দীর্ঘ ছুটিতে নিভছে ভবিষ্যতের বাতি

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৭:৫২ এএম, ২০ জানুয়ারি ২০২১

আতাউর রহমান মিটন: বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অতিক্রান্ত হচ্ছে বিশেষ কোন দুর্ঘটনা ছাড়াই। ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বহু স্থানে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও বাংলাদেশে এই সংখ্যা স্থিতিশীল, কোন কোনদিন সংক্রমণের হারও পূর্বের তুলনায় কম। সাধারণের মন্তব্য আমাদের জনগণ ‘ইমুনাইজড’ হয়েছে বা তাদের মধ্যে এন্ডিবডি তৈরী হয়েছে। এটা সত্যিই আশা জাগানিয়া, মনে সাহস তৈরী করে। তবে কেবল এই অন্ধ আশা বা বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে থাকা চলবে না। আমাদেরকে আত্মরক্ষার সকল ব্যবস্থাই গ্রহণ করতে হবে। ‘আপনা মাঝে শক্তি ধরো’ - এটাই হোক ব্রত সবার! করোনাকালে দেশের প্রায় সবকিছুই খোলা থাকলেও একমাত্র ব্যতিক্রম কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। নতুন করে সরকার দেশের সকল  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে। জানি না, এটা আবারও বাড়বে কি না? যদিও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান বলেছেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে ছুটি বাড়াতেই হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে খুলে দেয়া হবে।’ এই “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ” কথাটার কোন ব্যাখ্যা অবশ্য কারো কাছেই নেই। কওমী মাদ্রাসা খোলা এবং গ্রামে গ্রামে ছেলেমেয়েরা এখন কওমী মাদ্রাসাগুলোতে ভর্তি হচ্ছে বলে শুনেছি। মাদ্রাসায় করোনা ভয় নাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আছে - এর বিজ্ঞানটা আসলে কী? কারও কাছে কি এর কোন ব্যাখ্যা আছে?

একটা সময় ছিল যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছেলেমেয়েরা ছুটি’র সংবাদে নেচে উঠতো। মনে সুর বাজতো ‘আহা কি আনন্দ, আকাশে, বাতাসে!’ কিন্তু এখন সবাই ত্যক্ত-বিরক্ত। আর ছুটি সহ্য হচ্ছে না। এভাবে আর কতদিন! এভাবে লেখাপড়া ছেড়ে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হৈ-হুল্লোড় বঞ্চিত হয়ে ঘরের ভেতরে শিক্ষা বিমুখ এক অন্ধকার জীবনের পথে দিনে দিনে এগিয়ে চলা প্রায় সকলেরই অসহ্য হয়ে উঠেছে। কেউ কেউ বলেন, শিক্ষকরা খুব মজায় আছেন। তারা কোন কাজ না করেই বসে বসে বেতন নিচ্ছেন। কিন্তু সেটাও মনে হয় সঠিক নয়। দেশের বেশিরভাগ শিক্ষকই চান আবার শিক্ষাঙ্গনে ফিরে আসতে। এই বদ্ধদশা তাদেরও ভাল লাগছে না। সবাই প্রহর গুণছেন সেই শুভ সংবাদটি শোনার যে, ‘... তারিখ থেকে পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে’। কখন সেই সুমধুর বাক্যটি কানে ভেসে আসবে সেটাই এখনকার অপেক্ষা!

