পুঠিয়ায় কারেন্ট পোকায় কৃষকের সর্বনাশ

Online Desk Aminul Online Desk Aminul
প্রকাশিত: ০৬:৪৫ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২১

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অবহেলায়, কারেন্ট পোকা আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে। ফসল ঘরে তোলার আগেই শেষ সময়ে বিশেষ করে ৫২ জাতের ধানে দেখা দিয়েছে এই কীট।
ইতোমধ্যে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসার ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকার্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সৈয়দপুর, বিলামাড়িয়া ও বারোপাখিয়া গ্রামের কৃষকরা। ঝাকে ঝাকে পোকা নষ্ট করছে ক্ষেতের ধান। লাল হয়ে মরে যাচ্ছে ধানের ক্ষেত। এমন অবস্থা রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় অগ্রহায়ণে নবান্নের উৎসব অম্লান করে দিয়েছে কারেন্ট পোকা।
রাজশাহীর পুঠিয়ায় আমন মৌসুমে ইতোমধ্যেই কৃষকের ঘরে আমন ধান উঠতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জাতের ধান উপজেলায় ব্যাপকভাবে আবাদ করেছে কৃষককুল। আমন ধানের আবাদ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। গ্রামের কৃষককুল ধার-দেনা করে সারা বৎসরের সঞ্চয়ী অর্থ আমন ধানে বিনিয়োগ করে পাচ্ছেনা কাঙ্খিত ফল। বিঘা প্রতি ধান রোপণ থেকে শুরু করে ধানের শীষ বের হওয়া পর্যন্ত প্রায় ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ধানে রোগবালাই না হলে বাম্পার ফলন কৃষক প্রতি বিঘায় ১৫-২০ ধান ঘরে তুলতে পারত। আগাম জাতের ধানের জমিতে পোকা-মাকড় জন্য বালাইনাশক ঔষধ নিয়মিত প্রয়োগ করেও ধানের জমি থেকে পোকা দমন করতে পারেনি কৃষকরা। ধানে ফড়িং (কারেন্ট পোকা) দিন-রাতে সাবাড় করছে কৃষকের ফসল।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, আমি সরাসরি কথা বলবো। তিনি আরো বলেন, এই সমস্যা সাংবাদিকদের তৈরি।
পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ এর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আরও পড়ুন