বগুড়ায় অরেঞ্জ হত্যার চেষ্টার ৭ নম্বর আসামী গ্রেফতার

Online Desk Aminul Online Desk Aminul
প্রকাশিত: ০৯:৩০ পিএম, ০৯ জানুয়ারি ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার: ‘কার্যত ক্লিনিক্যালি ডেড’ স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা গুলিবিদ্ধ নাজমুল হাসান অরেঞ্জ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার  হার্ট বিট ৩-৫ পর্যন্ত ওঠানামা করছে। তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাকে গত এক সপ্তাহ ধরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। এখনও তার জ্ঞান ফেরেনি। তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তার মাথায় বিদ্ধ গুলি অপসারণের কোন ঝুঁকি নেননি চিকিৎসকরা। অপর দিকে  ঘটনাস্থলে তার সঙ্গে থাকা গুলিবিদ্ধ মিনহাজ শেখ আপেলের অবস্থা এখন ভালো। তাকে হাসপতাল থেকে ছাড় পত্র দেয়া হয়েছে। তিনি এখন মালগ্রামস্থ বাড়ি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ দিকে অরেঞ্জ ও আপেলের ওপর গুলি বর্ষনের ঘটনায় এজাহার ভুক্ত ৭ নম্বর আসামী মো: টিপু (২৬) গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার এস.আই জাকির আল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় গত বৃহস্পতিবার রাতে শহরের কানুজগাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। সে শহরের মালগ্রাম কসাইপাড়ার  আইনুল কসাইয়ের ছেলে। গতকাল তাকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়া হলে বিচারক তাকে একদিনের রিমান্ড মুঞ্জুর করেন। তাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি  রাত ৮ টার দিকে শহরের মালগ্রাম ডাবতলা এলাকায় বিসমিল্লাহ গ্যারেজের দক্ষিণ পাশে অরেঞ্জ ও আপেলসহ কয়েকজন বন্ধু আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় প্রধান আসামী রাসেলের নেতৃত্বে কয়েকজন সন্ত্রাসী দুটি মোটর সাইকেলযোগে সেখানে এসে অরেঞ্জ ও আপেলকে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। এর মধ্যে একাধিক গুলি অরেঞ্জের মাথায় লাগে। এতে অরেঞ্জ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এছাড়া আপেলের কোমর ঘেঁষে গুলি লাগে। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এরপর লোকজন তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়।
বগুড়া সদর থানার ওসি মো: সেলিম রেজা জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। পলাতক অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।


আরও পড়ুন