করোনার ভয়ে এভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তটা কি সঠিক? এ নিয়ে নিশ্চিতভাবেই মতভিন্নতা রয়েছে। একদল মনে করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়েছে এবং আরেক দল রয়েছে যারা বলছেন সবকিছু চালু রেখে কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে কি লাভ? কোন পক্ষ দলে ভারী তা জানার কোন উপায় নেই, তবে ক্ষমতার পাল্লাটা যে বন্ধের দিকে ঝুঁকে আছে সেটা বলাই বাহুল্য। তাই শিক্ষানুরাগী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন যে, দয়া করে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করুন। এভাবে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নষ্ট হতে দিবেন না, প্লিজ!
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটির ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকাসক্তি বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে একটি দীর্ঘ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘মাদকের ছোবল ছুটির অবসরে’ শিরোনামে গত ১৬ জানুয়ারি প্রকাশিত দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “পুলিশ ও র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, করোনাকালে দেশের প্রতিটি এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকাসক্তের সংখ্যা বাড়ছে।” পত্রিকাটি নিজেরাও ঢাকা ও ঢাকার বাইরের অন্তত ৩০ শিক্ষার্থীর ইয়াবা আসক্তির তথ্য অনুসন্ধান করে দেখেছে যে, তারা ছুটিতে বাসাবাড়িতে ফিরে গেছে। এদের কয়েকজনের অভিভাবক বলেছেন, ‘কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের সব সময় চোখে চোখে রাখা যায় না। এ সুযোগে তারা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে।’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘এক অভিভাবক কান্নাকাটি করে বলছিলেন, করোনা সব শেষ করে দিয়েছে তাঁর। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ছেলেকে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান। সেই ছেলে এখন ইয়াবায় আসক্ত। এই ছেলে কি আর পরিবারকে কিছু দিতে পারবে?’
বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, দেশের মাদকাসক্তি কেন্দ্রগুলোতে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। মাদকাসক্তির সাথে সাথে দেশে বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতাও। অপরাধ বিজ্ঞানীদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে আরও দেরী হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও হতাশা আরও বাড়তে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে জাতির এক অপূরণীয় ক্ষতি হবার আশঙ্কা রয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সরকার, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদসহ শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নিয়ে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার একটি কর্মকৌশল ঠিক করা দরকার। এভাবে চলতে পারে না, চলতে দেয়া যায় না। শুধু মুখে মুখে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি’র হুঙ্কার দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকাসক্তি ঠেকানো যাবে না। অনলাইনে শিক্ষাদানের যে চেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে তা উদ্দেশ্যগতভাবে মহৎ হলেও কারিগরী বাস্তবতা বিবেচনায় একটি ব্যর্থ প্রয়াসে পরিণত হয়েছে। ‘অটো পাশ’ এর যে উদাহরণ সৃষ্টি করা হলো তা কি ভাল? শিক্ষার্থীরা নিজেরাও কি এটা চেয়েছে? তারা কি এর জন্য গর্বিত? সরকারের সিদ্ধান্তে ‘অটো পাশ’ দেয়া হয়েছে অথচ তার গ্লানি কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থীকে বয়ে বেড়াতে হবে আজীবন! এতে কারোরই কোন উপকার হচ্ছে না বরং ধ্বংস হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ।

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনে কত শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা লাভ করতে পারছে? কতজনের বাড়িতে টিভি আছে? কতজনের কাছে স্মার্ট ফোন আছে? ইন্টারনেট সেবা নিতে হলে খরচ কত? কে যোগাবে সে খরচ? আর দেশে বর্তমানে যে ইন্টারনেট সেবা বিদ্যমান তা কতখানি কার্যকর? ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন যে, ইন্টারনেট এর গতি অস্থিতিশীল। ইন্টারনেট এর দাম নিয়ন্ত্রণ ও সেবার মান নিয়ে প্রতারণা বন্ধে আমরা কি সফল হচ্ছি? ঢাকা এবং বড় বড় শহরগুলোতে কিছুটা ভাল সেবা পাওয়া গেলেও দেশের বেশিরভাগ এলাকাতেই উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য নয়। সরকারের কাছে ব্যান্ডউইথ পর্যাপ্ত থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে না ওঠায় এবং দামের কারণে দেশের প্রান্তজনেরা তাদের সন্তানদের এই সেবা নিয়ে অনলাইনে লেখাপড়া করার সুযোগ নিশ্চিত করতে পারছে না। ফলে শহরের আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবারের তুলনায় সমস্যায় থাকা পরিবারের সন্তানদের লেখাপড়া প্রায় বন্ধ, ভবিষ্যত প্রায় অন্ধকারে ঢেকে যাবার দশা হয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় পৌনে ৩ কোটি। এর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। আর উচ্চশিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৪১ লাখ। এদের প্রায় সকলেই আজ তাদের বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নিজেদের শিক্ষাজীবন নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা জানে না, কি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। নীরব ঘাতকের মত বন্ধ হওয়া শিক্ষা জীবন আমাদের শিক্ষার্থীদের শেষ করে ফেলছে, নিভে যাচ্ছে তাদের আশার প্রদীপ। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য উদ্যোগ নিতে হবে এখনই।

সম্প্রতি ব্র্যাকের এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাকালে ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থীই টেলিভিশন ক্লাসে অংশ নেয়নি। অংশ না নেয়া এই শিক্ষার্থীদের ৭১ শতাংশই বলেছে তাদের বাড়িতে টিভি, ডিস সংযোগ বা ইন্টারনেট নেই। ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণেও ক্লাসে অংশ নিতে পারছে না অনেক শিক্ষার্থী। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার জনবল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি থাকার দাবি করলেও ভোক্তা পর্যায়ে সেবা মিলছে না এটাই সত্য। একটা কঠোর নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণের অভাব বোধ হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে বাড়তে পারে বাল্যবিবাহ এবং বিভিন্ন ধরনের শিশু নির্যাতন।

