সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণ কাজ দেড় বছর পরও শেষ হয়নি

প্রকাশিত: আগস্ট ২০, ২০২০, ০৫:৫০ বিকাল
আপডেট: আগস্ট ২০, ২০২০, ০৫:৫০ বিকাল
আমাদেরকে ফলো করুন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজের নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ের দেড় মাস পরও শেষ হয়নি। প্রকল্প কাজের নক্শা ও সিদ্ধান্ত দফায় দফায় পরিবর্তনের কারণে এর নির্মাণ কাজ যথাসময়ে শেষ করা যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এতে করে সরকারের কারিগরি শিক্ষা প্রসারের যে উদ্যোগ তা ব্যাহত হওয়াসহ নির্মাণ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেও আর্থিক ক্ষতির সম্মূখীন হতে হচ্ছে। জানা গেছে, বর্তমান সরকারের ১শ’ উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ নির্মাণ হচ্ছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে সৈয়দপুর উপজেলা তিন নম্বর বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষণপুর চড়কপাড়ায় দেড় বিঘা জমিতে নির্মিত হচ্ছে কলেজটি। খান এন্ড সন্স বাংলাদেশ লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজটির নির্মাণ কাজ পেয়েছে গত ২০১৭ সালের ৪ জুলাই।

 যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৯ সালের ৪ জানুয়ারি। এরপর আরো দেড় বছর পার হলেও নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি নীলফামারীর সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচতলা একাডেমিক কাম প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ কাজ করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ শ্রমিকরা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ শ্রমিক রাজশাহীর মো. ডালিমের বলেন, কলেজ নির্মাণ কাজ অনেক আগে শেষ হতো কিন্তু বার বার নক্শা পরিবর্তনের কারণে নির্মাণ কাজে মারাত্মক বিঘেœর সৃষ্টি হয়। সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ কাজের তদারকি করছেন দিনাজপুর জোনের আওতাধীন নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ময়নুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের ১শ’ উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী জেলার দুইটি টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ নির্মাণ হচ্ছে। এর মধ্যে একটি জেলার ডিমলা উপজেলা এবং অপর সৈয়দপুর উপজেলায়। সৈয়দপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়