আমনূরায় খালাস হচ্ছে ৪ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজের দুটি ওয়াগন

Staff Reporter Staff Reporter
প্রকাশিত: ০৬:২১ পিএম, ১৫ মে ২০২০

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আমনূরা রেল জংশনে খালাস হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজবাহী দুটি ভারতীয় ওয়াগন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে আমনূরা রেল জংশন মাস্টার খাইরুল ইসলাম বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে দর্শনা থেকে ২ হাজার ৩৬৪ টন পেঁয়াজবাহী ৪০টি ওয়াগনের একটি র‌্যাক (মালগাড়ি বহর)  আমনূরা জংশন এসে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবারই পেঁয়াজ খালাসের কাজ শুরু হয়।  খাইরুল ইসলাম আরও বলেন,দর্শনা থেকে আমনূরা আসা র‌্যাকটি পশ্চিমবঙ্গের গেদে রেলবন্দর থেকে গত বুধবার দর্শনা রেলবন্দর পৌঁছে। এর আগে এটি ভারতের মহারাাষ্ট্রের নাসিকের লাসলগাঁও স্টেশন থেকে গত সোমবার (১১ মে) রওনা হয়। তিনি আরও বলেন, এসব পেঁয়াজের আমদানিকারক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বটতলাহাট এলাকার মানিক হোসেন।

 পাঁচদিন আগে তার আরেকটি পেঁয়াজের র‌্যাক গেদে পথে ঢুকে সিরাজগঞ্জে খালাস হয়। এদিকে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেলবন্দরে একই আমদানিকারকের আরেকটি পেঁয়ঁজের র‌্যাক বিপরীতে ভারতের সিঙ্গাবাদ বন্দর থেকে রহনপুর পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় ওই গাড়িটিও আমনূরা আনা হয়। দর্শনা থেকে আসা র‌্যাকটি খালাস শেষ হলে শুক্রবারই রহনপুর থেকে আসা র‌্যাকটি খালাসের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। একই আমদানিকারকের আরও কয়েকটি পেঁয়াজের র‌্যাক ঈদের পূর্বেই ভারত থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আসার কথা রয়েছে বলেও জানান জংশন মাস্টার খাইরুল ইসলাম। এদিকে রহনপুর রেলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মত আমদানি হয়েছে ভারতীয় পেঁয়াজ। বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া ৪টার সময় ৪২টি মালবাহী ওয়াগনের একটি র‌্যাক ১ হাজার ৬০৬.৯ টন পেঁয়াজ নিয়ে রহনপুর স্টেশনে এসে পৌঁছায়।

 রহনপুর স্টেশনমাস্টার মীর্জা কামরুল হক বলেন, রহনপুর রেলবন্দর পথে ভারত থেকে পাথর,তেলসহ অন্যণ্য আসলেও পেঁয়াজ আমদানির ঘটনা এই প্রথম। এছাড়া নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি চলা রহনপুর-সিঙ্গাবাদ পথ করোনাজনিত বাংলাদেশ ও ভারতে চলমান লকডাউনের কারণে বন্ধ হবার পর প্রথম কোন আমদানি পণ্যবাহী মালগাড়ী ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করল। কামরুল হক বলেন, ভারতের মালদহ থেকে সিঙ্গাবাদ হয়ে আসা ৪২টি পেঁয়াজবাহী ওয়াগন রহনপুর বন্দরে রেখে ভারতীয় ইঞ্জিনসহ চালক ও সহকারীরা ভারত ফিরে গেছেন। এখানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তারা ভারতে ফিরে গিয়ে কোয়ারান্টাইনে থাকবেন। কামরুল হক বলেন,বাংলাদেশী ইঞ্জিন রহনপুর থেকে ওয়াগনটি জেলার সদর উপজেলার আমনূরা জংশন নিয়ে গেছে। সেখানেই পেঁয়াজ খালাস হবে।