দুপচাঁচিয়ায় মালটা চাষে তরুণ মহন্তের সাফল্য

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৯:২৭ পিএম, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া ইউনিয়নের কইল গ্রামের তরুণ মহন্ত (৪৫) মালটার চাষ করে সফলতার মুখ দেখতে চলেছে। তার বাগানে ঝুলছে এখন কাঁচা বড় বড় মালটা। উপজেলার তালোড়া কইল গ্রামের ভানু দাস মহন্তের ছেলে ও একই এলাকার মৃত মোত্তালেব হোসেনের ছেলে ডা. মোত্তাকিনকে সাথে নিয়ে গ্রামের প্রবেশ মুখে সড়কের ধারে ৪৫ শতক জায়গার ওপর মালটা বাগান গড়ে তোলেন। প্রায় এক বছর আগে চুয়াডাঙ্গা থেকে মালটার চারা সংগ্রহ করে বাগানে রোপণ করেন। এখন তার বাগানের প্রায় প্রতিটি গাছে মালটা ঝুলছে। চারদিকে বেড়া দেওয়া এই বাগান সফলতার দ্বার খুলে দিয়েছে। গ্রামের অনেকেই এখন মালটা চালে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এ ব্যাপারে তরুণ মহন্তের জানায়, সে ও একই গ্রামের ডা. মোত্তাকিন যৌথ উদ্যোগে প্রায় ৪৫ শতক জায়গার ওপর এই মালটা ফলের বাগান গড়ে তোলেন। প্রতিটি গাছের চারা কেনা ও পরিচর্যা বাবদ ৩শ’ টাকা খরচ হয়েছে। তার বাগানে ১শ’ ৮৫টি চারা রয়েছে।

বাগানের বেড়া ও আনুসাংগিক খরচসহ সর্বমোট প্রায় ১ লাখ টাকা এই বাগানে খরচ হয়েছে। গাছগুলোতে ফল ধরেছে। তিনি আশা করছেন প্রতিটি গাছে ৫ কেজি করে ফল পাবেন। বাজারের সর্বনি¤œ মূল্য কেজি প্রতি ১শ টাকা হলে সে হিসেবে গাছপ্রতি ৫শ’ টাকা করে আয় হবে। গাছগুলোর বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফলনও বাড়বে। এভাবে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত ফল পাওয়া যাবে বলেও তিনি জানান। খরচের ব্যাপারে তিনি আরও বলেন বছরে দুই বার বাগানে জৈব সার ব্যবহার করতে হয়। আগাছা পরিষ্কার ছাড়া আর কোন খরচ নেই। এতে বাগান থেকে বছরে ২ লাখ টাকার অধিক আয় হবে । উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজেদুল আলম জানান, এ উপজেলায় অন্যান্য চাষাবাদের পাশাপাশি নতুন ভাবে মালটা চাষ হচ্ছে। সফলতাও আসছে। কইল গ্রাম ছাড়াও জিয়ানগর ও দুপচাঁচিয়া সদরের হাটসাজাপুর এলাকায় মালটা বাগান গড়ে উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা ও রোগ প্রতিরোধে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অনেকেই মালটার বাগান দেখে বাগান করার আগ্রহী প্রকাশ করছে।


আরও পড়ুন