নন্দীগ্রামে দীর্ঘ ১৫ বছর পর হাসপাতালে রোগী দেখা হচ্ছে

প্রকাশিত: জানুয়ারী ০৩, ২০২২, ০৯:০৬ রাত
আপডেট: জানুয়ারী ০৩, ২০২২, ০৯:০৬ রাত
আমাদেরকে ফলো করুন

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৫ বছর পর নন্দীগ্রাম সদরের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ডাক্তার, নার্সসহ পিয়ন ও আয়া যোগদান করায়  নিয়মিত চিকিৎসাসেবা চালু হয়েছে।
চিকিৎসাসেবা চালুর একসপ্তাহের মধ্যে নন্দীগ্রাম পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ সরঞ্জামাদি প্রদান করেছেন।
আজ সোমবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় চিকিৎমকরা নিয়মিত বর্হি:বিভাগে রোগী দেখছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিফা নুসরাত, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান, থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, ভাইস চেয়ারম্যান দুলাল চন্দ্র মহন্ত, শ্রাবণী আকতার বানু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. তোফাজ্জল হোসেন, কৃষি অফিসার আদনান বাবু, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আবু তাহের হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এসময় আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে বিজরুল বাজারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে। ২০০১-২০০২ অর্থ-বছরে পৌর শহরে ২০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। সরকারের স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের তত্ত্বাবধানে (নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষন ইউনিট-সিএমএমইউ) হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণ সহ আনুসাঙ্গিক খাতে ব্যায় হয় ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ২০০২ সালে হাসপাতালটির ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন এবং নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ২০০৫ সালে এর অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়। অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও জনবল নিয়োগ না দেয়ায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আটকে যায়। জনবল নিয়োগ ছাড়াই ২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক সাংসদ ডা: জিয়াউল হক মোল্লা। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছরেও জনবলের অভাবে হাসপাতালটি আর চালু হয়নি। বর্হিবিভাগ চালু থাকলেও তা চলছিলো মন্তর গতিতে। এখন সেখানে নিয়মিত বর্হি:বিভাগে রোগী দেখা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. তোফাজ্জল হোসেন মন্ডল বলেন, পৌর সদরের ২০ শয্যা হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধির জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ সবাইকে নিয়ে মতবিনিময় সভা করা হচ্ছে। বর্তমানে বর্হি:বিভাগ চালু রয়েছে। আশা করছি সবার সহযোগিতায় আউটডোরও চালু হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, দৈনিক করতোয়া এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়