সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চাই

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৬:১২ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০২০

 মোহাম্মদ নজাবত আলী: স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছরে শিক্ষায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, সুশিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরি হচ্ছে না। আমাদের মনে রাখা দরকার পাশ করা বা সার্টিফিকেট অর্জন করা ও সুশিক্ষিত হওয়া এক কথা নয়। আমরা যেমন শিক্ষিত জনগোষ্ঠী চাই তেমনি সুশিক্ষায় স্বশিক্ষিত মানুষও চাই। এশ্রেণির মানুষের কথায় বঙ্গবন্ধু বলেছেন, সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, আমাদের শিক্ষিত উচ্চতর ডিগ্রী রয়েছে অথচ সুশিক্ষায় সোনার মানুষ হতে পারিনি। নানা অপকর্ম, অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে যেসব শিক্ষিত ব্যক্তি জড়িত। তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে, শিক্ষা থেকে সুশিক্ষা কতদূর?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হয়েছে তারা কেন দুর্নীতি করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে আমি অত্যন্ত বিনয়ের সাথে দ্বিমত পোষণ করি। কেননা বেতন ভাতা কমবেশির সাথে দুর্নীতির কোনো সম্পর্ক নেই। এটা মনের ব্যাপার, মানসিকতার ব্যাপার। এ নেতিবাচক মন  ও মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। অতীতে হলমার্ক, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে হালে ক্যাসিনো স্বাস্থ্যখাত  সহ রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতির যে ভয়াবহ চিত্র প্রায়শ গণমাধ্যমে উঠে আসে তা অবাক করার মতো। স্বাস্থ্যখাতের একজন সামান্য ড্রাইভার কীভাবে কোটি কোটি টাকা ও একাধিক বাড়ির মালিক হয়। আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রে দুর্নীতি বিভিন্ন অনিয়ম অপকর্ম ও নেতিবাচক কর্মকান্ড চলছে তা একদিনের নয়। কথায় আছে, পাপ বাপকেও ছাড়েনা। ধরা পড়লে হৈ চৈ শুরু হয় প্রশাসন একটু নড়ে চড়ে বসে। যারা ধরা পড়ছেনা তারাও যে, দুর্নীতি বা বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত নয় এর গ্যারান্টি কোথায়। আসলে রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অভাবে এসব ব্যক্তিরা দুর্নীতি করার সুযোগ পায়। স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ছাড়াও সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের খিচুড়ী কান্ড রেলওয়ে তালা বালতি কেনাসহ বেশ কয়েকটি পুকুর চুরির ঘটনায় দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ পরিস্থিতিতে সরকার প্রশাসনিক দুর্নীতিরোধকল্পে গত ১৭ সেপ্টেম্বর একটি অনুষ্ঠানে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার শপথ নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রতি নিজস্ব উদ্যোগেই “শুদ্ধাচার” ও এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর আগে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার এধরনের হুঁশিয়ারি দিলেও প্রশাসন সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতিবাজদের টনক নড়েনি। তাই সরকারের ভালো অর্জনগুলো যেন দুর্নীতির কারণে নষ্ট না হয় জনগণের আস্থা না হারায় সরকার এখন এ বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর ও দুদকও সতর্ক।
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ আজ ৪৮বছর পেরিয়েছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে কয়েকটি লক্ষ্য ছিল তার মধ্যে অন্যতম শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা। কারণ দুর্নীতিই হচ্ছে সকল উন্নয়নের মূল প্রতিবন্ধক। পৃথিবীর কোনো রাষ্ট্রই শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত নয়। দুর্নীতির গন্ধ সব রাষ্ট্রেই আছে। কিন্তু এই গন্ধ যখন দুর্গন্ধে পরিণত হয় তখন এর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ সোচ্চার হয়। রাষ্ট্র যন্ত্রের সাথে যারা জড়িত তারা শিক্ষিত কেউ উচ্চ শিক্ষিত। