বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কৃষি ও শিল্পখাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে

প্রকাশিত: জানুয়ারী ১৩, ২০২২, ০৮:৫৫ রাত
আপডেট: জানুয়ারী ১৩, ২০২২, ০৮:৫৫ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কৃষি ও শিল্পখাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। চলতি বছর কৃষি ও শিল্প খাতে উৎপাদন বাড়াতে বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১৬ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি ১৯৯৪ সালে উদ্বোধন করা হয়। এ খনির উৎপাদিত কয়লা দিয়ে দেশের প্রথম ২৭৫ মেগাওয়াট ধারণ ক্ষমতার কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০০৩ সালে ২৩ এপ্রিল দেশে প্রথম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হয়ে ২০০৫ সালে কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২টি স্থাপিত হওয়ার পর উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় বিদ্যুতের চাহিদার একটি বড় অংশ এখান থেকে পূরণ করা হচ্ছে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কয়লা খনি প্রকল্প উন্নয়নের একটি মাইলফলক। ২৮২ একর জমির ওপর নির্মিত ৩টি ইউনিট। প্রতি বছর প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার টন কয়লা ব্যবহার হচ্ছে। ২০১৪ সালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিট নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর তৃতীয় ইউনিটটি পরীক্ষামূলক চালু হয়। চালুর পর থেকে তৃতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ চলছে। কয়লার সংকট থাকার মধ্যেও বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। এখন বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা খনি থেকে পর্যাপ্ত কয়লা সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যায়ক্রমে ৩টি  ইউনিট থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় কৃষি ও শিল্প কলকারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাজ করে যাচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী এসএম ওয়াজেদ আলী সরদার জানান, ২০২০ সালে যোগদান করার পর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট ওভারহোলিং এর মাধ্যমে ঠিক করে চলতি বছর বিদ্যুৎ উৎপাদনে সচল রাখা হয়েছে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চীনা কোম্পানী এবং তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দক্ষ প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে এখানে কাজ করছেন। বড়পুকুরিয়া থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে তা দেশের উত্তরের ১৬ জেলায় সরবরাহ হচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহে যাতে কোন সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ৩টি ইউনিট থেকে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যাক্রমে অব্যাহত রাখছি। আমি যোগদানের পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মুজিব কর্নার, মসজিদ নির্মাণ বর্ধিতকরণ, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য বর্ধন করেছি।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়