ফুলছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজ দুই বছরেও পুনঃনির্মাণ হয়নি

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৯:৫৯ পিএম, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আমিনুল হক, ফুলছড়ি (গাইবান্ধা): গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যায় বিধ্বস্ত একটি ব্রিজ গত দু’বছরেও পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। ওই পথে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। হালকা যানবাহন বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। ফলে এলাকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য বেচাকেনায় চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছে স্থানীয় কৃষকরা। জানা গেছে, ২০১৯ সালের ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার কাতলামীসহ কয়েকটি এলাকায় ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পানির প্রবল তোড়ে ভেঙে যায়। পানির চাপে উপজেলার ৩৫ কিলোমিটার পাকা রাস্তা এবং উপজেলা সদর থেকে গুণভরি রাস্তায় পাবমারী ব্রিজটি সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়। ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে হয়ে পড়ে। এতে উপজেলা সদরের সাথে কয়েকটি এলাকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর এলজিইডি’র পক্ষ থেকে বন্যায় বিধ্বস্ত ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

 অবশ্য বন্যার পর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাবমারী ব্রিজের স্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে অস্থায়ী ভিত্তিতে মানুষ এবং বাইসাইকেল-মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য হালকা যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিনে চলাচলের ফলে বাঁশের সাঁকোগুলো ইতিমধ্যে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তার ওপর দিয়ে এখন চলাচল করছে। কৃষি পণ্য অন্যত্র আনা নেয়ার ক্ষেত্রে কৃষকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। পূর্ব ছালুয়া গ্রামের মিলু আহমেদ, টিপু সুলতান, সুজন মিয়া, বাকী বিল্লাহসহ বেশ কয়েকজন জানান, ব্রিজটি দুই বছর থেকে ভেঙে পড়ে আছে। নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেই। মানুষের দুর্ভোগ কমছে না।উপজেলা এলজিইডির উপ’সহকারী প্রকৌশলী এমদাদুল হক মোল্লা জানান, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে বন্যার পর ধসে যাওয়া ব্রিজটি পুনঃনির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের অনুমোদন মিললেই ব্রিজটি পুনঃনির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।