নিঃসন্দেহে করোনা সংক্রমণের ফলে শিক্ষা জীবনে নেমে আসা এই দুর্যোগ নজিরবিহীন। শুধু শিক্ষাখাতই নয়, করোনায় ওলোট-পালোট হয়েছে প্রায় সকল ক্ষেত্রই। মানুষের মনোজগতে বৃদ্ধি পাওয়া উদ্বেগ, হতাশা ও বিশ্বাসহীনতায় বেড়ে গেছে বিবাহ বিচ্ছেদ। করোনাকালে কেবল ঢাকাতেই প্রতিদিন ৩৯টি তালাকের ঘটনা ঘটেছে যা প্রতি ৩৭ মিনিটে একটি। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যাটা প্রায় দ্বিগুণ। মানসিক, আর্থিক, সামাজিক ইত্যাদি প্রায় সকল ক্ষেত্রেই সৃষ্টি হওয়া সঙ্কট এর অন্যতম কারণ বলে সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ সন্তানদের শিক্ষাজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত যেমন করছে তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সন্তানদের বাড়িতে রেখে দেখাশোনা ও শিক্ষাদানের মত বাড়তি চাপ মেটাতেও হিমশিম খাচ্ছে অনেক দম্পতি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে এটা হয়তো কিছুটা কম হতো।   

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কেবল শিক্ষালাভই নয়, একজন শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও বিরাট প্রভাব বিস্তার করে। সরকারের দাবী অনুযায়ী দেশের অর্ধেক শিক্ষার্থী যদি অনলাইনে অংশ নিয়ে থাকে তাহলেও কথাটা দাঁড়াচ্ছে যে, প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী অনলাইনেও শিক্ষা নিতে পারছে না। তাহলে তাদের শিক্ষা না পাওয়ার দায় কার? শিক্ষা সকলের মৌলিক অধিকার এবং সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার পূরণের দায়িত্ব সরকারের। টেলিভিশন বা বেতারের একমুখী শিক্ষা, সেখানে প্রশ্ন করার কোন সুযোগ নেই, পাঠ না বুঝলে বলার কোন উপায় নেই, এতে কি শিক্ষা হয়? শিক্ষার্থীরা কি তাতে আনন্দ পায়? আনন্দহীন এই একমুখীন শিক্ষাদানের প্রয়াস কতখানি ফলপ্রসু?

একদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অনলাইনে বাড়তি টাকা খরচ করে শিক্ষালাভের চেষ্টা আর অন্যদিকে বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে-বেনামে অর্থ আদায়ের চেষ্টা। অভিভাবকের জন্য এ যেন নতুন এক ‘বিষ ফোঁড়া’! শিক্ষকদেরই বা উপায় কী? দেশের যে সকল শিক্ষার্থী এমপিওভুক্ত নন, যারা শিক্ষার্থীদের বেতনের উপরই নির্ভরশীল, তাদের তো বেঁচে থাকতে হবে। আয়ের পথ বন্ধ হলে তারাই বা কোথায় যাবেন? যতটুকু শুনেছি, নন -এমপিওভুক্ত বেসরকারী শিক্ষকরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্থিক প্রণোদনার আবেদন করেছিলেন কিন্তু কোন সাড়া পাননি। এটিও একটি জরুরি মানবিক বিষয়। এই শিক্ষকদের দিকেও সরকারকে তাকাতে হবে। আয় বঞ্চিত হয়ে এই শিক্ষকেরা কি আজ পথে গিয়ে দাঁড়াবেন?
সুতরাং পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেভাবে অন্যন্য সেক্টর খুলে দেয়া হয়েছে সেই একই অভিজ্ঞতা থেকে, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য বিধি মেনে সীমিত পরিসরে হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা দরকার। শুনেছি মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরী করা হয়েছে। নির্দেশ পেলেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব। অভিভাবক ও স্থানীয় সমাজকে সাথে নিয়ে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে নিজেদের সুরক্ষা পরিকল্পনা তৈরী করে অগ্রসর হতে পারে। আশাকরি সম্মিলিত প্রয়াসে মেঘ কেটে যাবে! আড়ালে লুকিয়ে থাকা সূর্যটা তার আলোয় আবার উদ্ভাসিত করবে চারিদিক।
লেখক : সংগঠক-প্রাবন্ধিক
[email protected]
০১৭১১-৫২৬৯৭৯