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের যে কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিত ব্যক্তিরাই দুর্নীতির সাথে জড়িত। আমরা নিজেদের শিক্ষিত বলে দাবি করি কিন্তু আমরা কতটুকু সুশিক্ষিত কি না মানবিক মূল্যবোধের অধিকারী কি না এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। একজন সৎ নীতি আদর্শবান সুশিক্ষিত ব্যক্তি অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করতে চায় না। বিবেক বাধা দেয়, মনুষ্যত্ব টেনে ধরে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের শিক্ষিত ব্যক্তিদের একাংশ বিভিন্ন অনিয়মের মধ্যে রয়েছে। সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তিরা সুযোগ পেলেই জনগণের অর্থ তছরূপ করে, রাষ্ট্রীয় অর্থ চুরি করে। এদেশের মানুষ খুবই কষ্ট সহিষ্ণু। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষরা বিভিন্নভাবে রাষ্ট্রের অর্থনীতির ভীত শক্ত করছে কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে দেশের অগ্রগতি উন্নয়নে অবদান রাখছে অথচ রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে কিছু দুষ্টচক্র প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধ উপায়ে জনগণের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দুর্নীতি রাষ্ট্রের প্রধানত দু’ধরনের ক্ষতি করে। এক, অবৈধ উপায়ে অর্থ নয়-ছয় করে নিজে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়া জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করে রাষ্ট্রের ক্ষতি করা। দুই, দুর্নীতির চিত্র বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লে সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি যেমন ক্ষুন্ন হয় তেমনি বিদেশি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে শুধু দুর্নীতির অভিযোগের কারণে বাংলাদেশের বৃহৎ পদ্মাসেতু প্রকল্পের অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে পদ্মাসেতুর প্রকল্পে কোনো দুর্নীতি হয়নি তবুও কথিত অভিযোগে বিশ্ব ব্যাংক অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এত বড় একটি প্রকল্প সরকার তার নিজস্ব অর্থায়নে এদেশের মানুষের অর্থে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে যা জাতি হিসেবে আমাদের গৌরবের বিষয়। কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সন্ত্রাস, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিলে দেশের স্থিতিশীলতা যেমন বিনষ্ট হয় তেমনি দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
দুর্নীতি শুধু বাংলাদেশে নয় যে কোনো রাষ্ট্রেই একটি সামাজিক ব্যধি। দেশের অগ্রগতি, ভাবমূর্তি উন্নয়নের প্রতিবন্ধক। তাই যে কোনো রাষ্ট্রই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার। বাংলাদেশও তাই। আবার কোনো রাষ্ট্রই একেবারে দুর্নীতিমুক্ত নয়। প্রতিটি রাষ্ট্রই দুর্নীতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। দুর্নীতির শৃঙ্খল ভাঙতে চায়। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে, জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে একটি সুশাসন ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই। দেশ স্বাধীন হয়েছে, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত সমাজ গঠন জনগণের ভাগ্যেন্নয়নের জন্য দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার জন্য পেছনে ফেরার জন্য নয়। তবে আমাদের দেশ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, যোগাযোগ সহ কয়েকটি ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য চোখে পড়ার মতো। কোনো রাষ্ট্রে যদি স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্রে স্বাভাবিকভাবে নানা অনিয়মের জন্ম নিবে। আইনের শাসন, ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। এ মুহূর্তে বাংলাদেশ অবশ্য সে পথেরই যাত্রী। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ছাড় দিচ্ছেন না। দুর্নীতি রোধের ব্যাপারে তিনি অত্যন্ত কঠোর।
বঙ্গবন্ধু তার এক ভাষণে বলেছিলেন, এদেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ তো দুর্নীতি করে না। দুর্নীতি করে সমাজের উপর তলার মানুষ। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর ও বঙ্গবন্ধুর কথা আজ দিবালোকের মত সত্য। কারণ এদেশের কামার কুমার জেলা মুটে, মজুর, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়। সরকারি বে-সরকারি প্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত যারা আছেন, তাদের মধ্যে অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ যা বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায়। অথচ কৃষক শ্রমিক সহ সমাজের সাধারণ মানুষ যারা বিভিন্ন পেশার সাথে জড়িত থেকে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে এই মানুষগুলোই সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ কখনো গণমাধ্যমে উঠে আসেনি। মূলতঃ আমরা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি। দেশের কথা, সমাজের কথা, কেউ ভাবেনা। সবাই নিজেকে নিয়ে আজ ব্যস্ত। কীভাবে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়। কিন্তু একথা আমরা কখনো ভাবিনা ত্রিশ লাখ মানুষ আত্মাহুতি দিয়েছিল দুর্নীতির জন্য নয়, একটি সমতা ভিত্তিক সমাজ তথা দুর্নীতি শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। সমাজটার পরিবর্তন হোক উন্নতি প্রগতির দিকে দেশ এগিয়ে যাক। যাচ্ছেও তাই। কিন্তু দেশের উন্নয়নে দুর্নীতি বড় বাধা। তাই সরকার যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে তা অব্যাহত রাখতে দুদককে আরো শক্তিশালী ও গতিশীল হওয়া উচিত।     
দূনীতিমুক্ত সমাজ আমাদের সবার কাম্য। অতীতে দুর্নীতির জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন  হয়েছিল। কিন্তু তা থেকে এখনো আমরা পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে পারিনি। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কীভাবে দুর্নীতির বিস্তার ঘটেছে, কীভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ তছনছ হয়েছে, কীভাবে অর্থ লোপাট হয়েছে-কিভাবে দুর্নীতির-নামক বৃক্ষের শিকড় গভীরে প্রোথিত হয়েছে সেটা কারো অজানা নয়। দুর্নীতি যে কোনো রাষ্ট্রে উন্নয়নের প্রধান প্রতিবন্ধক। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে অবশ্যই দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন করতে না পারলে সুশাসন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা দুরূহ হয়ে পড়বে। দলীয় পরিচয়ের উর্ধ্বে উঠে সমাজের এ বিষ বৃক্ষের দানা কাটতে হবে। তাই দুর্নীতি দমন বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতির সাথে জড়িত শিক্ষিতব্যক্তি, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, শিল্প কারখানার মালিক, বিত্তবান সমাজপতি। দুর্নীতি দমন কমিশন রয়েছে। সে দুদকে আরো তীক্ষè দৃষ্টি ও সতর্ক হতে হবে। প্রচলিত বৃত্তের বাইরে তৃণমূল পর্যায়ে আসতে হবে। কেননা আমাদের সমাজে এমন কিছূ মানুষ রয়েছে যা আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে। কোটি কোটি টাকার মালিক, শহরে আলিসান বাড়ি গাড়ীর মালিক কীভাবে সম্ভব ? তাদের আয়ের উৎসই বা কী ? দুদককে তা অনুসন্ধান করা উচিত।
দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে পৃথিবীর প্রত্যেকটি রাষ্ট্রে বিভিন্ন নামে প্রতিষ্ঠান থাকে। বর্তমান বাংলাদেশে দুর্নীতি দমনে যে প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সংক্ষেপে দুদক নামে পরিচিত। আমরা মনে করি দুর্নীতি রোধ কল্পে এ কমিশনের গুরুত্ব অপরিসীম। দুদক বর্তমান স্বাধীন রাজনীতি ও দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়ে আইনের শাসন ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রত্যয়ী। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নানা ত্রুটি বিচ্যুতির মাঝেও দেশের অগ্রগতি উন্নয়ন হচ্ছে, তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হচ্ছে, পদ্মা সেতু সহ বড় বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পথে, শিশু হত্যা সহ বিভিন্ন অপরাধের বিচার হচ্ছে কিন্তু দুর্নীতির দায়ে কে বা কারা জড়িত, প্রকৃত অপরাধী কে তা জনগণ জানতে পারছে। আমরা যেমন সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই, তেমনি দেশের উন্নয়নও। আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই, তেমনি দেশের অগ্রগতিও। আমরা দেখতে চাই টেকসই উন্নয়ন ও গণতন্ত্র।
প্রকৃত বাস্তবতা হচ্ছে এক শ্রেণির শিক্ষিত ব্যক্তিই দুর্নীতি, বিভিন্ন অপকর্ম ও অনিয়মের সাথে জড়িত। প্রকৃত শিক্ষা বা সুশিক্ষার অভাবে তারা ভালো মানুষ হতে পারেনি। দেশপ্রেম, নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গি ও নির্লোভ হতে পারেনি। সুশিক্ষার অভাবে অসদুপায়ে অর্থ উপার্জন তাদের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। তাই এসব শিক্ষিত, অশিক্ষিত দুর্নীতিবাজদের কঠোর হস্তে দমন করতে না পারলে সরকারের ভালো অর্জনগুলো জনগণের মন থেকে মুছে যাবে, নিশ্চয় সরকার সেটা চাইবেনা।   
লেখক ঃ শিক্ষক-কলামিস্ট
০১৭১৯-৫৩৬২৩১