে সে বেরও হতে পারে না, কিংবা ঋণ নির্ভর না হয়েও সে চলতে পারে না। অথচ এই প্রান্তজনীয় কৃষকেরাই ছিলেন বঙ্গবন্ধু’র প্রাণের মানুষ! তিনি তাঁর প্রায় সকল বক্তৃতাতেই এই অসহায় কৃষককূলের মুক্তির কথা বলেছেন। বাংলার অবিসংবাদিত এই নেতা, বলেছেন, “আমার এ স্বাধীনতা ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি বাংলার মানুষ খেতে না পায়,”। তিনি আরও বলেছেন, “আমাদের সমাজে চাষীরা হলো সবচেয়ে দুঃখী ও নির্যাতিত শ্রেণি এবং তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য আমাদের উদ্যোগের বিরাট অংশ অবশ্যই তাদের পেছনে নিয়োজিত করতে হবে”। বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের ফলে আজ যারা অঢেল ধন-সম্পদের মালিক হয়েছেন, যারা বিশাল বিশাল টাওয়ার ভবন গড়ে তুলেছেন, তাদের কাছে অনুরোধ আপনারা আপনাদের সম্পদের কিয়দাংশ এদেশের কৃষি ও কৃষকের জন্য বিনিয়োগ করুন। বাংলার কৃষক ভিক্ষা চায় না, অধিকারটুকু নিশ্চিত দেখতে চায়। তারা দয়া চায় না, সহায়ক পরিবেশ চায়। আপনারা বিনিয়োগ করুন যাতে কৃষক লাভবান হতে পারে আপনাদের সাথে নিয়েই। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, করোনাকালেও আমাদের কৃষকেরা তাদের পরিশ্রম বন্ধ রাখেনি। যার কারণে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান, চার বারের বন্যা সত্ত্বেও বাংলাদেশের মানুষ তেমন কোন খাদ্য সংকটে পড়েনি। কিন্তু যে কৃষক সমাজ তাদের শ্রমে-ঘামে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন তাদের ভালভাবে টিকে থাকার নিরাপত্তা দিতে আমাদের কার্পণ্য থাকাটা কাম্য নয়। দেশের ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানসহ মাইক্রোক্রেডিট সংস্থাগুলো কৃষককে ঋণ দিতে এখন এগিয়ে আসছেন বটে কিন্তু তাদের ঋণের সুদের হার এখনও বেশি এবং পুরো প্রক্রিয়াটা এখনও জটিল। যদিও কোন কোন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠান একটু ভিন্নমাত্রায়, একটু কৃষকবান্ধব হয়ে এগিয়ে আসার চেষ্টা করছেন বটে কিন্তু পুরো কৃষক সমাজের প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই কম। এখানে প্রচুর কাজ করার আছে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে কৃষিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সরকারের কৃষিনীতি অনুযায়ী কৃষিকে রপ্তানিমুখি ও বাণিজ্যিক করতে হলে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বিরাজমান আর্থিক সহায়তার অভাব পূরণে সরকারকে কাজ করতে হবে। দেশের প্রান্তজনীয় কৃষকেরা কেন মনে করবেন যে, তাদের দেখার কেউ নাই, তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই, সুতরাং তারা কখনো বানে ভেসে যাবে, কখনো খরায় পুড়ে যাবে অথবা কখনো ঝড়ে ভেঙ্গে যাবে?  
মহান স্বাধীনতার এই মাসে, মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তীর এই বছরে এবং নিঃসন্দেহে বঙ্গবন্ধু’র জন্মশতবর্ষে এদেশের কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সহজ শর্তে ঋণের সুবিধা দিতে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আমি কৃষকদের জন্য প্রণোদনা চাই। এ বছরের বাজেটে কৃষকদের কল্যাণে ২-৪% সুদে ‘বিশেষ প্রণোদনা তহবিল’ গঠনের প্রস্তাব করছি যা ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এর ফলে আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতি টেকসইভাবে দাঁড়িয়ে যাবে যা উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গঠনের সাথে সাথে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হবার স্বপ্ন পূরণে ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। ব্যাংকগুলো এখন এনজিওদের কৃষি ঋণ দেয় ৮-৯% হারে। সেই ঋণের টাকা নিয়ে এসে এনজিওরা ঋণ বিতরণ করে যার সুদের হার ১৯-২৬% পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটা বন্ধ করা দরকার। কিভাবে সেটা করা যাবে তা সরকারকেই ঠিক করতে হবে। সরকার চাইলে এ ব্যাপারে আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে। নিশ্চয়ই দেশের চিন্তাশীল মানুষেরা সরকারকে সুপরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবে। 
বঙ্গবন্ধু’র জন্ম শতবর্ষ ও মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতির জন্য সরকারের উপহার হতে পারে স্বল্প সুদে ‘বিশেষ কৃষি প্রণোদনা তহবিল’ গঠন এবং ২০২৪ সাল পর্যন্ত তা পরিচালনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা। আগামী জুন মাসে যে বাজেট হতে যাচ্ছে সেই বাজেটে এমন একটি ঘোষণা আসুক সরকারের কাছে সেই অনুরোধ করছি। মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশের শিক্ষিত তরুণ সমাজ এখনও কৃষিমুখীন বা গ্রামমুখীন নয়। সবাই এখন বিদেশ যেতে চায় অথবা নিজেদের মেধা বিক্রি করতে চায় কর্পোরেটদের কাছে। উদ্যোক্তা হতে ভয় পায় আমাদের তরুণ সমাজ। এই তরুণদের বহুজনের সাথে কথা বলে আমি দুটো সমস্যা খুব বড়ভাবে উপলব্ধি করেছি। এক. তরুণরা জানে না কিভাবে ব্যবসা শুরু করতে হয় বা কিভাবে উদ্যোক্তা হতে হয়, দুই. উদ্যোক্তা হতে হলে পুঁজি পাবে কোথায়? কে দাঁড়াবে পাশে? আকাশ জুড়ে থাকা এই ভয়ের মেঘের আড়ালেই যে ভরসার সুবর্ণ রেখা হাসছে সেটা তাদের কেউ দেখিয়ে দিচ্ছে না। এখানে কাজ করা দরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে। তিনি দেশের যুবকদের উদ্যোক্তা হতে আহ্বান জানিয়েছেন। সবই চমৎকার। এখন এই উদ্যোক্তাদের একটু সহায়তা দেয়ার পরিবেশ তৈরী করুন। তরুণরা যেন কৃষিতে উদ্যোক্তা হয়, তারা যেন গ্রামের সম্পদকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করতে পারে, ব্যাংক যেন সহজ শর্তে তার পাশে এসে ‘ভরসার নতুন জানালা’ খুলে দেয়, সেটা নিশ্চিত করার দাবী জানাই। কৃষি ও কৃষক বাঁচলে বাঁচবে বাংলাদেশ! পূর্ণতা পাবে আমাদের স্বাধীনতা! মহান মুক্তিসংগ্রামীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধায় আজকের মত বিদায়! 
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