বাঁশের সেতুটি বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় ২০ হাজার মানুষের নিদারুণ কষ্ট

Online Desk Aminul Online Desk Aminul
প্রকাশিত: ০৮:৩৩ পিএম, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

রংপুর প্রতিনিধি: গ্রামের মানুষের অর্থ আর শ্রমে গড়েতোলা বাঁশের সেতুটি চলতি বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় ১২টি গ্রামের ২০ হাজার মানুষের নিদারুণ কষ্টে চিকলী  নদী পারাপার হচ্ছেন। নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরসহ জন প্রতিনিধিদের কাছে আবেদন করেও কোন কাজ না হওয়ায় গ্রামবাসী চাঁদা তুলে বাঁশ দিয়ে একটি সেতু তৈরি করেছিল। 
জানা যায়, চলতি বর্ষায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র স্রোতে বাঁশের সেতুটি ভেঙে যায়। এতে ১২টি গ্রামের ২০ হাজার মানুষকে অতিরিক্ত ৪ কিলোমিটার পথ বেশি পারি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাতাযাত করতে হচ্ছে। উপজেলা শহরে যাতায়াত করতে হচ্ছে অতিরিক্ত চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে।
শাইলবাড়ি গ্রামের কলেজ শিক্ষক আব্দুর রহমান জানান, চিকলী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে চিঠি দিয়েছি। যেখানে গিয়েছি সেখানেই আশ্বাস পেয়েছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই গ্রামবাসী চাঁদা তুলে বাঁশের সেতু বানিয়েছিলাম। কিন্তু নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির তীব্র স্রোতে বাঁশের এই সেতুটি ভেসে গিয়েছে। 
আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলওয়ার হোসেন বলেন, পাকা সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে  জানানো হয়েছে। আশা করছি এই বছরেই চিকলী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্ত তারাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আহম্মেদ হায়দার জামান জানান, উপজেলার শাইলবাড়িসহ কয়েকটি ঘাটে সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ চেয়ে কাগজপত্র ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।


আরও পড়ুন