টি-টোয়েন্টি খেলতে আসছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ড

OnlineDesks OnlineDesks
প্রকাশিত: ০৪:৪২ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া আসতে পারে অক্টোবরের শুরুর দিকে, নিউ জিল্যান্ড আসবে এর আগেই। আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর সূচি অনুযায়ী- ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির সিরিজ খেলতে অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে আসবে ইংল্যান্ডও। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের সফর কাছাকাছি সময়ে হতে পারে বলে এই দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশকে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজ হতে পারে।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী জানান, ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে এখনই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে চান না তারা। অস্ট্রেলিয়া আসছে, আপাতত এটাই নিশ্চিত। ইংল্যান্ডের সফর তো এফটিপিতেই আছে। ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে এখনই আমরা কিছু বলতে চাই না। কারণ সব পক্ষের একমত হওয়ার ব্যাপার আছে। সময় আরও কাছাকাছি এগিয়ে এলে অনেক কিছু পরিস্কার হবে। এখই মন্তব্য করার সময় হয়নি। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের আগে নিউ জিল্যান্ডও আসবে টি-টোয়েন্টি খেলতে। ত্রিদেশীয় সিরিজ না হলে বাংলাদেশে ৩টি টি-টোয়েন্টি খেলবে অস্ট্রেলিয়া। নিউ জিল্যান্ডও খেলতে পারে ৩টি টি-টোয়েন্টি। কোনো সিরিজেরই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দুটি টেস্ট খেলতে গত বছর বাংলাদেশে আসার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ডের। কোভিডের প্রকোপে স্থগিত হয়ে যায় দুটি সিরিজই। অস্ট্রেলিয়া পরে বলেছিল, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশে ২০ ওভারের ম্যাচের সিরিজ খেলে কিছুটা পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে তারা। সেটিই এখন বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে অক্টোবর-নভেম্বরে, ভারতে। বাংলাদেশকে খেলতে হবে প্রাথমিক পর্বে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী জানান, স্থগিত হওয়া টেস্ট সিরিজগুলো হওয়ার সম্ভাবনা আর নেই। ম্যাচগুলি তো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ ছিল। সামনের জুনেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। কাজেই ওই ম্যাচগুলি হওয়ার কোনো বাস্তবতা আর নেই। দু-একটি ম্যাচ সিরিজ হয়তো ভবিষ্যতে কোনো কিছু করা সম্ভব, এছাড়া আর সম্ভব নয়। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এখনও পর্যন্ত মাত্র চারটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। পঞ্চমটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার থেকে।

মিয়ানমারে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন

বিক্ষোভে গুলিবিদ্ধ নারী

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করার সময় গুরুতর আহত এক নারীর অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সংবাদমাধ্যম। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানী নেপিডোতে বিক্ষোভ চলাকালে তিনি আঘাত পেয়েছিলেন। এদিন শহরটিতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, রাবার বুলেট ও তাজা গুলি ছুড়েছিল। ওই নারীর মাথায় গুলি লেগেছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার গোষ্ঠী ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

মিয়ানমারে সামরিক জান্তাবিরোধী প্রতিবাদে বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার কথা জানা গেলেও এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী গত সপ্তাহে অং সান সু চির গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে। দেশটিতে সম্প্রতি বড় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা ও রাত্রিকালীন কারফিউ দেওয়া সত্ত্বেও রাজধানী নেপিডো, বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গন, দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়সহ অনেকগুলো শহরে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ চলছে।

আজ বুধবার স্থানীয় সময় সকালে টানা পঞ্চম দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছে; নেপিডোতে বিক্ষোভ করতে বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মচারীকে জড়ো হতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম। আগের দিন পুলিশের জলকামান অগ্রাহ্য করেই বিক্ষোভকারীরা তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন ও পিছু হটতে অস্বীকৃতি জানান। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ এরপর আকাশে গুলি ছুড়ে সাবধান করে এবং পরে বিক্ষোভকারীদের দিকে রাবার বুলেট ছোড়ে বলে খবর পাওয়া গেছে।

চিকিৎসকরা জানান, বিক্ষোভকারীদের দিকে তাজা গুলি ছোড়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন তারা। নেপিডোর একটি হাসপাতালের একজন চিকিৎসক বিবিসিকে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত এক নারী ও বুকে আঘাতপ্রাপ্ত আরেক বিক্ষোভকারীর কথা বলেছেন। আহত ওই নারীকে এখন ‘নিবিড় পর্যবেক্ষণে’ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে- গতকাল বিক্ষোভ দেখানোর সময় ওই নারীর মাথায় ‍গুলি লাগে।